২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি চলাচল ৩২ দিন পর স্বাভাবিক

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ দীর্ঘ ৩২ দিন পর শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। সোমবার দুপুর ১টায় লৌহজং টার্নিং পয়েন্ট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে নাব্য সঙ্কটে কখনও ফেরি বন্ধ, কখনও সীমিত আকারে আবার কখনও ওয়ানওয়েতে ফেরি চললেও সোমবার থেকে এই রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে। ৪টি রো রো ফেরিসহ ১৬টি ফেরি এখন চলছে। সোমবার সকালে শিমুলিয়া ঘাটে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ থাকলেও ১৬টি ফেরির সব কটি লৌহজং টার্নিং পয়েন্ট দিয়ে চলাচল করায় দুপুরের পরে এ চাপ হালকা হয়ে এসেছে। তাছাড়া ঘরমুখো যাত্রীদের নির্বিঘেœ পারাপর করতে সকল ধরনের ট্রাক পারাপার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ম্যানেজার (বাণিজ্য) গিয়াস উদ্দিন জানান, নাব্য সঙ্কট ও প্রচ- স্রোতের কারণে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে মাসাধিকাল ধরে ফেরি চলাচলে অচলবস্থার সৃষ্টি হয়। কর্তৃপক্ষ ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের কথা বিবেচনা করে গত ১১ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর নৌরুট বন্ধ রেখে দ্রুত ড্রেজিং করে চ্যানেলে নাব্য ফিরিয়ে আনতে সিদ্ধান্ত নেয়। তখন বিকল্প একটি চ্যানেল (পালেরচর-মাঝিকান্দি) দিয়ে সীমিত আকারে ফেরি সার্ভিস সচল রাখা হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপের ড্রেজিং শেষে চ্যানেলটি খুলে দিলেও পদ্মায় প্রচ- স্রোতের কারণে শিমুলিয়া থেকে কাওড়াকান্দিগামী ফেরিগুলো লৌহজং টার্নিং দিয়ে চ্যানেল পাড়ি দেয়া ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। সকালে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের প্রচুর চাপ ছিল। প্রাইভেট ও যাত্রীবাহী যানবাহনের ছিল প্রচুর চাপ। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুপুরে পদ্মার লৌহজং টার্নিং খুলে দেয়ার পর ফেরিগুলো অল্প সময়ের সংক্ষিপ্ত এ নৌপথে চলাচল করতে পারায় দ্রুতই যানবাহনের চাপ হালকা হয়ে যায়। বিকেল তিনটা ঘাটে তেমন কোন যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় ছিল না। যাত্রীদের নিরাপত্তায় ঘাটে তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী ওয়াচ টাওয়ার, সিসি ক্যামেরা ও পুলিশ কন্ট্রোল রুম। মলমপার্টি ছিনতাইকারী ধরতে সাদা পোশাকেও পুলিশ রয়েছে। তাছাড়া অত্যন্ত গরমে বা অন্য কোন কারণে কোন যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের চিকিৎসায় কাজ করছে একটি মেডিক্যাল টিম।

সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি শ্রীনগর সার্কেল) মোঃ সামসুজ্জামান জানান, ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘেœ পারাপারের জন্য শিমুলিয়া থেকে ১০ কি.মি. দূরে শ্রীনগর উপজেলার ছনবাড়ি নামাক স্থানে সকল ধরনের ট্রাক আটকিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে যাত্রীবাহী গাড়ির সংখ্যা কম থাকলে ও অতিগুরুত্বপূর্ণ পণ্যবাহী ট্রাক থাকলে সেগুলো ফাঁকে ফাঁকে পার করা হবে।