২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এবার হজে গেলেন ১ লাখ ৬ হাজার ২৩৮ জন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সব সংশয় কাটিয়ে বিমান শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছে জেদ্দাগামী হজ ফ্লাইট। সোমবার রাতের সর্বশেষ হজ ফ্লাইটে ২২৭ হজযাত্রী জেদ্দার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যান। এ নিয়ে বিমান চলতি হজ মৌসুমে রেকর্ড সংখ্যক হজ যাত্রী বহন করতে সক্ষম হলো। ফলে বিমান এবারও বড় ধরনের মুনাফার মুখ দেখতে যাচ্ছে।

বিমানের ভারপ্রাপ্ত এমডি ক্যাপ্টেন এম মোসাদ্দিক আহমেদ জনকণ্ঠকে জানান, এ বছর বিমান সর্বমোট ৫৫ লাখ হজ্ব যাত্রী বহন করেছে। ফিরতি ফ্লাইটেও এসব হাজীকে ফিরিয়ে আনা হবে। এ বছর মোট ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৮ জনের অর্ধেক প্রায় ৫১ হাজার হজযাত্রী বহনের কোটা পায় বিমান। বাকিগুলো পায় সৌদিয়া এয়ার লাইন্স। এর বাইরে শেষ মুহূর্তে কোটাবঞ্চিত আরও প্রায় ৪৮ শতাধিক হজযাত্রীকে ভিসা দেয়া হয়। যার মধ্যে প্রায় ৪ হাজারই হজযাত্রীকে বিমান পরিবহন করতে সক্ষম হয়। এটা নিংসন্দেহে বিমানের জন্য একটা বাড়তি পাওনা।

বিমানসূত্র জানায়, সৌদিয়ার বরাদ্দ দেয়া শ্লটের বাইরে অতিরিক্ত চার হাজার হজযাত্রী বহন করতে গিয়ে বিমানের সিডিউল ফ্লাইটের বড় ধরণের হেরফের ঘটে। সিডিউল ফ্লাইটের ওপর প্রচ- চাপ পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমান হিমশিম খাচ্ছে। ঢাকা থেকে সৌদিগামী ও আগমনী যাত্রীদের এ জন্য কয়েক ঘণ্টা বিলম্বের শিকার হতে হচ্ছে। তাদের ঢাকায় ও জেদ্দায় হোটেলে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। তবে আজ মঙ্গলবার থেকে বিমানের এ সব সিডিউল ফ্লাইটের ওপর চাপ কমে আসবে বলে জানা গেছে।

এদিকে হজ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর সর্বমোট ১ লাখ ৬ হাজার ২৩৮ হজযাত্রীকে ভিসা প্রদান করে ঢাকার সৌদি দূতাবাস। সোমবার রাতের সর্বশেষ ফ্লাইটসহ তারা সবাই ইতোমধ্যে জেদ্দা চলে গেছেন। তবে কোটাবঞ্চিত প্রায় দুই শ’ যাত্রীকে ভিসা প্রদান না করায় তারা এবার হজ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। হজ অফিস দাবি করছে, কিছু প্রয়োজনীয় শর্তাদি পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের ভিসা প্রদান করা হয়নি।

সৌদি গমনকারী হজযাত্রীদের মধ্যে সোমবার পর্যন্ত ইন্তেকাল করেছেন মোট ৪১ জন। আগামীকাল বুধবার পবিত্র হজ। হজ পালন শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে ফিরতি হজ ফ্লাইট। শেষ হবে ২৮ অক্টোবর।