২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিদেশী দলগুলোর খেলা চূড়ান্ত

  • শেখ কামাল ক্লাব কাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ অবশেষে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ চ্যাম্পিয়নশিপ। দায়িত্ব নেয়ার শুরু থেকেই বাফুফে সভাপতি এ রকম টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত সেটা আলোর মুখ দেখেনি। তবে এবার চট্টগ্রাম আবাহনীর হাত ধরে সেই আশা পূরণ হতে চলেছে।

আগামী মাসেই মাঠে গড়াচ্ছে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ। বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের চার দল ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশের চার দল প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ আসরে অংশ নিতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার অংশগ্রহণকারী বিদেশী দলগুলো চূড়ান্ত করেছে আয়োজক চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেড। স্বাগতিক চট্টগ্রাম আবাহনী ছাড়াও পেশাদার লীগ চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল ধানম-ি ক্লাব, ঢাকা আবাহনী ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড অংশ নেবে। আর বিদেশী দলগুলোর মধ্যে ভারতের ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান ক্লাব, নেপালের পুলিশ দল ও শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন দল নিজেদের অংশগ্রহণের বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে। আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে পর্দা উঠছে প্রথমবারের মতো আয়োজিত শেখ কামাল ক্লাব কাপ চ্যাম্পিয়নশিপের। আর ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ।

অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে অংশগ্রহণ ফি প্রদান করা না হলেও যাতায়াত ও আবাসন খরচ বহন করবে আয়োজক ক্লাবটি। এ ছাড়া চ্যাম্পিয়ন দলকে ২৫ হাজার ডলার ও রানার্সআপ দলকে দশ হাজার ডলার দেয়া হবে। এ বিষয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানান, ‘বিদেশী দলগুলোর মধ্যে ভারত সবার আগে চিঠি দিয়ে নিজেদের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল। আর বৃহস্পতিবার নেপাল ও শ্রীলঙ্কা নিশ্চিত করে। দেশী দলগুলোর মধ্যে শেখ রাসেলের অংশগ্রহণের বিষয়টা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।’ আয়োজকরা বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের আগেই সাক্ষাত করে টুর্নামেন্টের নানা দিক তুলে ধরবেন বলেও জানান সোহাগ। শেখ রাসেলের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা যদি অংশ নেয়, সেক্ষেত্রে ৯ দলকে নিয়েই আমরা প্রতিযোগিতার আয়োজন করব। দুই গ্রুপে ভাগ করা হবে দলগুলোকে। চ্যাম্পিয়ন, রানার্সআপ পুরস্কার ছাড়াও ফেয়ার প্লে ট্রফি, সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার রাখছি। আশা করি এ টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের ফুটবল আবারও প্রাণ ফিরে পাবে।’