২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এবার ১০ লাখ গরু ছাগলের চামড়া বেশি সংগ্রহের লক্ষ্য

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ গত বছরের চেয়ে ৫ লাখ গরু ও ৫ লাখ ছাগলের চামড়া বেশি সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ট্যানারি মালিকদের সংগঠন ট্যানার্স এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

প্রতিবছর কোরবানি সংখ্যার বাড়ছে সেই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতেই সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা বেশি বলে জানিয়েছে সংগঠনের সভাপতি। লক্ষ্যমাত্রা বাড়ালেও বিশ্ববাজারে চামড়ার দাম এবং কোরবানির পশুর যোগান নিয়ে শঙ্কা থাকায় চামড়ার দাম নির্ধারণ করতে চান না তারা। প্রতিবেশী দেশের গরু আসা বন্ধ ছিল কয়েক মাস ধরে। তাই এবার কোরবানির পশুরহাট শুরুর আগেই নানা শঙ্কা জনমনে। এ অবস্থায় বিকল্প কোন ব্যবস্থা আছে কিনা, স্থানীয় গরু চাহিদা মেটাতে পারবে কি না কোরবানির আগেই এমন প্রশ্ন। সারা বছরের অর্ধেকের বেশি চামড়া সংগ্রহ হয় কোরবানির সময়, তাই হিসেব নিকাশ করছেন ট্যানারি মালিকরাও। তার ওপর ট্যানারিতে চামড়া অবিক্রীত থাকা ও বিশ্ববাজারে দাম কমা নিয়েও চিন্তিত ব্যবসায়ীরা।

গত বছর কোরবানি বেশি হওয়ায় চামড়া সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এ বছরও শেষ পর্যন্ত পর্যাপ্ত পশু সরবরাহ থাকবে এমন হিসাব করে ৬০ লাখ গরু এবং ৩০ থেকে ৩৫ লাখ পিস মহিষ ও ছাগলের চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ট্যানার্স এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের। বিটিএ সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, ‘প্রত্যেক বছর পশু কোরবানি বেশি হচ্ছে। আমরা মনে করি, এ বছর অন্তত ৬০ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহ হবে। কিন্তু যদি পার্শ্ববর্তী দেশের গরু না আসে তাহলে সেটা অর্ধেকে নেমে আসবে।’ গত বছর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঢাকার প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়া ৭০ থেকে ৭৫, ঢাকার বাইরে ৬০-৬৫ টাকা এবং খাসি ৩০-৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তবে, এবার দাম নির্ধারণ করতে চান না ব্যবসায়ীরা।