১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চিটাগাং সিমেন্ট মামলার শুনানি ৪ অক্টোবর

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চিটাগাং সিমেন্ট ক্লিংকার গ্রাইন্ডিং কোম্পানি লিমিটেডের (বর্তমানে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট) শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৪ অক্টোবর রবিবার। পুঁজিবাজার সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালে রবিবার মামলার আরেক সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে পরবর্তী শুনানির এ তারিখ রাখা হয়েছে।

মামলার সাক্ষী বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন আহমেদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও তাকে জেরা করা হয়। তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ মোহসেন রশিদ ও খন্দকার মাহবুব হোসেন।

বিএসইসির সাবেক এ চেয়ারম্যানের সাক্ষ্যগ্রহণ হয় সকাল সাড়ে ১০টা থেকে একটানা বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। এরপর ৫ মিনিটের বিরতি শেষে শুরু হয় আসামিপক্ষের জেরা; যা চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। তবে দাঁড়িয়ে থাকতে বেশিক্ষণ না পারায় তাকে অসুস্থ বোধ করেন। এ সময় বাদীপক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট মাসুদ রানা খান বিষয়টি আদালতকে অবহিত করেন। বিচারক হুমায়ন কবির তখন সাক্ষীকে চেয়ারে বসে কথা বলার অনুমতি দেন। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর জহুরুল হককে জেরা করার সময়ে এমন অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটে।

মামলায় অভিযুক্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম সিমেন্টের সাবেক পরিচালক এ. এস. শহুদুল হক বুলবুল আদালতে উপস্থিত হননি। তার আইনজীবী আদালতে সময় আবেদন করলে বিচারক রেগে বলেন, আদালতকে না জানিয়ে দেশের বাইরে যাওয়া চরম অবমাননা। এটা তিনি কোনভাবেই করতে পারেন না। কোন অবস্থাতে এটা গ্রহণযোগ্য নয়।

এ সময় এ.এস. শহুদুল হক বুলবুলের পক্ষে তার সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ মোহসেন রশিদ ক্ষমা প্রার্থনা করে আদালতকে বলেন, তিনি হজের জন্য শনিবার সন্ধ্যায় মক্কায় গেছেন। আদালতে হাজির হতে তার সময় প্রয়োজন। আদালত তার এই আবেদন মঞ্জুর করেন। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ডিএসইর সাবেক সভাপতি ও চিটাগাং সিমেন্ট লিমিটেডের সাবেক পরিচালক মোঃ রকিবুর রহমান ও টিকে গ্রুপের আবু তৈয়ব। আবু তৈয়ব অসুস্থ থাকায় রবিবারেও আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে ধসের পর গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে বিএসইসির পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন সাবেক নির্বাহী পরিচালক এমএ রশিদ খান। মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের জুলাই মাস থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে চিটাগাং সিমেন্টের ১০০ টাকার ফেস ভ্যালুর মোট ১২ লাখ ৯০ হাজার শেয়ার ছিল। প্রতিটি শেয়ারের বুক ভ্যালু ছিল ১৩৪ টাকা। আসামি দুজন ওই সময়ে অবৈধ ও প্রতারণামূলকভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়েছেন।