২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বরিশালের জয়ে বাধা বৃষ্টি

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ জাতীয় ক্রিকেট লীগের ১৭তম আসরের প্রথম রাউন্ডের খেলায় তৃতীয় দিনেই একটি ম্যাচের রেজাল্ট আসা করা হয়েছিল। সেটি দ্বিতীয় স্তরের রাজশাহী বনাম বরিশাল ম্যাচের। এবং ম্যাচটিতে বরিশাল জিততেও পারত। রাজশাহীর সামনে জিততে ৩৪৫ রানের বোঝা আছে, সেখানে বরিশাল ১০ উইকেট নিয়ে নিতে পারলেই হতো। কিন্তু এ দুই দলের ম্যাচের তৃতীয় দিন কেন, প্রথম রাউন্ডে প্রথম স্তরের দুটি ও দ্বিতীয় স্তরের দুটি ম্যাচের তৃতীয় দিনে বৃষ্টির বাগড়ায় খেলাই হলো না। তাই যে অবস্থায় দ্বিতীয় দিন শেষ হয়েছে। তৃতীয় দিন পরিত্যক্ত হওয়ায় সেই অবস্থাতেই আছে খেলা। আজ চতুর্থদিনের খেলা হলেই এখন হয়। খেলা পুরোদিন হলে বরিশালের জয়ের সম্ভাবনা এখনও আছে।

প্রথম স্তর

বগুড়ায় ঢাকা মেট্রো ও রংপুর ম্যাচে প্রথমদিনেই ঢাকা বিপাকে পড়ে ছিল। প্রথম ইনিংসে ২৩৮ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল। রংপুর ১২ রান করেও ফেলেছিল। দ্বিতীয় দিন ৬০ রানে রংপুরের ৩ উইকেট পড়লেও ধীমান ঘোষের অপরাজিত ৮৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৬৬ রান করে। প্রথম ইনিংসে ২৮ রানে এগিয়ে রয়েছে রংপুর। তৃতীয় দিন বৃষ্টিতে খেলা হয়নি। আজ চতুর্থদিনে ধীমানের সঙ্গে ৪৮ রানে ব্যাট হাতে থাকা আরিফুল হক দলের স্কোর আরও মজবুত করতে নামবেন।

খুলনায় ঢাকা ও খুলনা বিভাগের ম্যাচে প্রথমদিনে ঢাকা ৮ উইকেটে ১৭৪ রান করে। দ্বিতীয দিনে এরসঙ্গে আরও ১৩ রান যোগ করতেই অলআউট হয়ে যায়। মুস্তাফিজুর রহমান ও আব্দুর রাজ্জাক ৪টি করে উইকেট নেন। ব্যাট হাতে ঢাকার সাইফ হাসান সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন। খুলনা অবশ্য ৪ উইকেটেই ১৬৮ রান তুলে ফেলে। ঢাকা থেকে ১৯ রান পিছিয়ে থাকলেও খুলনাই ভাল অবস্থানে আছে। তৃতীয় দিনে খেলা হয়নি। আজ চতুর্থদিনে ২৫ রান করা নুরুল হাসান ও ২১ রান করা মোঃ মিঠুন ব্যাট হাতে নামবেন।

দ্বিতীয় স্তর

রাজশাহীতে বরিশালের কাছে বিপাকে পড়ে গেছে রাজশাহী। রাজশাহীর জিততে ৩৪৫ রান দরকার। বরিশালের লাগবে ১০ উইকেট। এমন অবস্থা হয়েছে, ম্যাচে বোঝাই যাচ্ছে জিততে পারে বরিশালই। রাজশাহী প্রথম ইনিংসে ফলোঅনেই পড়ে গেছে। প্রথম ইনিংসে মোসাদ্দেক হোসেনের ১২২ রানে বরিশাল ৩০২ রান করে। তৌহিদুল ইসলামের (৬/৩১) বোলিং তোপে প্রথম ইনিংসে রাজশাহী ৯৩ রানেই অলআউট হয়ে যায়। প্রথম ইনিংসেই ২০৯ রানের বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। ফলোঅনে পড়ে রাজশাহী। কিন্তু বরিশাল আবারও ব্যাট করতে নেমে সানজামুল ইসলাম (৪/৪৯), ফরহাদ হোসেন (৩/২০) ও ফরহাদ রেজার (৩/৩১) দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৬০ রানেই অলআউট হয়ে যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে বিপাকে পড়ে বরিশালও। কিন্তু প্রথম ইনিংসে বিশাল রান করায় বড় টার্গেটই রাজশাহীর সামনে দাঁড় করাতে পারে। রাজশাহীর সামনে জিততে ৩৭০ রানের টার্গেট দাঁড় হয়। দিন শেষে বিনা উইকেটে ২৫ রান করে রাজশাহী। তৃতীয় দিন খেলা না হওয়ায় এখন বরিশালের জয়ে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টি। ফতুল্লায় সিলেট-চট্টগ্রামের ম্যাচে বৃষ্টির বাগড়ায় এখনও এক ইনিংসই শেষ হয়নি। প্রথমদিনে সিলেট ৪ উইকেটে ২৪০ রান করেছিল। দ্বিতীয় দিনে ৮ উইকেটে ৩৫২ রান করতেই বৃষ্টিতে আর খেলা হয়নি। ৩০ ওভার মাত্র খেলা হয়। তৃতীয় দিন একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। ম্যাচটি যে ড্র হতে চলেছে তা বোঝাই যাচ্ছে।