১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সম্পাদক সমীপে

  • হস্তক্ষেপ জরুরী

আমি বিদ্যাময়ী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন অভিভাবক। বিদ্যাময়ী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্কুলার লঙ্ঘন করে ২০১২, ২০১৩ এবং ২০১৪ শিক্ষাবর্ষে দ্বিগুণ সেশন চার্জ আদায় করা হয়েছে। ২০১৫ শিক্ষাবর্ষে নিরাপত্তা/নৈশপ্রহরী/অত্যাবশ্যকীয় ব্যয় বাবদ ৩০ টাকার পরিবর্তে ৩৬০ টাকা, বিদ্যালয়ে মসজিদ না থাকা সত্ত্বেও হিন্দু মুসলমান ছাত্রী নির্বিশেষে ৫০ টাকা, বিদ্যালয়ে চিকিৎসা সেবা, কম্পিউটার কার্যক্রম, ল্যাবরেটরি, কমনরুম না থাকা সত্ত্বেও জোরপূর্বক যথাক্রমে ২০ টাকা, ২৪০ টাকা, ৪০ টাকা এবং ৩০ টাকা প্রতি ছাত্রীর কাছ থেকে আদায় করেন। পূর্ববর্তী শিক্ষাবর্ষেও এসব কার্যক্রম না থাকা সত্ত্বেও এভাবে জোরপূর্বক টাকা আদায় করেছেন। প্রতিবছর ম্যাগাজিনের জন্য টাকা নিলেও শুধু ২০১৪ সালে ছাত্রীদের ম্যাগাজিন দেয়া হয়েছে। এ বছর ৫০ টাকা করে নেয়া হলেও অদ্যাবধি পরিচয়পত্র দেয়া হয়নি। শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশ অমান্য করে এ বছর জেএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকার পরিবর্তে ১২০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আদায় করা হয়েছে। পূর্ববর্তী বছরসমূহেও এভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। মহামান্য হাইকোর্টের সুয়োমোটো রুল নং-২৫/২০১৪ লঙ্ঘন করে ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে মডেল টেস্টের নামে প্রায় ৩ লাখ টাকা আদায় করে আত্মসাত করা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক শিরীন বানু, কোনদিনই প্রভাতী শাখায় উপস্থিত থাকেননি এবং এখনও থাকেন না। প্রাক্তন সহকারী প্রধান শিক্ষক সামছুন নাহার সায়েমা, মেহেরুন্নেসা এবং সুফিয়া বেগম ও বর্তমান সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান এবং মোঃ হামিদুল হকের বক্তব্য গ্রহণ করলেই প্রমাণিত হবে। বিগত ২৬/০৭/২০১৫ খ্রি. তারিখে মাউশি কর্তৃক তদন্তকালে, যে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা মিথ্যা তথ্য দিয়েছে, প্রধান শিক্ষক শিরীন বানুর বিভিন্ন দুর্নীতি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছেন, ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাময়ী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকার কোন নৈতিক অধিকার তাদের নেই।

এমতাবস্থায়, ছাত্রীদের নিকট হতে বিভিন্ন সময়ে গৃহীত অতিরিক্ত অর্থ ফেরত প্রদান, দুর্নীতিবাজ শিক্ষকদের অন্যত্র বদলি এবং মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা বোর্ডের সার্কুলার লঙ্ঘনের জন্য স্কুল পরিচালনায় সংশ্লিষ্টদের আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শামছুন্নাহার

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

ময়মনসিংহ

সরকারীকরণের

জন্য

বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার একমাত্র ও শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ শামসুর রহমান কলেজ ১৯৮৪ সালের ১ জুলাই ইদিলপুর মহাবিদ্যালয় নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩ সালে শিল্পানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর বিশিষ্ট শিল্পপতি গোসাইরহাট হাটুরিয়া মিঞা বাড়ির কৃতী সন্তান আলহাজ শামসুর রহমান (শাহজাদা মিঞা) এই কলেজের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর এটি শামসুর রহমান কলেজ নামে পরিচিতি লাভ করে। বর্তমানে এ কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য এবং বিএম শাখা, স্নাতক (পাস) স্তরে বিএ, বিবিএস, বিএসএস, স্নাতক (সম্মান) স্তরে হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, বাংলা, অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান, স্নাতকোত্তর স্তরে হিসাববিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে ১ম ও শেষ পর্ব চালু আছে। বর্তমানে এ কলেজের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ৬০ এরও অধিক। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৩০০০-এরও অধিক। উপজেলা সদরে অবস্থিত একমাত্র এই কলেজের অবকাঠামোগত অবস্থানও চোখে পড়ার মতো। এই কলেজের একাডেমিক ফলাফলও ঈর্ষণীয়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন এবং যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়ে ঘোষণা দিয়েছেন যেসব উপজেলায় সরকারী কলেজ ও হাইস্কুল নেই সেসব উপজেলায় একটি করে কলেজ ও হাইস্কুল সরকারীকরণ করবেন। আর আপনার এ ঘোষণার প্রতি শতভাগ শ্রদ্ধা রয়েছে শরীয়তপুর-৩ আসনের মানুষের। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মোতাবেক গোসাইরহাট উপজেলার একমাত্র বিদ্যাপীঠ ঐতিহ্যবাহী শামসুর রহমান কলেজটিকে অবশ্যই জাতীয়করণ করা হবে এই আমাদের বিশ্বাস।

শামসুর রহমান কলেজের সকল ছাত্রছাত্রী,

শিক্ষক-কর্মচারী ও এলাকাবাসী

ফুট ওভারব্রিজ চাই

রাজধানীর ঢাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মতিঝিল। অনেকে বলেন, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা আর ঢাকার রাজধানী মতিঝিল। এই এলাকার জনগুরুত্বপূর্ণ স্থান দৈনিক বাংলার মোড়। যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট মহাসড়কসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য দৈনিক বাংলা জায়গাটি ব্যবহার করতে হয়। এখানে চারটি রাস্তার সংযোগস্থল। যেহেতু ঢাকা মহানগরবাসীর মূল কেন্দ্র এটি, সেহেতু এখানে প্রতিনিয়ত যেমন জনতার ভিড় থাকে, তেমনি অসংখ্য যানবাহন এই চারটি রাস্তায় চলাচল করে। কিন্তু রাস্তাগুলো পারাপারের জন্য কোন জেব্রাক্রসিং বা রোড ডিভাইডার নেই। যে যার মতো করে রাস্তা পার হচ্ছে। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তা পার হচ্ছে। এখানকার নিরাপত্তা নিশ্চিত ও যানজট নিরসন করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশও দায়িত্ব পালন করে না। যারা দায়িত্বরত থাকে তাদের পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে হয়। এই অবস্থার কারণে প্রায়ই দৈনিক বাংলা মোড়ে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। ফলে অনেক প্রাণহানি ঘটে। দুর্ঘটনায় পড়ে অনেককে পুঙ্গত্ব বরণ করতে হয়। রাজধানী ঢাকার সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ ও যানজট নিরসনে অনেক ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। অনেক ফুট ওভারব্রিজ পরিত্যক্ত অবস্থায়ও পড়ে আছে। কিন্তু দৈনিক বাংলার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফুট ওভারব্রিজ না থাকার কারণে পথচারীদের নানাবিধ সমস্যায় পড়তে হয়।

এসএম জহিরুল ইসলাম

পুরানা পল্টন লাইন, ঢাকা

শিক্ষা কী ব্যবসা?

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার করে সরকার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। গত কয়েক দিনে ছাত্রছাত্রীদের অব্যাহত আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ভ্যাট আদায় করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে প্রমাণ করেছে, শিক্ষা অধিকার, পণ্য নয়।

একটি জাতির উন্নতির প্রধান এবং প্রথম শর্ত হচ্ছে শিক্ষা। তা ছাড়াও শিক্ষা একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার। যা দেয়া রাষ্ট্রের জন্য কর্তব্য। রাষ্ট্র সবার শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে প্রচুর।

আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মানুষেরই ধারণা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ধনীর সন্তানরাই পড়েন। কিন্তু বর্তমানে তা এ পরিস্থিতিতে নেই। একসময় ধনীর সন্তানরাই পড়তেন। এখন মধ্যবিত্ত পরিবার এবং একেবারে দরিদ্র পরিবারের সন্তানরাও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। অনেক পরিবার আধবেলা খেয়ে সন্তানকে পড়ালেখা করাচ্ছেন। কারণ একটাই সময় কম লাগে এবং যথাসময়ে ডিগ্রী অর্জন করা যায়।

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যখন সেশনজট আর রাজনৈতিক কলহে জর্জরিত তখন শান্তিপ্রিয় শিক্ষার্থীদের ভরসার স্থল বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

এসএম হৃদয় রহমান

ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা কলেজ

চমৎকার আইডিয়া

বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের উৎপাদিত প্রতিটি পণ্যের গায়ে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লেখা সংবলিত পণ্য বাজারজাত করছে। তাতে ক্রেতা সাধারণ তাদের কেনা পণ্যের গুণগতমান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে কেনাকাটা করার সুযোগ পাচ্ছে। এই কেনাকাটার সময় মাঝে মধ্যে ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে বাতবিত-া হয়। কারণ পণ্যের উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ।

কোন কোন পণ্যের গেটআপে পাশাপাশি তারিখ লেখা থাকে। আবার কোনটাতে উৎপাদনের তারিখ থেকে ১৮.২৪.৩৬ মাস পর্যন্ত ব্যবহার উপযোগী এই কথাটা লেখা থাকে। অনেক ক্রেতা এটা বুঝে আবার অনেকে না বুঝে তর্ক জুড়ে দেয়।

অনেক ক্রেতা আবার উৎপাদনের দীর্ঘ মেয়াদের তারিখের দু’এক মাস অতিক্রান্ত হলেই তা কিনতে অপারগতা জানায়। চায় চলতি মাসের উৎপাদিত পণ্য। আর এসব বিষয় সবচাইতে বেশি বিব্রত করে কলেজ-ভার্সিটিতে পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা। এমতাবস্থায় বিক্রেতারা পড়েছে বিপাকে কোম্পানিগুলো হয়ে পড়েছে অসহায়। কিন্তু তাই বলে তো পণ্য বিক্রি অবিক্রীত থাকবে না। কোম্পানিগুলো এখন তাদের উৎপাদিত পণ্যের গায়ে কেবল মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লিখে পণ্য বাজারে ছাড়ছে।

মোঃ ওসমান গনি

কেরানীগঞ্জ, ঢাকা

অপমান প্রতিরোধে

বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অমানবিক অবস্থা দেখা যায়। একজন ক্রেতা যদি কাপড় ক্রয় করতে আসে বা যায় তাহলে দেখা যায় বিক্রেতা তিনশ’ টাকার কাপড়ের মূল্য চায় বারোশ’ কিংবা তারও বেশি। দাম চাওয়ার পর ক্রেতার ওপর জোর চাপ দেয় দাম বলার জন্য। ক্রেতা যদি ২০০ টাকা দাম বলে তখন বিক্রেতা ক্রেতাকে নানান ভাষায় অপমান করতে থাকে।

তখন ক্রেতা লজ্জা পায়। এক্ষেত্রে বিক্রেতারা গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলোকে বেশি অপমান করে। আমার কথা হলো বারোশ’ টাকার কাপড় যদি তিনশ’ টাকায় বিক্রি করতে পারে তাহলে বিক্রেতা কতটুকু প্রতারক। বিক্রেতা যদি বারোশ’ টাকার মাল তিনশ’ টাকা বিক্রি করতে পারে তাকে কেমন অপমান রা দরকার।

সরকারের এ ব্যাপারে নজর দেয়া দরকার। বিক্রেতা দাম যা ইচ্ছা তা চাক ক্রেতাদের যা ইচ্ছা তা বলুক তাকে অপমান করা যাবে না। এই ব্যাপারে সরকার ভোক্তা অধিকার আইনে ক্রেতাদের সম্মানার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

হুমায়ুন কবীর খান

ভালুকা, ময়মনসিংহ

কে

যাও

তুমি ভাটির গাঙে

লোকজ সংস্কৃতির দেশ বাংলাদেশ। বাংলার গ্রামীণ জীবনের পরতে পরতে মিশে আছে লোকজ সংস্কৃতির মিশেল। এটি আমাদের শিকড় সংস্কৃতি। লোকজ সংস্কৃতির একটি প্রধান ধারা হলো লোকগান। গ্রাম বাংলার মানুষের মুখে মুখে এ গান প্রচলিত। লোকজ সংস্কৃতির একটি অন্যতম অনুষঙ্গ লোকগান। লোকের মুখে মুখে যে গান গাওয়া হয় তাই আমাদের লোকগান। এসব লোকগান হচ্ছে জারি, সারি, কবি, বাউল, ভাটিয়ালি, পল্লীগীতি, গ্রাম্যগীত, গাজীর গীত, গ্রামীণ যাত্রাগান, ঢপগান, বৈঠকিগান, মারফতি, মুর্শিদি ইত্যাদি। এসব গানের মধ্যদিয়ে গ্রাম-বাংলা মুখর থাকত। ভাটির গতি নাও ভাসিয়ে নাইয়ার কণ্ঠে বেজে উঠত ‘নাইয়ারে নায়ের বাদাম তুইলা, কোন দেশে যাও চইলা’, ‘মনমাঝি তোর বৈঠা নেরে আমি আর বাইতে পারলাম না’ গ্রাম্যবধূর কণ্ঠে অনুরণিত হতো ‘কে যাও তুমি ভাটির গাঙে ও বিদেশী নাইয়া, বাজানেরে কইয়ো খবর নাইয়র নিতো আইয়া।’ গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠত বিভিন্ন গ্রামীণ যাত্রার দল। জারি গানের দল। ও ঢপ যাত্রার দল। আর এসব দলের পরিবেশনায় জমে উঠত লোকগান যেমনÑ ‘আইরে সাধের মরিচ ফুল, আয় না ধইরা হিথি তোল।’ ‘নয়া বাড়ি বাইন্দারে বাইদ্যা লাগায় সাধের কলা, সেইও কলা বেইচ্যা দিব হায়গো আমার গলার মালা, প্রাণ আমার যায়, যায়, তো।’ না পুড়িও রাধার অঙ্গ না ভাসাইও জলে মরিলে বাঁধিয়া রেখো তমালেরি ডালে।’ কিন্তু বর্তমান আকাশ সংস্কৃতির যুগে এসে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের শিকড় সংস্কৃতি লোকগান। গ্রামে গ্রামে পৌঁছে যাচ্ছে বিদ্যুত ঘরে ঘরে টিভি সেট। মোবাইল ইন্টারনেটের যুগে দিন দিন মানুষ ঝুঁকে পড়ছে আধুনিকতায়। কে মনে রাখে আদি সংস্কৃতিকে। তাই তো গ্রামে গ্রামে এখন আর লোকগানের আসর জমে উঠে না। টিভির পর্দার সামনে শত মানুষ। আগামী প্রজন্ম ভুলতে বসেছে আমাদের আবহমানকালের লোকগাথা, লোকগান। বাঙালীর আদি সংস্কৃতি লোকগানকে টিকিয়ে রাখা আজকে সময়ের দাবি।

শ্যামল চৌধুরী

মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা

রাস্তাটির সংস্কার

প্রয়োজন

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৪ নং চুড়াইন ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বাজার থেকে শুরু করে পশ্চিম দিকে আনাবিল খালপাড় ঘেঁষে চৈরাহাঁটি পর্যন্ত যে রাস্তাটি রয়েছে, এই রাস্তাটি দীর্ঘ নয় বছর যাবত সংস্কারবিহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে অথচ এই রাস্তাটি এই এলাকার আদি এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি ছোট রাস্তা।

বর্তমানে রাস্তাটির বেশির ভাগ অংশই নষ্ট গর্ভে, রাস্তাটি আগে প্রতিবছরই সংস্কার করা হতো কারণ রাস্তাটি অনেকগুলো গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। বর্তমানে এই রাস্তাটির ব্যাপারে সবার মুখে একটিই প্রশ্ন, কর্তৃপক্ষ এই রাস্তাটি কেন সংস্কার করছে না?

দিপু প্রামাণিক

ঢাকা।