১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাইসাইকেলে ৮ দেশে ভ্রমণ শেষ ফেরদৌস-ফাতেমা দম্পতির

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে বিশ্বের ৮ দেশে দু’পর্বে বাইসাইকেলে ভ্রমণ শেষ হয়েছে ফেরদৌস-ফাতেমা দম্পতির। ‘ভ্রমণপিপাসু হৃদয় থেকে কাজটি শুরু করলেও ২০০৫ সালের পর মানুষের জন্য কিছু করার তাগিদ অনুভব করি। বিভিন্ন এলাকায় জাতীয় ইস্যু নিয়ে কাজ শেষে বৈশ্বিক সমস্যা নিয়েও কাজ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করি। অল্প অর্থে সে কাজটি কিভাবে করা যায় সে চিন্তা থেকে বাইসাইকেলে চড়ে বিশ্ব ভ্রমণের লক্ষ্য নির্ধারণ করি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় ৮ দেশের মানুষের সঙ্গে নানা স্থানে নানাভাবে কথা বলেছি, সাড়াও পেয়েছি অভূতপূর্ব।’ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে পাথফাইন্ডার এ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের উদ্যোগে মোটরসাইকেলে বিশ্বভ্রমণে প্রথম বাংলাদেশী দম্পতির অভিযান উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযাত্রী শাহেদ ফেরদৌস ও ফাতেমা সুলতানা তাদের অনুভূতি প্রকাশের সময় এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যান্টার্কটিকা ও সুমেরু অভিযাত্রী এবং বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক গাজী মতিউল হক পেয়ারু, লায়ন ড. এম এ হালিম পাটোয়ারী, মাউন্ট এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিত।

অভিযাত্রী শাহেদ ফেরদৌস বলেন, ছাত্রজীবন শেষে ১৯৯৮ সালে দেশ ও বিশ্বের জন্য কিছু করার তাগিদ অনুভব করি। মানুষের সেবায় সবচেয়ে কম খরচে কিভাবে কি করা যায় সে চিন্তায় বাইসাইকেলে ভ্রমণ করে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির কথাটি মাথায় আসে।

অভিযাত্রী ফাতেমা সুলতানা বলেন, ভ্রমণপিপাসু হৃদয় থেকে আমাদের অভিযান শুরু হলেও তার ফলাফল যাতে ব্যক্তি গ-িতে আবদ্ধ না থাকে সে লক্ষ্যে জাতীয় ইস্যু নিয়ে কাজ শেষে বৈশ্বিক ইস্যু নিয়েও কাজ শুরু করি।

ইনাম আল হক বলেন, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে। ফেরদৌস-ফাতেমা দম্পতি এ নিয়ে কাজ করছেন। কাজটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ববাসীকে সচেতনতা সৃষ্টিতে অবদান রাখায় ফেরদৌস-ফাতেমা দম্পতিকে অভিনন্দন জানান তিনি।