২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দিনমজুর ও দুই যুবক খুন

  • গৃহবধূ ও নবজাতকের লাশ উদ্ধার

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ দাউদকান্দিতে দিনমজুর, নেত্রকোনা ও পটিয়ায় দুই যুবককে খুন করা হয়েছে। এছাড়া সিরাজগঞ্জে গৃহবধূ ও কেশবপুরে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর স্টাফ রিপোর্টার ও নিজস্ব সংবাদদাতাদের।

দাউদকান্দি ॥ পৌর সদরে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে সাদ্দাম হোসেন (২৪) নামের এক দিনমজুর নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে দাউদকান্দি পৌর সদরের দোনারচর মোড়ে ওই যুবককে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে গৌরীপুর হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নেত্রকোনা ॥ হাবুল মিয়া নামে এক যুবক খুন হয়েছে । বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়ি থেকে বের হ য় সে। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে একই গ্রামের মৃত বিরাম খার ছেলে ইমরানের বাড়ির পাশে হাবুল মিয়া অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে লোকজন বাড়িতে খবর দেয়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে নিহতের বড়ভাই কায়সার ইমরান বাবু অভিযোগ করেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে তার ভাইকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

পটিয়া ॥ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের পটিয়ায় মাহবুল আলম (৩৫) নামের এক যুবক খুন হয়েছেন। তিনি উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের হরিণখাইন গ্রামের সমশু মিয়ার পুত্র। এই ঘটনায় ওই এলাকার সুইল্যা মিয়ার পুত্র মোঃ রুবেলকে (৩০) গ্রেফতার করেছে। বুধবার এ ঘটনা ঘটে।

সিরাজগঞ্জ ॥ তাড়াশে জোছনা বেগম (৪৪) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বড় পওতা গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, বুধবার রাতে ওই গৃহবধূ ছেলের সঙ্গে ঝগড়ার করার পর অজান্তে কীটনাশক পান করে।

কেশবপুর, যশোর ॥ বৃহস্পতিবার সকালে কেশবপুরের ভোগতি মাওলানা শাহাবুদ্দিনের বাড়ির পাশে ঝোপের ভেতর থেকে এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সীতাকু-ে স্কুলের স্থাপনা ভেঙ্গে দখলে নিয়েছে শিল্প প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদদাতা, সীতাকু- (চট্টগ্রাম), ১৭ সেপ্টেম্বর ॥ সীতাকু- উপজেলার কুমিরা আবাসিক বালিকা স্কুল এ্যান্ড কলেজের মূল গেট, (স্থাপনা) ভাংচুর করেছে পার্শ¦বর্তী একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। ভাংচুর পরবর্তী দখল করে ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ নিজেদের সীমানায় নেয়ার অপচেষ্টা করছে। এ বিষয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে স্থানীয় এমপি দিদারুল আলম অধ্যক্ষকে বাদী হয়ে ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কুমিরা আবাসিক বালিকা স্কুল এ্যান্ড কলেজ। গত কয়েক বছর আগে স্কুল সংলগ্ন দক্ষিণ পাশে কেডিএস গ্রুপের মালিকানাধীন কে.ওয়াই সি আর নামে একটি কয়েল ফ্যাক্টরি তৈরি করা হয়। তারপর থেকে বিভিন্ন সময়ে স্কুল এ্যান্ড কলেজের জায়গা ও স্থাপনা দখল বেদখলের ঘটনা ঘঠে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন আগে রাতের আঁধারে মিল কর্তৃপক্ষ কুমিরা স্কুল এ্যান্ড কলেজের মূল গেটসহ স্থাপনা ভাংচুরের চেষ্টা চালায়। কিন্তু তখন উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক আলা উদ্দীনসহ শত শত অভিভাবক ও এলাকাবাসীর তোপের মুখে স্থাপনা ভাংচুরকারীরা পালিয়ে যায়। সেখানে দেখা যায় কলেজে যাওয়া-আসার পথে অত্যাধিক ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন তৈরির কাজ করছেন মিল কর্তৃপক্ষ। কমিটির লোকজন দাবি করেছেন স্টেশনটি নির্মিত হলে কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রীদের জন্য যাওয়া-আসার পথে প্রতিটি মুহূর্ত বিপদগামী হবে। কে.ওয়াই সি আর পরিচালক মুনির হোসেন জানান, আমরা অধ্যক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে গেটটিসহ স্থাপনা ভেঙ্গে সরানোর চেষ্টা করেছি। অধ্যক্ষ নাছির উদ্দীনের সঙ্গে কথা বললে তিনি বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করে প্রতিবেদককে জানান, আমি এসবের কিছুই জানি না। ওইদিন কলেজ ক্যাম্পাস ছেড়ে আমি কোথাও বের হইনি। এ ব্যাপারে সীতাকু- উপজেলার নির্বাহী অফিসার নাজমুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আমি ঘটনা শুনে তৎক্ষণাত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি এবং অধ্যক্ষ নাছির উদ্দীনকে আমার সঙ্গে দেখা করতে বলি কিন্তু তিনি আজ পর্যন্ত আসেননি। চট্টগ্রাম-৪ সীতাকু- আসনের সাংসদ দিদারুল আলম বলেন, আমি ঘটনার পরদিনই এলাকাটি পরির্দশন করেছি এবং কলেজ অধ্যক্ষ নাছির উদ্দীনকে বাদী হয়ে মিল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করতে বলি।