২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আট শতাধিক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা অনিশ্চিত

  • রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক কলেজ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ অনিয়ম-দুর্নীতি ও সাবেক অধ্যক্ষের অব্যাহত মামলার মুখে রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের ৮ শতাধিক শিক্ষার্থীর লেখাপড়া বন্ধের উপক্রম হয়েছে। প্রথম বর্ষেও নতুন শিক্ষার্থী ভর্তিতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, নানা জটিলতায় আটকে আছে ১ম থেকে ৪র্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফরম পূরণও। অন্যান্য কলেজে ফরম পূরণ শুরু হলেও এই কলেজে ফরমের অভাবে ফরম পূরণের কাজও বন্ধ রয়েছে। আগামী ২ অক্টোবর ফরম পূরণের শেষ দিন নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবত একই ব্যক্তি রাজশাহী হোমিও কলেজের প্রভাষক ও উপাধ্যক্ষ পদে অবৈধভাবে থাকায় বর্তমানে কলেজে ইন্টার্নিশিপ ও বহির্বিভাগের চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। মামলার জটিলতার কারণে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি বন্ধ রয়েছে ৭ মাস ধরে। এরপরও সাবেক অধ্যক্ষ ইয়াছিন আলীর সময়ে বিধিবর্হিভূতভাবে বেশ কিছু শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগ করায় কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘ জটিলতা নিরসনে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড, স্বাস্থ্য অধিদফতর ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনসহ সচেতন রাজশাহীবাসী এগিয়ে না এলে কলেজের আট শতাধিক শিক্ষার্থীর লেখাপড়া বন্ধ হয়ে পড়বে। এমনকি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড আগামী ২ অক্টোবরের তারিখের মধ্যে যে ফরম পূরণের সময় বেধে দিয়েছে তারও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এসব ব্যাপারে কলেজের বোর্ড কর্তৃক নিয়োজিত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ আনিছুর রহমান জানান, সাবেক অধ্যক্ষ ড. ইয়াছিন আলীর স্ত্রী সায়েরা বানু আদালতে রিট করায় আইনী জটিলতার কারণে ভর্তি ফরম এখনও আমাদের দেয়া হয়নি। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। ভর্তি ফরম পেলেই ভর্তির কার্যক্রম শুরু করা হবে।

রূপগঞ্জে স্কুল ভবনে ফাটল

নিজস্ব সংবাদদাতা, রূপগঞ্জ, ২১ সেপ্টেম্বর ॥ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। ফাটল আতঙ্কে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে বিদ্যালয়ে আসে না। যে কোন সময় ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঝুঁকি নিয়েই শিক্ষার্থীদের ক্লাস করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, গত ৪০ বছর আগে মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দ্বিতীয়তলা ভবন নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পর এ পর্যন্ত বিদ্যালয়ের মূল ভবনের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় বেশ কয়েকটি ফাটল দেখা দিয়েছে। মূল ভবনে বিভিন্ন স্থানে ফাটলের বিষয়টি বিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষকে জানালেও এখন পর্যন্ত কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। বর্তমানে ভবন ফাটলের আতঙ্কে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরাই বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। যারা আসে তারা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহআলম বলেন, ৪০ বছর পূর্বের নির্মাণাধীন এ ভবনে কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। যেকোন সময় ভবন ধসের আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লোকমান হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের মূল ভবন ফাটলের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। যেহেতু জেনেছি উপজেলা প্রকৌশলীকে ভবনটি পরিদর্শন করতে পাঠানো হবে। ঝুঁকিপুর্ণ হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ওই ভবনে ক্লাস করা বন্ধ করে দেয়া হবে।