২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বোকো হারামের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়েছে ৫ লক্ষাধিক শিশু

  • এসব শিশু নাইজিরিয়া, ক্যামেরুন, শাদ ও নাইজারের ॥ ইউনিসেফ

গত ৫ মাসে নাইজিরিয়া, ক্যামেরুন, শাদ ও নাইজারে বোকো হারাম চরমপন্থীদের আকস্মিক হামলা বৃদ্ধির পর সেখানকার প্রায় ৫ লাখ শিশু পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। জাতিসংঘ শিশু সংস্থা শুক্রবার একথা বলেছে। ইউনেস্কো এক বিবৃতিতে জানায়, আশ্রয়হীন হয়ে পড়া শিশুদের অতিরিক্ত সংখ্যা ধরলে লেক শাদ অঞ্চলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়া শিশুদের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৪ লাখ। খবর এএফপির।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হলো নাইজিরিয়া। সেদেশের পালিয়ে যাওয়া শিশুর সংখ্যা ১২ লাখ যাদের অর্ধেকের বেশি শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে। দেশটির দুর্গম উত্তর- পূর্বাঞ্চলে কেন্দ্রীভূত ইসলামপন্থী বিদ্রোহীদের যারা তারা উৎপাটিত হয়েছে। প্রতিবেশী দেশ ক্যামেরুন, শাদ ও নাইজারের প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি আঞ্চলিক পাল্টা-আক্রমণে নাইজিরিয়ার সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যোগদানের পর তিনটি দেশ ক্রমবর্ধমানভাবে বোকো হারামের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। ইউনিসেফের গশিমও মধ্য আফ্রিকা সংক্রান্ত আঞ্চলিক পরিচালক ম্যানুয়েল ফনটেইন বলেন, ‘এসব শিশু যারা তাদের প্রাণ নিয়ে পালাচ্ছে তাদের শৈশব কেড়ে নেয়া হয়েছে। এটা সত্যি আশঙ্কাজনক যে, শিশু ও নারীদের বিরাহীনভাবে হত্যা ও অপহরণ করা হচ্ছে এবং বোমা বহনে অভ্যস্ত করে তোলা হচ্ছে।’ ২০০৯ থেকে বোকো হারামের জঙ্গীরা উত্তর-পূর্ব নাইজিরিয়ার একটি কট্টর ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করছে। সে সময় থেকে এ পর্যন্ত ১৫ হাজার লোক নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে গত ২৯ মে মুহাম্মাদু বুহারি নাইজিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে প্রায় ১ হাজার ১শ’ জন একের পর এক আত্মঘাতী বোমা হামলা, মারাত্মক অতর্কিত আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছে। বুহারি বলেছেন, তিনি নিশ্চিত যে, নবেম্বর নাগাদ প্রচলিত হামলা বন্ধ হবে, যদিও আত্মঘাতী ও দেশী বোমা হামলা অব্যাহত থাকবে।