২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ডেভিস কাপের ফাইনালে বৃটেন ॥ ৭৯ বছরের আক্ষেপ মেটানোর সুযোগ মারের

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ অবশেষে ডেভিস কাপের ফাইনালে বৃটেন। বর্তমান টেনিসের সেরা তারকা এ্যান্ডি মারের দাপটে দীর্ঘ ৩৭ বছর পর ডেভিস কাপের ফাইনালে উঠার গৌরব অর্জন করল গ্রেট বৃটেন। ১৯৭৮ সালের পর এবারই প্রথমবারের মতো ডেভিস কাপের ফাইনাল খেলবে মারে এবং তার সতীর্থরা। রবিবার গ্লাসগোর এ্যামিরেটস এ্যারিনায় ওয়ার্ল্ড গ্রুপের সেমিফাইনাল ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বার্নাড টমিককে ধরাশায়ী করেন মারে। দুর্দান্ত লড়াই করে শেষ পর্যন্ত স্কটিশ তারকা মারে ৭-৫, ৬-৩ এবং ৬-২ গেমে পরাজিত করেন বানার্ড টমিককে। টুর্নামেন্টের ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ এখন শক্তিশালী বেলজিয়াম।

বেলজিয়ামেই আগামী নবেম্বরে অনুষ্টিত হবে ডেভিস কাপের ফাইনাল। ইংলিশদের চেয়ে বেলজিয়ামের শিরোপা-খরার ইতিহাসটা আরও অনেক দীর্ঘ। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে তারা মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনার। আর সেই কঠিন প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করেই ১১১ বছর পর এই প্রথম টুর্নামেন্টের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল বেলজিয়াম। যা অবিশ্বাস্যই মনে হতে পারে। যে টেনিসের শক্তিশালী দল বেলজিয়াম এক শতাব্দীরও বেশি সময় এই টুর্নামেন্টের ফাইনালেই উঠতে পারেনি। এবার তাই তাদের সামনে শিরোপা জয়ের দারুণ সুযোগ। কেননা বৃটেনের বিপক্ষে ম্যাচটি যে নিজেদের মাটিতেই অনুষ্টিত হবে। তাই স্বাগতিক হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে থাকবে বেলজিয়াম।

অন্যদিকে শিরোপা জিততে মরিয়া ইংল্যান্ড। কেননা এই দলটিতেই যে খেলছেন বিশ্ব টেনিস র‌্যাংকিংয়ের তিন নাম্বার তারকা এ্যান্ডি মারে। দুটি গ্র্যান্ডসøামজয়ী এই স্কটিশ তারকা এবারের আসরের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলছেন। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালেও তার ব্যতিক্রম ছিল না। সেমিফাইনালের শুরু থেকেই অসাধারণ পারফরমেন্স উপহার দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ দুই ঘণ্টারও বেশি সময় লড়াই করে দেশকে ফাইনালে নিয়ে যান তিনি। টানা তিন দিনের লড়াইয়ে পুরুষ এককের রাবারে বেস্ট অফ ফাইভেরল টাই জেতেন মারে। ডেভিস কাপের মতো টুর্নামেন্টের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে নিয়ে যেতে পেরে উচ্ছ্বাসিত মারে। এ বিষয়ে ২৮ বছর বয়সী এই তারকা খেলোয়াড় ম্যাচের পর বলেন, ‘দেশের জন্য জেতার মজাটা আসলে সবসময়ই আলাদা। আর এই আসরের প্রথম বল থেকে শেষ বল পর্যন্তই দর্শকদের সমর্থন ছিল, যা সত্যিই প্রশংসা করার মতোই। প্রকৃতপক্ষে আমার পুরো সপ্তাহটা ভালো যায়নি। কেননা চোটে জর্জরিত ছিলাম। কিন্তু তারপরও ইনজুরিকে ভুলেই টেনিস কোর্টে নেমেছিলাম। শেষ পর্যন্ত ফাইনালে উঠতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। শিরোপা জয়ের লড়াইয়েও পারফরমেন্সের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই আমরা।’