২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকার প্রাচীন স্থাপত্য ও নদ-নদী পরিদর্শন কর্মসূচী উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানী ঢাকার চারপাশে প্রাচীন স্থাপত্য ও নদ-নদী পরিদর্শন কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হলো শনিবার সকালে। এ পরিদর্শন কর্মসূচীর আয়োজন করে ঢাকার স্থাপত্যবিষয়ক গ্রন্থ প্রণয়ন কমিটি। সদরঘাটের বাদামতলীর বিআইডব্লিউটিসির (অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন) ঘাটে দিনব্যাপী এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন কমিটির চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও স্থাপত্য কমিটির চেয়ারম্যান ড. আবু সাইদ এম আহমেদ, অনুবাদক ও গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ নুরুদ্দিন ফতেহপুরী প্রমুখ। কর্মসূচী উদ্বোধনের সময় উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, নদী দখল করে ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করা অগ্রহণযোগ্য। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নদীর তীর দখল করে স্বার্থান্বেষীরা ভবন নির্মাণ করেছে, এটা আইনত অপরাধ। আমরা নদী বা তার আশপাশে যে সকল প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শন রয়েছে, সেগুলোকে পরিদর্শন করতে চাই। সরেজমিনে এ নিদর্শন দেখার জন্য আজকের এ আয়োজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের মিলিত প্রচেষ্টায় এ কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে। স্থাপত্য নিদর্শন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং ঢাকার চারপাশে যে নদী আছে তা প্রত্যক্ষ করার জন্যই আমাদের নৌপথ যাত্রা। অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন- কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ও ফটোসাংবাদিক জয়িতা রায় এবং সাংবাদিক মুরশেদ আলী খান। অর্ধশতাধিক গবেষক, স্থপতি, শিল্পী, সংস্কৃতি ও পরিবেশকর্মী, সাংবাদিক ও আলোকচিত্রী এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বাদামতলী থেকে ওয়াটার বাসে করে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদী এলাকা পরিদর্শন করেন। যাত্রা পথে ঢাকার প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপত্য পাগলাপুল ও মন্দির, ইদ্রাকপুর দুর্গ, হাজীগঞ্জ দুর্গ, মরিয়ম মাজার ও মসজিদ, সোনাকান্দা দুর্গ ও কদম রসুল দরগাহসহ নদী তীরবর্তী বিভিন্ন প্রাচীন স্থাপত্য সরেজমিন পরিদর্শন করেন অংশগ্রহণকারীরা। ঢাকার চারপাশ ঘুরে কর্মসূচী পুনরায় বাদামতলী ঘাটে এসে শেষ হয়।

উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকার প্রাচীন স্থাপত্য নিয়ে গ্রন্থ ও প্রতিবেদন তৈরি এবং প্রকাশের কাজ করছে স্থাপত্যবিষয়ক গ্রন্থ প্রণয়ন কমিটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছেÑ প্রাচীন স্থাপত্য গ্রন্থনার কাজটি।