২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বরিশালে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা বাতিল দাবিতে বিক্ষোভ

  • প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজের এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন পরীক্ষার্থীরা। শনিবার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সাথে পরীক্ষা নেয়া প্রশ্ন হুবহু মিলে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার্থীদের পক্ষে রহিত খান নামের এক শিক্ষার্থী লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০১৫-১৬ সেশনে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন করেছিল ৮৫ হাজার ছাত্র-ছাত্রী। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পর বিভিন্ন মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার বিষয়টি তারা জানতে পারেন। ইতোমধ্যে প্রশ্নসহ র‌্যাবের হাতে আটক হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের সহকারী পরিচালকসহ কয়েকজন কর্মচারী। পরীক্ষার আগের দিন রাতে ফেসবুকসহ হোয়াট্স আপ, ভাইবারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রশ্নপত্রের কপি দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। অথচ মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কপি কেন্দ্রের বাইরে নিয়ে আসা যায়না, এটিকে কেন্দ্রেই রেখে আসতে হয়। এমন বাধ্যবাধকতার মধ্যে প্রশ্নপত্র কিভাবে বাইরে প্রকাশ পায় এটা তারা জানতে চায়। এ জন্য ঘটনার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের দাবি করেন মেধাবী শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলন শেষে নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সমানে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

ফরিদপুরে

নিজস্ব সংবাদদাতা ফরিদপুর থেকে জানান, প্রশ্নের মূল্যে নয় মেধার মূল্যে ভর্তি হতে চাই- দাবিতে এবং ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠেয় মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে ফরিদপুরে।

শনিবার বিকেলে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে মুজিব সড়কে এ কর্মসূচী পালন করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা। ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ কেন্দ্রে হতে এবার ১৫৪৩ পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। মানববন্ধনে অংশ নেয়া পরীক্ষার্থীরা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র দেখিয়ে বলেন, পরীক্ষার আগের রাতেই ফেসবুক, হোয়াটসআপসহ ইন্টারনেটের বিভিন্ন মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হয়।