২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নীলফামারীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ১০

  • নয়া কমিটি গঠনের জের

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীদের দুটি গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে কিশোরীগঞ্জ উপজেলা শহরে সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবার বিকেলে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী দুই দফা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে মধ্যে ১০ জন আহত হন। এ সময় পুলিশ উপজেলা ছাত্রলীগের চার কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো ফিরোজ রশিদ, আখতারুজ্জামান জীবন, হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম ও কবির হোসেন। আহতদের মধ্যে ছাত্রলীগের সোহেল রানা ও আব্দুল হালিমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা কমিটি গঠনে সভাপতি প্রার্থী ছিলেন পতিরাম চন্দ্র রায় ও রশিদুল ইসলাম বাবু। সম্মেলনে ২৩৮ কাউন্সিলর ভোট প্রদান করে। কিন্তু স্বেচ্ছাসেবক লীগের জেলা নেতৃবৃন্দ ফল ঘোষণা স্থগিত রাখেন। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় পতিরামকে সভাপতি ও গোলাম রব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা দেয়। এ নিয়ে পরাজিত সভাপতি প্রার্থী রশিদুল ইসলাম বাবুর পক্ষের সমর্থকরা ফল কারচুপি করা হয়েছে অভিযোগ তুলে শনিবার বিকেল বিক্ষোভ করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সোহেল রানা, কবির হোসেন ও আখতারুজ্জামান জীবন ওই বিক্ষোভে অংশ নেয়। এর পর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নির্বাচিত সভাপতি পতিরামের পক্ষে ছাত্রলীগের জেলা কমিটির সদস্য আব্দুল হালিম ও উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী ফিরোজসহ কিছু কর্মী ছাত্রলীগের কর্মীদের ওপর চড়াও হলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় উভয়পক্ষের দুই জন আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ উভয়পক্ষের ছাত্রলীগের চার কর্মী আটক করে। এ নিয়ে উপজেলা শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে স্বেচ্ছাসেবক লীগের পরাজিত সভাপতি প্রার্থী রশিদুল ইসলাম বাবু বলেন, ভোটারদের মতামত প্রাধান্য না দিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে কাউন্সিলের ৪ দিন পর সভাপতি ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আসলে এটি তাদের পকেট কমিটি। নবনির্বাটিত উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পতিরাম রায় এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের বলেন, জেলা কমিটির ঘোষিত কমিটি প্রতিপক্ষ মেনে না নিয়ে তারা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পুলিশ জানায়, দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং চারজনকে আটক করা হয়েছে।

হয়রানি ॥ ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিরুদ্ধে রাজশাহীতে বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে ‘হয়রানির’ অভিযোগে দোকানপাট বন্ধ করে বিক্ষোভ করেছে ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভের মুখে ভ্রাম্যমাণ আদালত বন্ধ করে বাজার ত্যাগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার বেলা ১১টার দিকে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে তাহেরপুর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ১২ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করেন। একের পর এক জরিমানা করায় অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো মহূর্তের মধ্যে বন্ধ করে দিয়ে ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ শুরু করে। তারা বাজারের পেঁয়াজহাটা থেকে মিছিল বের করে হরিতলা মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি ঘেরাও করে। এসময় রাস্তার উপর গাড়ি রাখার জন্য ব্যবসায়ীরা উল্টো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দাবি করে।