২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্লেসমেন্ট শেয়ার কারসাজির মামলায় দুই জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালে প্লেসমেন্টের নামে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দু’জনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন জুবায়েদ হাসান ও মো. কামাল হোসেন (ল্যান্স নায়েক)। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন ভবনে স্থাপিত পুঁজিবাজার বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এ সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আগামী ৫ অক্টোবর সাক্ষীদের জবানবন্দী ও জেরার পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হুমায়ুন কবীর।

এ সময় আদালতে আসামি সাত্তারুজ্জামান শামীম, তার আইনজীবী এ এস এম আমিনুল হক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্যানেল আইনজীবী মাসুদ রানা খান উপস্থিত ছিলেন। মামলার প্রকৃত আসামি হলেন- গ্রিন বাংলা কমিউনিকেশন কোম্পানিসহ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত নবীউল্লাহ নবী। ২০১৩ সালের জুন মাসে নবীউল্লাহ নবী ট্রেনের নিচে চাপা পড়ে মারা যান।

আসামীপক্ষের আইনজীবী এ এ এম আমিনুল হক সাংবাদিকদের বলেন, গত তিনটি দিন পার হওয়ার পর মঙ্গলবার সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত হয়েছেন। উপস্থিত সাক্ষীকে জেরা করা হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষীদের জেরা ও জবানবন্দী গ্রহণের জন্য আগামী ৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিএসইসির প্যানেল আইনজীবী মাসুদ রানা খান বলেন, প্লেসমেন্ট শেয়ার কারসাজির মামলায় মঙ্গলবার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী ৫ অক্টোবর বেশ কয়েকজনের সাক্ষ্যগ্র০হণ অনুষ্ঠিত হবে বলে আদালত আদেশ দিয়েছেন।

মামলার এজহারে উল্লেখ রয়েছে, ২০১০ সালে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ পায় কমিশন। কমিশনের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-৩ সরেজমিন তদন্তে নামে। র‌্যাব-৩ এর কয়েকজন সদস্য বিনিয়োগকারী সেজে প্লেসমেন্টে প্রতারণায় নবীউল্লাহ নবী ও সাত্তারুজ্জামান শাহীন নামে দু’জনকে শনাক্ত করেন। পরবর্তী সময়ে ওই বছরেই বিএসইসির উপ-পরিচালক এ এস এম মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন