২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শাহজালালে ২১০ ভরি সোনাসহ দুই যাত্রী আটক

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২১০ ভরি সোনাসহ দুই যাত্রীকে আটক করেছে বিমানবন্দর আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত দুইটার দিকে বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক দুই যাত্রী হলেন- কুমিল্লার বুড়িচংয়ের আবু ইউসুফ আলী (৩১) এবং মাসুদ মিয়া (৩৮)।

পুলিশের অভিযোগ,একজন কাষ্টমস সুপার ওই সময় বিশেষ প্রটোকল দিয়ে ওই দুই জন যাত্রীকে গ্রীন চ্যানেল দিয়ে বাইরে নিয়ে যায়। তাদেরকে ক্যানপীর কাছে রেখে তিনি কাষ্টমস হলে চলে আসার পর পরই টহলরত এপিবিএন সদস্যরা সেখানে হাজির হয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শুুরু করে। তখন তাদের কথাবার্তা ও আচরণে সন্দেহজনক হওয়ায় আটক করে নিয়ে আসা হয় অফিসে। এখানে লাগেজ ও হাতব্যাগ তল্লাশী করে ্ সোনা উদ্বার করে।

এপিবিএন এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তানজিনা আকতার ইভার জানান, আটক দুইজনই গত রাত ২টার দিকে দুবাই ফেরত এয়ারএশিয়ার একে-৭১ ফ্লাইটের যাত্রী। বিমানবন্দরে নামার পর তাদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হয়। পরে হাতব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে আবু ইউসুফের কাছ থেকে ৯টি এবং মাসুদের কাছ থেকে ১২টি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। ০০গ্রাম ওজনের ২১ স্বর্ণের বারের ওজন ২কেজি ১০০ গ্রাম। আর ভরির হিসেবে ২১০ ভরি। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৯৫ লাখ টাকা,’ যোগ করেন তানজিনা। আটক দুইজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের রিমান্ড চেয়ে শনিবার আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ দিকে একজন কাস্টমস সুপার কিভাবে এ দুজন যাত্রীকে প্রটোকল দিয়ে গ্রীন চ্যানেল পার করেছে সেটা একটি গোয়েন্দা সংস্থা জেনে যাওয়ায় তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে বি শিফটের কাষ্টমস সহকারি কমিশনার ওমর মবিন ক্ষুব্দ হয়ে এপিবিএন এ এসপি আছমা আরার সঙ্গে বাদানুবাদে লিপ্ত হন। এ নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে চলে বাক্যবিনিময়।

ঢাকা কাষ্টমস হাউজের যুগ্ম কমিশনার এস এম সোহেল রহমান জনকন্ঠকে বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। সব যাত্রীকে তো তল্লাশী কর সম্ভব নয়। ব্যাগেজ রুলে মাত্র শতকরা ৫ জনের লাগেজ চেক করা হয়। এখন দেখতে হবে অন্য কোন সংস্থার সদস্য এমন করেছে কিনা। বি শিফটের সময় থাকা কোন সুপার এ ঘটনায় জড়িত থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।