২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এক দশকে দেশের অর্থনীতি দ্বিগুণ ॥ উন্নতি সর্বস্তরে

এক দশকে দেশের অর্থনীতি দ্বিগুণ ॥ উন্নতি সর্বস্তরে
  • রাজধানী কেন্দ্রিক ব্যবসা ও শিল্পায়ন প্রসারিত হচ্ছে আঞ্চলিক পর্যায়ে;###;বিকশিত হচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি ;###;কৃষি ঠিক রেখে শিল্পায়নে গুরুত্ব

হামিদ-উজ-জামান মামুন ॥ বড় হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। সেই সঙ্গে শক্ত হচ্ছে এর ভিত। গত কয়েক বছরের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে অর্থনৈতিক কর্মকা-। শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক নয়, ব্যবসা ও শিল্পায়নে ভারসাম্যপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে আঞ্চলিক পর্যায়েও। গ্রামীণ অর্থনীতি হচ্ছে বিকশিত। ফলে এর সুফল পাচ্ছে পুরো দেশের মানুষ। এমনই চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ জরিপে। পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকারের নেয়া নানা কর্মসূচী এ ব্যাপারে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। এ পরিপ্রেক্ষিতে আগামী পাঁচ বছরে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় প্রবৃদ্ধি বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে শিল্প খাতে। তবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পারিবারভিত্তিক বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাড়ছে সেটি যেমন সুসংবাদ, তেমিন পরিবারকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠাটিও এক ধরনের খারাপ অবস্থা। এই বৃত্ত ভাঙতে হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী দেখা গেছে, দেশে ১৯৮৬ সালে স্থায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৯টি, ২০১৩ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ লাখ ৩৪ হাজার ৬১৬টিতে। প্রতিবেদন অনুযায়ী দশ বছরের ব্যবধানে দেশে অর্থনৈতিক কর্মকা-ের পরিধি প্রায় দ্বিগুণের চেয়ে বেশি বেড়েছে। গত এক দশকে অর্থনৈতিক ইউনিট (ক্ষেত্র) বৃদ্ধি ঘটেছে। এ সময় বর্তমান শুমারিকালীন মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের (প্রতিষ্ঠানের) সংখ্যা ৮০ লাখ ৭৫ হাজার ৭০৪টি পাওয়া গেছে। কিন্তু ২০০১ ও ২০০৩-এর শুমারিতে ছিল ৩৭ লাখ ৮ হাজার ১৪৪টি। ২০১৩ পর্যন্ত অর্থনৈতিক ইউনিট বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১১৮ শতাংশ।

এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন জনকণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে। কেননা দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। গত কয়েক বছর ৬ শতাংশের মধ্যেই রয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য বা অর্থনৈতিক কর্মকা- বেড়েছে বলেই এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। তবে যে বিষয়টি লক্ষণীয় সেটি হচ্ছে, বাংলাদেশে পারিবারিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানই বেশি। এটি ক্ষুদ্র বা মাঝারিতেই শুধু নয়, বড় বড় প্রাতিষ্ঠানিক খাতের শিল্প প্রতিষ্ঠান যেগুলো যেমন পোশাক শিল্প, কসমেটিক্স বা ওষুধ শিল্প রয়েছে সেগুলোও পরিবারকেন্দ্রিক। পরিবার থেকে যদি অর্থ বিনিয়োগ করা হয় বা বড়জোর ব্যাংক ঋণ থেকে যদি অর্থায়ন করা হয় তাহলে একটা সময় গিয়ে দেখা যাবে ব্যবসা আর বাড়ছে না। এজন্য ব্যবসা বা শিল্পকে পরিবারের গ-ির বাইরে নিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারে শেয়ার ছেড়ে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করা দরকার। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো সেটি করছে না।

বিবিএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক কর্মকা-ের বৈষম্য এখনও বিদ্যমান। বিভাগীয় শহরগুলোতে এখনও অর্থনৈতিক বৈষম্য রয়েছে। সব থেকে বেশি অর্থনৈতিক ইউনিট রয়েছে ঢাকা বিভাগে ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ৩৭২টি, চট্টগ্রামে ১৩ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৭টি, রাজশাহীতে ১২ লাখ ১৭ হাজার ৬৩৩টি, রংপুরে ১০ লাখ ৮৮ হাজার ২৫৫টি, খুলনায় ১০ লাখ ৩৪ হাজার ৫৮১টি, বরিশালে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ২৩৩টি এবং সবচেয়ে কম পরিলক্ষিত হয়েছে সিলেট বিভাগে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৮৭৩টি।

তবে আঞ্চলিক পর্যায়ে ব্যবসা ও শিল্পায়নে ভারসাম্যপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যবসা ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। ১৯৮৬ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা শক্তিশালী উর্ধগামী প্রবণতার সঙ্গে স্থায়ীভাবে অর্থনৈতিক ইউনিটের সর্বোচ্চ সংখ্যায় দাঁড়িয়েছে। ১৯৮৬ সালে এর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৭৯৯টি ২০১৩ সালে তা বৃদ্ধি পেয়েছে ২৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৩টি। বলা হয়েছে, খানা (পরিবার)ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকা-ের দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। দেশে খানাভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকা-ের দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। ২০১৩ সালে খানাভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকা-ে খানার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ ৩৯ হাজার ৩৯৮টি, যা ২০০১ ও ২০০৩ সালে ছিল মাত্র ৩ লাখ ৮১ হাজার ০৫৫টি।

দেশের উত্তরাঞ্চলের উচ্চ মাত্রার প্রবৃদ্ধির কারণে গ্রামীণ অর্থনীতি বিকশিত হয়েছে। অর্থনৈতিক শুমারিতে দেখা গেছে ২০০১ ও ২০০৩ সালের চেয়ে ২০১৩ সালে পল্লী এলাকায় শহর এলাকার তুলনায় বৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়েছে। এ হার পল্লী এলাকায় ১৫০ দশমিক ৬০ ভাগ এবং শহর এলাকায় ৬২ দশমিক ৯০ ভাগ। এমনকি রংপুর দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় ব্যাষ্টিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বাস্তব প্রবৃদ্ধি লাভ করেছে। এ বিভাগে ১৯৮৬ সালে অর্থনৈতিক ইউনিট ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ১৩৫টি কিন্তু ২০১৩ সালে এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ হাজার ৮৮ হাজার ২৫৫টি।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম এ বিষয়ে জনকণ্ঠকে বলেন, পরিকল্পিত অর্থনৈতিক কর্মকা- এবং সরকারের নানাবিধ কর্মতৎপরতায় দেশের অর্থনীতি আজ শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ যখন ধারাবাহিকভাবে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয় তখন বুঝতে হবে দেশের অর্থনৈতিক ভিত শক্তিশালী হচ্ছে। এছাড়া রেমিটেন্স, রিজার্ভ, বৈদেশিক সহায়তাসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক নির্দেশক ভাল অবস্থানে রয়েছে। আমাদের খাদ্য আমদানি করতে হচ্ছে না। সব দিক থেকে এটি নিঃসন্দেহে বলা যায় অর্থনৈতিক ভিত শক্তিশালী হচ্ছে। এটি আগামীতে আরও বেশি শক্তিশালী হবে। কারণ, আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভাল। ফলে আমাদের রফতানির চাহিদা বাড়ছে। এখন রফতানি ভাল অবস্থানে রয়েছে।

অর্থনৈতিক ইউনিটের বৃদ্ধিতে সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানসমূহ অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এ শুমারির প্রাথমিক ফলাফল হতে দেখা গেছে, সেবা খাতের কার্যক্রম যেমন মোটরগাড়ি এবং মোটরসাইকেল মেরামতসহ খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা সর্বোচ্চ ৪৫ দশমিক ৯১ ভাগ স্থান দখল করে আছে। পরিবহন এবং মজুদ ১৩ দশমিক ৬৫ ভাগ, অপর পক্ষে উৎপাদন ১১ দশমিক ৭৬ ভাগ এবং অন্যান্য সেবা কাযর্ক্রম ৮ দশমিক ৪৮ ভাগ স্থান দখল করে আছে।

বিবিএস ১৯৮৬ সাল থেকে ২০১৩ সালের অর্থনৈতিক শুমারিসহ তিনটি শুমারি সম্পন্ন করেছে। সারাদেশে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৮৬ সালে। দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শুমারি দুটি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথম পর্ব শহর এলাকায় ২০০১ সালে এবং দ্বিতীয় পর্ব পল্লী এলাকায় ২০০৩ সালে। দশ বছরের ধারাবাহিকতায় গত ৩১ মার্চ হতে ৩১ মে ২০১৩ সময়ের মধ্যে তৃতীয় অর্থনৈতিক শুমারি সম্পন্ন করা হয়। গত বছর এ শুমারির প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

সূত্র জানায়, শিল্প খাতে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের কৌশল নেয়া হচ্ছে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০১৬-২০ সাল পর্যন্ত ), কেননা আগামী পাঁচ বছরে গড় প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ অর্জন করতে হলে শিল্পের ওপরই জোর দিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাছাড়া ওই সময়ে ১ কোটি ৬২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান করতে হলে শিল্প ও সেবা খাত নির্ভরতা বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে কৃষি খাতেও যাতে প্রবৃদ্ধি বাড়ে সেই প্রচেষ্টাও থাকবে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়।

আগামী পাঁচ বছরে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় শিল্প (ম্যানুফেকচারিং) খাতে গড় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। এ খাতে পাঁচ বছরে অর্থবছরভিত্তিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য হবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১০ শতাংশ, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১০ দশমিক ৫২ শতাংশ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সিনিয়র সদস্য ড. শামসুল আলম জনকণ্ঠকে বলেন, গত পাঁচ বছরে চলমান ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য পূরণ করতে অবশ্যই শিল্পের দিকে ঝুঁকতে হয়েছে। তার মানে এই নয় যে, কৃষিকে অবহেলা করা হয়েছে। কৃষি তার অবস্থানেই ছিল। কিন্তু শিল্প এগিয়ে গেছে দ্রুত, যা কৃষির পক্ষে সম্ভব নয়। তবে কৃষির বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়, যাতে প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

আগামী পাঁচ বছরে সেবা খাতে গড় প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ছয় দশমিক তিন শতাংশ। এ খাতে অর্থবছরভিত্তিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য হচ্ছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাঁচ দশমিক ৭০ শতাংশ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ছয় শতাংশ, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছয় দশমিক ৫০ শতাংশ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছয় দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ছয় দশমিক ৬৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হচ্ছে।

অক্টোবরে চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে যাওয়া সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় আগামী পাঁচ বছরে কৃষি খাতে গড় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হচ্ছে তিন দশমিক তিন শতাংশ। এ খাতে অর্থবছরভিত্তিক প্রবৃদ্ধি ধরা হচ্ছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তিন দশমিক ১৯ শতাংশ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তিন দশমিক ২১ শতাংশ, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তিন দশমিক ২৮ শতাংশ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তিন দশমিক ৪০ শতাংশ এবং পরিকল্পনার শেষ বছর ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য হচ্ছে তিন দশমিক ৫৪ শতাংশ।

ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ এখন অগ্রগতির সিঁড়িতে উঠেছে। এখন শিল্পের ক্ষেত্রে যে সুযোগ তৈরি হয়েছে তা কাজে লাগাতে অবকাঠামোর উন্নতি করতে হবে। এজন্য বিশেষ কিছু করার দরকার নেই। সরকার যেগুলো প্রকল্প হাতে নিয়েছে সেগুলো শেষ করতে পারলেই আপাতত হয়। যেমন চট্টগ্রাম বন্দরের পুরোপুরি ব্যবহার, ঢাকা-চিটাগাং চারলেনের কাজ শেষ করা এবং যে চারটি অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সেগুলো দ্রুত শেষ করলেই কাক্সিক্ষত প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হবে।