২৪ জানুয়ারী ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিশুদের পুষ্টির উন্নতিতে বাংলাদেশের সাফল্য

  • স্বাস্থ্য সংবাদ

বাংলাদেশের শিশুদের অপুষ্টি নিয়ে যে দুর্ভাবনা ছিল তা অনেকটাই কেটে গেছে বলে উল্লেখ করেন জাতীয় অধ্যাপক এম আর খান। গত ১২ অক্টোবর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে, বাংলাদেশ শিশু চিকিৎসক সমিতি আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন তিনি। অধ্যাপক খান বলেন, সম্প্রতি প্রকাশিত জনমিতি জরিপ বা বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক এ্যান্ড হেলথ সার্ভে (বিডিএইচএস)-২০১৪ অনুযায়ী দেশে খর্বকায় ও কম ওজনের শিশুর হার কমেছে। গত তিনবছরে খর্বকায় শিশুর হার ৪১ শতাংশ থেকে কমে ৩৬ শতাংশ এবং কৃশকায় শিশুর হার ১৬ শতাংশ থেকে কমে ১৪ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি পরিস্থিতি প্রতিবেদন-২০১৩ অনুসারে ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দেশে খর্বাকৃতি শিশুর সংখ্যা ১০ শতাংশ কমেছে। এর ফলে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজি অর্জন করার অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ । তিনি এই সাফল্যের জন্য তৎকালীন জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান (আইপিএইচএন ) এর পরিচালক ও এনএনএস এর লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক এখলাসুর রহমানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আইপিএইচএন-এর পরিচালক থাকাকালে পুষ্টি ক্ষেত্রে অধ্যাপক এখলাস-এর সুচিন্তিত কর্মপরিকল্পনার ফলেই এই অসাধ্য সাধন সম্ভব হয়েছে । প্রশংসার জবাবে অধ্যাপক এখলাসুর রহমান বলেন, পুষ্টি ক্ষেত্রে এই যুগান্তকারী সাফল্য সম্ভব হয়েছে মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও স্বাস্থ্য সচিব মহোদয়ের দিকনির্দেশনা, সকলের তদারকি এবং পুষ্টিখাতকে স্বাস্থ্যের মূল স্রোতধারায় নিয়ে আসার ফলে। অধ্যাপক এখলাস বলেন, ইপিআইসহ অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে যেমন মূল স্রোতধারায় থেকে সাফল্য এসেছে পুষ্টির ক্ষেত্রেও তেমনটিই সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন, সকলের সম্মিলিত প্রয়াস। ঢাকা মেডিক্যালে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মেডিক্যালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ শিশু চিকিৎসক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক শহিদুল্লাহ, সাধারণ স¤পাদক অধ্যাপক এমএকে আজাদ, ঢাকা মেডিক্যাল শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবু ইউসুফ ফকিরসহ প্রমুখ।

এই মাত্রা পাওয়া