২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জমে উঠেছে গরুর হাট

  • অতিরিক্ত টোল আদায়

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া অফিস ॥ জেলায় কোরবানির পশুর হাটে বেচাকেনা জমে উঠতে শুরু করেছে। ক্রেতা বিক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পশু আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও তুলনামূলক দাম কিছুটা বেশি। দেশীয় পশুর পাশাপাশি স্বল্পসংখ্যক ভারতীয় গুরুর আমদানিও রয়েছে। তবে পশু কেনার আরও এক সপ্তাহেরও বেশি সময় থাকায় হাটে সাধারণ ক্রেতাদের উপস্থিতি কম। হাটজুড়ে এখন গরুর ব্যাপারীদের তৎপরতা বেশি। ব্যাপারীরাই গরু কিনছেন এখন বেশি। এছাড়া হাটে কোরবানির পশুপ্রতি নির্ধারিত টাকার বাইরে অতিরিক্ত হাসিল (টোল) আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বগুড়ায় কোরবানি উপলক্ষে ছোট বড় মিলিয়ে পশুর হাট বসছে ৭৮টি। এর মধ্যে বগুড়া সদর, দুপচাঁচিয়া, শিবগঞ্জ, গাবতলী, সোনাতলা, নন্দীগ্রাম, শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলায় বড় হাট রয়েছে প্রায় ২০/২৫টি। বগুড়ার বড় হাটগুলোর অন্যতম শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান হাট।

বুধবার এই হাটে গিয়ে দেখা গেছে, কোরবানি পশুর আমদানি স্বাভাবিক। তবে হাটে গরুর আমদানি বেশি থাকলেও দাম কম নয়। এর মধ্যে ছোট ও মাঝারি আকারে গরুর দাম বেশি। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, পশু পালনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান দাম নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নয়। ক্রেতারা বলছেন, হাটে আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও দাম তুলনামূলক বেশি। এজন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম, মুন্সীগঞ্জ, সিলেট, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যাপারীরা এখানকার হাটগুলোতে ভিড় করছে। ব্যাপারীরা এক সঙ্গে ১০/১৫ ট্রাক গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছে। মহাস্থান হাটে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকার গরু ওঠে। এছাড়া ভারতীয় হরিয়ানা জাতের গরুও দেখা গেছে। ক্রেতাররা জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় পশুপ্রতি হাসিল আদায় করা হচ্ছে বেশি। গরুপ্রতি দু’শ’ টাকা নির্ধারিত থাকলেও মহাস্থান হাটে হাসিল আদায় করা হচ্ছে ৫শ’ টাকা করে।

মহাস্থান হাটের ইজারদার জাহিদুর রহমান অতিরিক্ত হাসিল আদায় নিয়ে কোন কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, অন্য হাটে যেভাবে হাসিল নেয়া হচ্ছে, তার হাটেও একইভাবে চলছে। এ ব্যাপারে বগুড়ার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, অতিরিক্ত হাসিল (টোল) আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এজন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানান, কোরবানির হাটের নিরাপত্তা ও জালটাকা শনাক্তকরণে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।