২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজশাহীতে ৫০ হাজার তালগাছ রোপণ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের পাশাপাশি রাজশাহী অঞ্চলে তালগাছ রোপণ শুরু করেছে কৃষি বিভাগ। প্রতি উপজেলায় অন্তত ৫০ হাজার করে তালগাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলার বাঘা উপজেলাজুড়ে চলতি মৌসুমে ৫০ হাজার তালগাছ রোপণের লক্ষ্য নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে তালগাছ রোপণ শুরু করছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে রাজশাহী এলাকার আবহাওয়া দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে। বিশেষ করে খরা মৌসুমে এই এলাকায় তীব্র পানির সঙ্কট দেখা দেয়। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে একদিকে যেমন খাবার পানির সঙ্কট দেখা দেয় অন্যদিকে সেচের পানিরও সঙ্কট দেখা যায়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ কর্মসূচী নেয়া হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে পানির স্তর ধরে রাখতে এলাকাজুড়ে ব্যাপক হারে তালগাছ রোপণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। কারণ তালগাছ রোপণের মাধ্যমে পানির স্তর সঠিকভাবে ধরে রাখা সম্ভব। তালগাছের শেকড় মাটির গভীর পর্যন্ত যায়। যে কারণে তালগাছ রোপণ করলে পানির স্তর সঠিক থাকে। এ অবস্থায় রাজশাহীর প্রতিটি উপজেলায় প্রায় ৫০ হাজার করে তালগাছ রোপণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা তাদের নিজ নিজ এলাকায় জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নিজেরাই শুরু করেছেন তালগাছ রোপণ। সরেজমিন বাঘার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলা কৃষি বিভাগের ২০ জন উপ-সহকারী কর্মকর্তা নিজ নিজ ব্লকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক লোকজন নিয়ে রাস্তার দুই পাশ দিয়ে তালগাছ রোপণ করছেন।

শিবগঞ্জে ৪০ বছর বাক্সবন্দী কোটি টাকার মেশিন

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ বাক্সবন্দীই রয়েছে মেডিক্যাল কাজে ব্যবহৃত মেশিনটি। প্রায় ৪০ বছর ধরে বাক্সটি পড়ে রয়েছে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অফিসমুখী বারান্দায়। কোন সালের কত তারিখে স্বাস্থ্য অধিদফতর মেশিনটি পাঠিয়েছিল তা আর এখন অফিসের রেকর্ডে নেই। বিদেশ থেকে আনা প্রায় কোটি টাকার এই মেডিক্যাল মেশিনটি সাধারণত ব্যবহার হয়ে থাকে সার্জিক্যালে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার কাজে। কিন্তু এটি উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কেন পাঠানো হয়েছিল তার কোন সদুত্তর কেউ দিতে পারেনি। আকারে বড় হওয়ায় শিবগঞ্জ হাসপাতালটি অনেকবার তাদের সার্জিক্যাল ইউনিটে নেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে দরজার অপ্রশ্বস্ততার কারণে। বিধায় বারান্দায়ই বাক্সবন্দী হয়ে পড়ে রয়েছে। অযত্ম, অবহেলা ও দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করায় তা এখন নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনাই বেশি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, উপজেলা পর্যায়ে সার্জিক্যাল কর্মকা- খুবই কম ও সীমিত। সার্জিক্যালে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করতে এই ইউনিটে ছোট আকারের জীবাণুমুক্তকরণ মেশিন রয়েছে। তাই বছরে কয়েকবার করে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে অযতেœ অবহেলায় পড়ে থাকা বাক্সবন্দী মেশিনটি সরিয়ে নিয়ে যাবার লিখিত অনুরোধ করেও সাড়া মিলেনি।