২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ক্রেতা কম, দাম বেশি ॥ গাইবান্ধায় এখনো জমে উঠেনি পশুর হাট

ক্রেতা কম, দাম বেশি ॥ গাইবান্ধায় এখনো জমে উঠেনি পশুর হাট

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা॥ ঈদ আসন্ন হলেও গাইবান্ধায় কোরবানির পশুরহাটগুলো জমে উঠছে না। জেলার সবগুলো গবাদিপশুর হাটেই এখন ক্রেতাদের ভীড় অপেক্ষাকৃত কম। ভারতীয় গরু এখন পর্যন্ত গাইবান্ধার হাট-বাজারগুলোতে খুব কমই আমদানি হচ্ছে। তদুপরি ইউরিয়া সার খাইয়ে কৃত্রিম উপায়ে গরু মোটাতাজা করণের ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় এ বছর কোরবানির পশু ব্যবসায়িরা ওই পদ্ধতি প্রয়োগ করছে চোরাগোপ্তাভাবে। ফলে সংগত কারণেই হাটে কোরবানির পশু ব্যাপক হারেই কমেছে।

এদিকে চোরাই পথে ভারতীয় গরুর আমদানি বাড়বে এবং সাথে কোরবানির পশুর দামও কমে আসবে। এই আশা নিয়েই ক্রেতারা এখনও পশু কেনাকাটা শুরু করছে না। সে কারণে হাটগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। ক্রেতা ও আমদানি দুটোই কম হওয়ায় কোরবানির পশুর দাম সংগত কারণেই অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। গত বছর মাঝারি সাইজের গরু ১৮ থেকে ২৬ হাজার এবং বড় সাইজের ২৭ থেকে ৩২ হাজার টাকা দরে বিক্রয় হয়েছে। কিন্তু এবছর মাঝারি সাইজের গরু ২৫ থেকে ২৯ হাজার এবং বড় সাইজের গরু ২৮ থেকে ৩৭ হাজার টাকা দর হাকা হচ্ছে।

জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে জেলার নিয়মিত ২৮ হাট ছাড়াও আরও অতিরিক্ত ১৮টি অস্থায়ী হাটে গরু, মহিষ ও ছাগল কেনাবেচা চলছে। কিন্তু হাটগুলোতে পশু রোগ পরীক্ষায় স্থানীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের কোনো তৎপরতা নেই। তবে নকল টাকা সনাক্ত করার বুথের কার্যক্রম কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে।

নির্বাচিত সংবাদ