২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিলাত দেশটা জঙ্গী ঘাঁটিরও

  • জাফর ওয়াজেদ

গত শতকের ষাটের দশকেও একটা নিন্দাসূচক শব্দ শোনা যেত, যাকে গালি হিসেবেও ধরা যায়। চালাক, চতুর, ঠগ, প্রতারকদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত শব্দটা হচ্ছে ‘ব্রিটিশ’। ইংরেজদের দু’শ’ বছরের শাসন-শোষণ, নিপীড়ন ইত্যাকার খারাপ দিকগুলোর সারমর্ম দাঁড়াত বোধহয় এই অভিধাটি। নিজ কানেও শুনেছি বলতে অন্যকে দেখিয়ে, লোকটা একটা ব্রিটিশ। আমরা অবাকই হতাম, গায়ের রং শ্যামলা বা কৃষ্ণবর্ণ লোকটা শ্বেত চামড়ার ব্রিটিশ হয় কী করে। ইংরেজ মানেই ধবধবে ফর্সা রঙের মানুষ এই ধারণাটাই বদ্ধমূল তখনও। উপমহাদেশ যখন ইংরেজ উপনিবেশ তখন ব্রিটেন থেকে চাকরির সন্ধানে জাহাজে চড়ে আসত সে দেশের বখাটে, সন্ত্রাসী, কয়েদ খাটা, বেকার ইত্যাকার যুবকরা। তাদের অনেকেই এদেশে আসার পর এ দেশবাসী তথা ‘ন্যাটিভদের’ সঙ্গে নানা ধরনের প্রতারণার আশ্রয় নিত। সেই ধারাবাহিকতায় সম্ভবত ‘ব্রিটিশ’ অভিধাটি নিন্দা বা গালিতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু বাঙালী ইংল্যান্ডকে ব্রিটেন হিসেবে অভিহিত করত না। তাদের কাছে ইংল্যান্ড মানেই বিলাত। সে সুবাদে ‘বিলাতি বেগুন’ সবজির নামকরণ হয়ে গিয়েছিল। সেই বিলাতের মানুষদের ব্রিটিশ বলে আর যাই হোক বাঙালী যে সম্মান জানাত না সেটা পরিষ্কার। সেই বিলাতে এখন বিশ্বের নানা দেশের মানুষের বসবাস। বিশেষ করে একদা ব্রিটিশ উপনিবেশের দেশগুলো। যাদের বলা হয়, কমনওয়েলথ ইউনিয়ন। প্রবাদই তো ছিল ‘ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সূর্য কখনও অস্তমিত হয় না।’ কিন্তু বিশ শতকের মাঝামাঝি হতে সূর্য অস্তমিত হতে শুরু করে। কাকতালীয় যে, ব্রিটিশরা তাদের যেসব উপনিবেশ ছেড়ে গেছে, সেসব দেশেই মার্কিনীরা তাদের আগ্রাসী নীতি বহাল করেছে। ব্রিটিশরা লুটপাট করে বহু সম্পদ যেমন নিয়ে গেছে, মার্কিনীরা এখন তেলসহ খনিজ সম্পদের দিকে শকুনের দৃষ্টি ফেলে রেখেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অস্ত্রের, গণহত্যার অবাধ ব্যবহার চলছে, তা সারা বিশ্বের শান্তি, স্বস্তিকে বিঘœ করছে। তালেবান নামক জঙ্গীদের প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে ভয়াবহ বিপর্যয়ের ক্ষেত্র তৈরি করেছে, তার ধারাবাহিকতায় আল কায়েদা, আইএসের বিস্তার। এই যে ইউরোপ জুড়ে শরণার্থীর ঢল নামছে তার জন্য তো দায়ভার যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার। উভয়ই যদি অস্ত্র সরবরাহের পথ বন্ধ করে দিত নিজেরাসহ, তবে আইএস জঙ্গীরা এত দ্রুত বিস্তার লাভ করতে পারত না। বিশ্ব বিবেক মুষড়ে পড়ছে শরণার্থীর ঢল দেখে। কিন্তু কেন এত মানুষকে শরণার্থী জীবনের দিকে ধাবিত হতে হলো। তার কোন সুরাহা যতদিন না হবে, ততদিন মানুষ ঘরছাড়া, দেশ ছাড়া হতে বাধ্য। যুদ্ধবাজদের নিবৃত্ত করা না গেলে, শান্তির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও নাজুক হতে বাধ্য। মধ্যপ্রাচ্য যে ভয়াবহতার দিকে ধাবিত হচ্ছে তা এশিয়াকে ছাপিয়ে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াতেও প্রসারিত। সিরিয়াকে কেন্দ্র করে আইএস যেভাবে শক্তি বৃদ্ধি করছে তা আরব বিশ্বের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য তাদের মিত্র নয় মধ্যপ্রাচ্যের এমন দেশগুলোতে যে অবস্থার সৃষ্টি করেছে, তার খেসারত বিশ্ববাসীকেও দিতে হচ্ছে। তাদের অপরিণামদর্শী কর্মকা- আইএস নামক জঙ্গী সংগঠন প্রতিষ্ঠা এবং বিস্তারে সহায়ক হয়েছে। এই জঙ্গীদের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রসহ রসদ কারা যোগায়, সেসব নিয়ে কেউ মুখ খোলে না। আল কায়েদা নামক দানবীয় জঙ্গী সংগঠনটি তার প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে বিরোধের জের বিশ্বকে হতবাক করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নাইন-ইলেভেনের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে যে বিপর্যয় তৈরি করেছে, তার খেসারত দিতে হচ্ছে তাকেসহ বিশ্বকেই। বিশ্বকে এগিয়ে নিতেও শান্তি বিস্তারের সব পথ আজ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা আজ আর কোন বিষয় নয়। তাই দেখা যায়, মানুষ মরছে বোমার আঘাতে, গুলিতে, বেয়নেটের ঘাতে, দেশছাড়া হতে গিয়ে নদী ও সাগরে ডুবে। এই মৃত্যুর মিছিল দিন দিন ভারি হচ্ছে। সিরিয়াতে ব্রিটেনও ড্রোন হামলা চালিয়ে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তিন ব্রিটিশ তরুণকে হত্যা করেছে, যারা আইএস জঙ্গী সংগঠনে যোগ দিয়ে প্রশিক্ষিত হয়ে উঠছিল। তারা ব্রিটেনে ফিরে এসে জঙ্গী তৎপরতা চালাতে পারে এই আশঙ্কা থেকে এই হামলা চালায়। দেখা যাচ্ছে, যে ব্রিটেন জঙ্গীবাদ নিধনে সক্রিয় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী হিসেবে, সেই ব্রিটেনেই জঙ্গীদের দফতর, ঘাঁটি, পরিকল্পনা মিশনগুলো রয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন হুমকিও দিয়েছেন যে, ইসলামিক স্টেটের আগ্রাসন মোকাবেলা করার জন্য সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার মতো স্থানে তাদের উৎসের মূলোৎপাটন করা হবে। এর অর্থ দুর্বল রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করবে এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মোকাবেলায় সেসব দেশের সরকারগুলোকে সহায়তা করাই লক্ষ্য। ভয় দেখিয়ে যে ব্রিটিশদের বশে আনা যাবে না সে কথা ক্যামেরন টেলিগ্রাফ পত্রিকায় লেখা এক নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি এ কথাও লিখেছেন, ‘ব্রিটেনকে অবশ্যই চরমপন্থী ইসলামের ব্যাপারে অসহিষ্ণু হতে হবে এবং ব্রিটিশ মূল্যবোধ তথা শান্তি, গণতন্ত্র, সহিষ্ণুতা, স্বাধীনতা রক্ষায় শক্ত হয়ে দাঁড়াতে হবে। ব্রিটেনকে অবশ্যই অসহিষ্ণুতার প্রতি আরও অসহিষ্ণু হতে হবে। তাদের প্রত্যাখ্যান করতে হবে, যাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে ইসলামী চরমপন্থীদের আখ্যান প্রশ্রয় পায় এবং তাদের আরও শ্রীবৃদ্ধির সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।’ এমন বক্তব্যের সঙ্গে কাজের সঙ্গতি এখন তেমন দৃশ্যমান নয়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জঙ্গীবাদ দমনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে আরও উদ্যোগী হতে বলেছেন। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী দৈনিক গার্ডিয়ান পত্রিকায় দেয়া সাক্ষাতকারে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের উত্থান এবং এতে ইউরোপ-আমেরিকা থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে বলেছেন, মাঠপর্যায়ে ব্রিটিশ সরকারের আরও উদ্যোগ নেয়া উচিত। পূর্ব লন্ডনে জামায়াতের বড় ধরনের প্রভাব রয়েছে। এটা সত্য যে তারা অর্থ সংগ্রহ করে তা বাংলাদেশে পাঠায়। জামায়াতে ইসলামীর মূল ঘাঁটি লন্ডনে। যেখানে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারতের জামায়াত নেতারা মিলিত হন। এই স্থানটি গড়ে তোলা হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই। একাত্তরের যুদ্ধে পরাজিত পাকিস্তান হানাদার সেনাদের সহযোগী রাজাকার, আলবদর বাহিনী ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা এবং যুদ্ধাপরাধী হিসেবে সাজাপ্রাপ্ত গোলাম আযম ১৯৭৩ সালের মে মাসে লন্ডন যান। তার আগে ওই বছরের ২২ এপ্রিল তার নাগরিকত্ব বাতিল করে বাংলাদেশ সরকার। সেখানে সে ‘পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি’র সদর দফতর প্রতিষ্ঠা করে। ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তার এই তৎপরতা ছিল। লন্ডনে গোলাম আযমের বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্র তথা পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার প্রকল্প নামে এই কলামে লেখা হয়েছে। সে প্রসঙ্গে আর যাচ্ছি না। গোলাম আযম স্থাপিত জামায়াতের লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও সক্রিয়। এরা বাংলাদেশে জঙ্গী তৎপরতায় সহায়তা করে আসছে। এদের একটা অংশ তথাকথিত জিহাদী কর্মকা-ে জড়িত। তাই ব্রিটিশ জিহাদীরা বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ উত্থানের ক্ষেত্র তৈরি করছে। ব্লগার হত্যায় ব্রিটিশ নাগরিক গ্রেফতারও হয়েছে। নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের অর্থের যোগানদাতা এই বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। ব্রিটেনে মৌলবাদী সংগঠনগুলো তরুণদের আইএসের প্রতি আকৃষ্ট করে তুলছে। জঙ্গী সংগঠনগুলোতে বাংলাদেশীদের সংখ্যা বাড়ছে। ব্রিটেনে শিক্ষিত তরুণরা আন্তর্জাতিক জিহাদে যাতে যোগ দেয়, সেজন্য তাদের নানাভাবে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। অথচ ব্রিটিশ সরকার এসবের মূলোৎপাটন করতে পারছে না। বাংলাদেশে একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যার দায়ে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত দুই আলবদর নেতা লন্ডনে বহালতবিয়তে ধর্ম ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। বহু দেন-দরবার করার পরও ব্রিটিশ সরকার খুনী ও জঙ্গীবাদের পৃষ্ঠপোষক চৌধুরী মাঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে না। তাদের ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে বসবাসের সুযোগ বহাল রেখে ব্রিটেনের পক্ষে জঙ্গীবাদ নিবারণ সম্ভব নয় যেমন, তেমনি ব্রিটিশদের আইএসে যোগদানও থামবে না।

ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশী বংশোদ্ভূতদের মধ্যে আইএস সমর্থক বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশও উদ্বিগ্ন। কারণ, এরা এবং এদের স্বজনরা প্রায়ই দেশে বেড়াতে আসে। এ সময় তারা জঙ্গীবাদের প্রচার ও প্রসারে বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। সিলেটে বেড়াতে আসা ১২ সদস্যের বাংলাদেশী বংশোদ্ভূতরা লন্ডনে ফিরে যাওয়ার পথে তুরস্ক থেকে গায়েব হয়ে যায়। শিশু, নারীসহ পুরুষদের সমন্বিত পরিবারটির মেয়েরাই এ ক্ষেত্রে অগ্রগামী ছিল বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তিন ব্রিটিশ স্কুলছাত্রী জঙ্গী সংগঠন ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দিতে সিরিয়া চলে গেছে। সিরিয়াভিত্তিক এই সংগঠনটিতে যোগ দিতে ব্রিটেনে বসবাসরত তরুণরা কেন মরিয়া। তার কোন ব্যাখ্যা ব্রিটিশ সরকার দেয় না। ব্রিটেনের এই বর্ণাঢ্য জীবন ফেলে কেন অনিশ্চিত এ গন্তব্য যা মৃত্যুফাঁদ, সেখানের প্রতি আকর্ষণ জাগছে। এর ব্যাখ্যা মেলে না। অথচ ক্যামেরন বলছেন, কোন জিনিস তিউনিশিয়া থেকে কুয়েত, বেলজিয়াম থেকে ব্রিটেন পর্যন্ত তরুণদের আইএসে যোগ দিতে প্ররোচিত করছে। ব্রিটেনকে অবশ্যই এ বিষয়টা উদ্ঘাটন করে ব্যর্থ করে দিতে হবে। কথার সঙ্গে যদি কাজের মিল থাকত, তবে ক্যামেরন ব্রিটেনে বসে বাংলাদেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র মূলোৎপাটন করতেন। বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ প্রসারে ব্রিটেন হতে বিভিন্ন চ্যানেলে বাংলাদেশে অর্থ পাচারের অনেক কাহিনীই প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু অর্থের চালান থেমে নেই। আর তা নেই বলে বাংলাদেশেও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত মেধাবীরাও এতে ঝুঁকে পড়ছে। আর্থিক প্রলোভনও তাদের আকর্ষিত করছে।

বাংলাদেশের জঙ্গীবাদের পৃষ্ঠপোষক ও জঙ্গী নেত্রী হিসেবে পরিচিত বেগম জিয়া এখন লন্ডনে তার ‘পলাতক’ (আইনের ভাষায়) পুত্রের সঙ্গে শলাপরামর্শ করছেন। ইন্টারপোল যাকে খুঁজছে সেই তারেক সুস্থ সবল দেহে গাড়ি ড্রাইভ করে মাকে নিয়ে গেছেন বিমানবন্দর থেকে। পেট্রোলবোমা মেরে শতাধিক মানুষ মারাসহ বিভিন্ন মামলার আসামি বেগম জিয়া এবং দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত পুত্র তারেক রহমান মিলে জঙ্গীবাদকে বাংলাদেশে বিস্তার ঘটানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব যে দেবেন, তা তো বেগম জিয়া গত ১৫ বছর ধরে প্রমাণ করছেন। ক্যামেরন সরকার নিশ্চয় এসব তথ্য সম্পর্কে দৃষ্টি অন্যত্র সরিয়ে রাখবেন মনে হয় না।

‘বিলাত নামে দেশটা মাটির’ বলে একটি গল্পগ্র্রন্থ রয়েছে। চট্টগ্রামের দোহাজারীতে জন্ম এবং রবীন্দ্র স্নেহধন্য ও বিলেতে বিদ্যার্জনকারী জ্যোতিমালা দেবীর, তিনি লিখেছেন, ‘বিলাতের লোকদের রক্ত লাল হয় না, নীল হয়। তবে বাংলাদেশে লাল রক্ত প্রবাহ বন্ধ করতে ব্রিটেন সহায়তা করবে, এমন দৃঢ়বিশ্বাস রয়েছে কমনওয়েলথভুক্ত দেশ হিসেবে। বিলাত নামের দেশটা জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদ এবং ষড়যন্ত্রকারীদের পরিণত হওয়া ঘাঁটি মুক্ত হবে ব্রিটিশ সরকার উদ্যোগী হলে, যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও আশা করেন।