১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্বাধীনতা প্রশ্নে ফের গণভোট চাইব ॥ স্কটিশ নেত্রী

ডেভিড ক্যামেরন সমাজকল্যাণ খাতে ব্যয় সঙ্কোচন এবং পরমাণু অস্ত্রবাহী ট্রাইডেন্ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বাতিল না করলে স্কটল্যান্ডের ফাস্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জন দ্বিতীয় স্বাধীনতার গণভোট দাবি করার হুমকি দিয়েছেন। শুক্রবার গত বছরের স্বাধীনতার গণভোটের প্রথমবার্ষিকী উপলক্ষে প্রদত্ত ভাষণে তিনি ক্যামেরনকে সতর্ক করে দেন যে, যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তাঁর সরকারের কর্মপন্থা পরিবর্তনে আগ্রহ এবং বর্তমানে কমন্স সভায় আসীন স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) ৫৬ জন এমপির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার ওপর। খবর গার্ডিয়ানের।

স্টার্জন বলেন, ‘এ মুহূর্তে আপনি (ক্যামেরন) ধার করা সময়ের ওপর চলছেন’ স্টার্জনের ভাষায় পরিষ্কার ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, এসএনপি বিশ্বাস করে, যুক্তরাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়িয়ে তোলার ওপরই দ্বিতীয় গণভোটে দলের জয়লাভ নির্ভর করছে।

তিনি বলেন, আপনি যদি অব্যাহতভাবে স্কটল্যান্ডের মতামতকে অগ্রাহ্য করতে থাকেন, আপনি যদি মে মাসে সারা দেশের মানুষের পছন্দকে অসম্মান করেন, তবে ক্রমশ অধিকতর মানুষ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হবে যে, ওয়েস্টমিনিস্টার (ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকার) একেবারেই স্কটল্যান্ডের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে না। ক্যামেরন অবশ্য তার চ্যালেঞ্জ খারিজ করে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচ্ছিন্ন হওয়ার জাতীয়তাবাদী অন্বেষা একটি ‘বদ্ধমূল ধারণা’, যা গতবছরের স্কটল্যান্ড সংক্রান্ত গণভোটের সুস্পষ্ট ও চূড়ান্ত ভোটদানকে উপেক্ষা করছে। গণভোটে একটি শক্তিশালী স্কটিশ পার্লামেন্টসহ স্কটল্যান্ডকে যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে রাখার পক্ষে রায় দেয়া হয়।

একবছর আগে ঐতিহাসিক স্বাধীনতার গণভোটে স্কটল্যান্ডকে ঐক্যবদ্ধ রাখার পক্ষে ৫৫ শতাংশ ও বিপক্ষে ৪৫ শতাংশ ভোটদানের মধ্যদিয়ে সুস্পষ্ট ফলাফল বেরিয়ে আসে। তবে এখকার জনমত জরিপে স্বাধীনতার পক্ষে ৫৫ শতাংশ মানুষ হ্যাঁ ভোটকে সমর্থ করছেন। জরিপে আভাস পাওয়া যায় যে, এসএনপি’র সমর্থন ৬০ শতাংশের উর্ধে। এতে পুনরায় ভোটাভুটি হলে স্টার্জন সরকার কী অবস্থান গ্রহণ করবেন তা পরিষ্কার করার জন্য তার ওপর চাপ বৃদ্ধি করেছে। ক্যামেরন একথা প্রকাশ করে তাঁর যুক্তিকে জোরালো করতে চেয়েছেন যে, তিনি ওয়েস্টমিনিস্টার কর্তৃক হলিরুড-এর (স্কটিশ প্রশাসনিক কেন্দ্র) বিলোপসাধন অসম্ভব করে স্কটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের আইনগত ও সাংবিধানিক সুরক্ষা জোরদার করবেন। বর্তমান সংবিধি অনুযায়ী এটির প্রায়োগিক সম্ভাব্যতা রয়েছে।