২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিক্ষক ধর্মঘট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দরকার

  • মুহম্মদ শফিকুর রহমান

লেখার শুরুতে বিশ্ব সংস্থা জাতিসংঘ কর্তৃক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনাকে ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত করায় তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। এভাবে একটার পর একটা পুরস্কার এনে শেখ হাসিনা আমাদের গৌরবান্বিত করছেন। অভিনন্দনের সঙ্গে সঙ্গে তাই আমাদের সশ্রদ্ধ সালাম এবং কৃতজ্ঞতা।

জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতির বৈরী হয়ে নয়, বরং প্রকৃতিবান্ধব হয়ে জলবায়ুর দক্ষ ব্যবস্থাপনার জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে। ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পুরস্কার। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর (২৮ সেপ্টেম্বর তাঁর ৬৯তম জন্মদিন) নিউইয়র্কে ইউএন কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে পুরস্কারটি তুলে দেবেন। ওই সময়টাতে শেখ হাসিনা জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন। শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার প্রদানের ব্যাপারে বক্তব্য হলো বাংলাদেশ বিশ্বের ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। এখানে বন্যা, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকির মধ্যেও শেখ হাসিনার দূরদর্শী এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ আজ এগিয়ে চলেছে। জাতিসংঘের এই মূল্যায়ন যথার্থ বলে আমরা মনে করি। কেননা, শেখ হাসিনা কেবল যে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন তা নয়, সঙ্গে সঙ্গে মানুষকে দুর্যোগ মোকাবেলায় তৈরি করে তুলেছেন, সচেতন করে তুলেছেন। উপকূল এলাকায় একদিকে যেমন ‘ফ্লাড শেল্টার’ বানিয়ে দিয়েছেন, পাশাপাশি ব্যাপক বনাঞ্চল সৃষ্টির মাধ্যমে জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধের প্রাকৃতিক পদ্ধতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো, যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায়- সে প্রাকৃতিকই হোক আর মানব সৃষ্টই হোক- মানুষকে এমনভাবে তৈরি করেছেন যে, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ আজ আত্মবিশ্বাসী। তিনি নিজে যেমন স্বপ্ন দেখতে জানেন তেমনি স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রেও চ্যাম্পিয়ন। কেবল নিজে স্বপ্ন দেখতে জানেন তা নয়, নাগরিকদেরও স্বপ্ন দেখার ক্ষেত্রে তৈরি করে তুলেছেন। এক সময় এই বাংলাদেশে প্রতি বছর বন্যা হতো, জলোচ্ছ্বাস হতো, এখনও হয়, তবে এখন বন্যা-ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের ক্ষতি মানুষ সঙ্গে সঙ্গে পুষিয়ে নিতে পারে। প্রাকৃতিক যে কোন দুর্যোগ হলেই শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের মেশিনারীকে দুর্যোগ মোকাবেলায় নিয়োগ করেন। দেখা গেছে বন্যার পর কৃষিতে বাম্পার ফলন হয়। আগে যেমন উত্তরবঙ্গে দুর্ভিক্ষাতঙ্কের নাম ছিল ‘মঙ্গা’। বিশেষ করে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলে। আজ মঙ্গা শব্দটিও নেই। উত্তরবঙ্গের মানুষ শব্দটি ভুলে গেছে। একটি উদাহরণ দিতে চাই- শেখ হাসিনার প্রথম সরকারের সময় (১৯৯৬-২০০১) ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যা হয়। দেশের ৭০ শতাংশ জমিন একনাগাড়ে ৯০ দিন পানির নিচে ছিল। ফসলাদি সব পচে গিয়েছিল। আন্তর্জাতিক সংস্থা শঙ্কা প্রকাশ করেছিল অন্তত দুই কোটি মানুষ না খেয়ে মারা যাবে। কিন্তু দেখা গেল শেখ হাসিনা ত্রাণ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং এমন দক্ষ ব্যবস্থাপনা করলেন যে, একজন মানুষও অনাহারে বা না খেয়ে মারা যায়নি। বিশ্ব সংস্থার মোড়লরা সেদিন অবাক হয়েছিলেন এবং বন্যাপরবর্তী ফসলাদিরও বাম্পার ফলন হয়েছিল। বস্তুত রাষ্ট্র পরিচালক যখন সৎ, দক্ষ, শিক্ষিত এবং দেশপ্রেমিক ও জনবান্ধব হয় তখন দেশ এগিয়ে যায়। যেমন বাংলাদেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে উঠে এসেছে। এ জন্যই শেখ হাসিনা ‘দেশরতœ’ ‘জননেত্রী’, ম্যাডাম নন। যে আমেরিকার কিসিঞ্জার বাবু এক সময় বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’(!) বলে এ দেশকে অপমান করেছিলেন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করায় সেই কিসিঞ্জারই জাতিসংঘের হয়ে শেখ হাসিনার হাতে সেরেস পুরস্কার তুলে দিয়েছিলেন। অপমানের এর চেয়ে ভাল এবং কড়া জবাব আর কি হতে পারে। আমেরিকার বিশ্বখ্যাত জরিপ সংস্থা ‘আইআরআই’ সম্প্রতি তাদের বাংলাদেশ সম্পর্কিত জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেছে। জরিপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্ব এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তাঁর ধারে-কাছেও রেটিং-এ কেউ নেই। সম্প্রতি দুটি টক শো’তে দেখলাম বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির দু’জন তরুণ বয়সী নেত্রী বলছিলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে নাকি অনেক উন্নয়ন করেছেন। কিন্তু কি কি উন্নয়ন করেছেন তার একটি উদাহরণও দিতে পারেননি। বরং বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা হাইজ্যাকের ব্যর্থ প্রচেষ্টার মতো একজন দাবি করলেন তার ম্যাডাম নাকি মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা প্রদান করেছেন। হাসি পেল। স্বাধীনতা ঘোষণার মতো শেখ হাসিনার মুক্তিযোদ্ধা ভাতা প্রদানের কৃতিত্বও হাইজ্যাক করার ব্যর্থ চেষ্টা করলেন। মূলত এটাই বিএনপির চরিত্র। তাদের ম্যাডামও তোতা পাখির মতো বলতে থাকেন, দেশের যত উন্নয়ন হয়েছে সব বিএনপি করেছে। যদি প্রশ্ন করা হয় ম্যাডাম আপনার সময় তো খাদ্য উৎপাদন, বিদ্যুত উৎপাদন, জাতীয় প্রবৃদ্ধির হার, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিসহ সব খাতেই ছিল ঘাটতি। তবে কোন্ খাতে কি উন্নয়ন হয়েছে বলবেন কি? অবশ্য সাংবাদিক ভাইয়েরা সে প্রশ্ন করেন না। কারণ এখন পলিটিক্যাল লাইন দেখে নিয়োগ এবং এ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হয়।

কোন কিছু যেমন চিরস্থায়ী নয় এটি যেমন সত্যি, তেমনি কিছু কিছু মানুষ আছেন যাদের লিডারশিপ দেশের জন্য খুবই জরুরী। যেমনটি ছিলেন বঙ্গবন্ধু। আর আজ বাংলাদেশ, বাঙালী সমাজ এবং সর্বোপরি বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিল বলে আমরা আমাদের আপন জাতি রাষ্ট্র স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। ঠিক তেমনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা (বিদেশে অবস্থান করায়) বেঁচে আছেন বলেই আমরা আজকের যুগান্তকারী নেতৃত্ব পেয়েছি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার সঙ্গে সঙ্গে শেখ হাসিনা সামাজিক এবং রাজনৈতিক দুর্যোগ মোকাবেলায়ও এরই মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। যেমন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করায় ২০১৩ সালব্যাপী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোটের (জামায়াতসহ) ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ, হেফাজতের শাপলা চত্বরের সমাবেশ ও জ্বালাও-পোড়াওয়ের মাধ্যমে বঙ্গভবন দখলের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেছেন, তেমনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বানচালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মানুষের বাড়িঘর পোড়ানো, হিন্দুদের গৃহহীন করা এবং দেশত্যাগে বাধ্য করার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ মোকাবেলা এবং ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বর্ষপূর্তিতে ২০১৫-এর প্রথম ৯২ দিন রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী পেট্রোলবোমা-সন্ত্রাস চালিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যার মতো পৈশাচিক কর্মকা-েরও মোকাবেলা করে দেশে শান্তি ফিরিয়ে এনেছেন। খালেদা জিয়ার স্বেচ্ছা নির্বাসন, মির্জা ফখরুলের প্রেসক্লাবে অবস্থানের প্রচেষ্টা কোন কিছুই কাজে লাগেনি। গত কয়েকদিন ভ্যাট প্রতাহারের দাবিতে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর আন্দোলনে রাজধানী ঢাকায় যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল তাও সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে সমাধা হলো। তবে একটা ব্যাপার স্বীকার করতেই হবে, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা এমন আন্দোলন করলেন, ঢাকার রাজপথ বন্ধ করে দিলেন; কিন্তু একটি গাড়িও ভাঙচুর করলেন না, একজন পুলিশের গায়েও ঢিল মারলেন না। আমার মনে হয় বেগম জিয়াকে ওই ছাত্রছাত্রীদের কাছে শিক্ষা নেয়া উচিত কিভাবে আন্দোলন করতে হয়, আন্দোলন করে দাবি আদায় করতে হয়। দাবি আদায়ের আন্দোলনে জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর, পেট্রোলবোমা নিক্ষেপের প্রয়োজন পড়ে না। ছাত্রছাত্রীদের মতো খালেদা জিয়ার রাজপথে নামার লোকজন নেই বলেই হয়ত বোমা-পেট্রোলবোমা মারার মতো অমানবিক কাজ করতে হয়।

আজ যখন এ লেখাটা লিখছি তখন সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানীয় শিক্ষকগণ ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন। এখানেও আমি মনে করি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন প্রশমনে যেভাবে শেখ হাসিনা ভূমিকা রেখেছেন, ঠিক একইভাবে এ ক্ষেত্রেও তাঁরই হস্তক্ষেপ জরুরী। আমি দেখেছি বঙ্গবন্ধুর সন্তানরা মা-বাবার মতোই সম্মানীয় শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করেন। শেখ কামালকে আমি দেখেছি। শেখ হাসিনাকে তো দেখেছি কিভাবে সভামঞ্চ থেকে এগিয়ে প্রফেসর আনিসুজ্জামান স্যারকে মঞ্চে নিয়ে আসতে, দেখেছি সর্বজন শ্রদ্ধেয় কবি বেগম সুফিয়া কামাল, শহীদ জননী জাহানারা ইমাম, প্রফেসর নীলিমা ইব্রাহিমকে হাত ধরে মঞ্চে নিয়ে বসাতে। এই হচ্ছে শেখ হাসিনা।

কেন শিক্ষকগণ আন্দোলন করছেন? যদ্দুর জেনেছি তা হলো সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন স্কেল ঘোষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অপমানের জায়গায় ঠেলে দেয়া হয়েছে। জানতে পেরেছি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের মর্যাদা সরকারের একজন যুগ্ম-সচিবের পর্যায়ে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের কথা হলো সরকার এভাবে শিক্ষকদের অপমান করতে পারে না। এই ক্ষোভ একদিনে দানা বাঁধেনি। সচিবদের ওপরে সিনিয়র সচিব, কেবিনেট সচিব- এই দুটি পদমর্যাদা এমনিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসরদের ওপরে। তার ওপর এবার সচিবদের চেয়ে নিচে নামিয়ে অপমানের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। প্রশ্নটি বেতন স্কেলের নয়, প্রশ্নটি মর্যাদা বা অর্ডার অব প্রিসিডেন্সের। মনে হচ্ছে আমলাতন্ত্র শিক্ষক-বুদ্ধিজীবী, কবি-সাহিত্যিকদের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, বেশি মর্যাদাবান, বেশি ক্ষমতাবান। আগেও একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটে গেছে। সরকার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর গেজেটে মর্যাদা দিয়েছিলেন। শোনা যায় তা নাকি সম্প্রতি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। ব্যাপারটি প্রশ্নবোধক নয় কি? অথচ শিক্ষাখাত থেকে শুরু করে প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শিবির-আনসারুল্লাহ বাংলা টিম দলে দলে ঢুকে পড়ছে। অসৎ অশিক্ষিত নেতা বা জনপ্রতিনিধিদের কোন কোন ক্ষেত্রে তাদের বিশ্বাসের কারণে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অর্থের বিনিময়ে শিবিরকরণ-জঙ্গীকরণে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে। এখন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আমলাদের ছড়ির তলে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। এমনও আছেন যারা ইংরেজী দূরের কথা, শুদ্ধ বাংলাও লিখতে পারেন না। তারা যখন কোন সেমিনারে বা বিদেশীর সঙ্গে ইংরেজী বলেন তখন মানুষ হাসেন। তারা আমলা।

সর্বশেষ যে কথাটি বলতে চাইÑ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সাফল্যের সঙ্গে রাষ্ট্র ও নাগরিকদের নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন, শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণœœ হলে সেই অগ্রযাত্রা বাধাপ্রাপ্ত হতে বাধ্য। তাই শিক্ষকদের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ জরুরী।

ঢাকা- ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও সভাপতি, জাতীয় প্রেসক্লাব