২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যশোর শিক্ষাবোর্ডে অতিরিক্ত অর্থ আদায়

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ স্কুল-কলেজের স্বীকৃতি নবায়ন, শিক্ষার্থী ভর্তি, পরীক্ষার ফি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বদলসহ নানা কাজে যশোর শিক্ষা বোর্ড অতিরিক্ত ফি আদায় করছে। এতে শিক্ষা বোর্ডে সেবা নিতে আসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। এ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুললে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্ত বলে এড়িয়ে যান শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা।

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার নি¤œ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশ, সনদপত্র বিতরণ, প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি নবায়ন, কমিটি অনুমোদনসহ বিভিন্ন কাজ দেখভাল করেন। এসব কাজ সম্পাদনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট হারে ফি দিতে হয়। কিন্তু এসব ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের কোন মতামত নেয়া হয় না। আন্তঃবোর্ডের সিদ্ধান্ত হিসেবে এসব ফি নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু এতে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের। যেমন, এখন একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা ছাড়পত্র নিয়ে বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হচ্ছে। ভর্তিকৃত কলেজ থেকে নম্বরপত্র নিয়ে অন্য একটি কলেজে ভর্তি হতে চাইলে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ নিচ্ছে ৮শ’ টাকা অথচ এখানে একটি কাগজে সই ছাড়া শিক্ষা বোর্ডের কোন কাজ নেই।

কিছুদিন আগে শেষ হলো এইচএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের কাজ। এখানে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীর প্রতি বিষয় উত্তরপত্র মূল্যায়নে নিয়েছে ৩শ’ টাকা করে অথচ এক্ষেত্রে খরচ সব মিলিয়ে ৫০ টাকার মতো। শিক্ষাবোর্ডের অধীন ২ হাজার ৬শ’ ৬৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৫শ’ ৬৫টি কলেজের ইন্টারনেট খরচ বাবদ (ডোমেইন ভাড়া) প্রতি বছর আদায় হচ্ছে ৩৫ লাখ টাকা অথচ এত টাকা লাগার কথা নয়।

অতিরিক্ত অর্থ আদায় বিষয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব মোল্লা আমীর হোসেন জানান, এসব ফি দিয়েই শিক্ষা বোর্ডকে চলতে হয়।