২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এসডিজির বাস্তবায়ন-পরিবীক্ষণে সমন্বিত জাতীয় কমিটি গঠনের সুপারিশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণে সমন্বিত জাতীয় কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছেন গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা। মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০ : নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা’ শীর্ষক গণমাধ্যমের সঙ্গে এক সংলাপে এ সুপারিশ করা হয়। সংলাপের আয়োজন করে বেসরকারী নাগরিক সংগঠনের জোট সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান-সুপ্র।

আগামী ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশনে এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য ও ১৬৯টি টার্গেটকে অনুমোদনের লক্ষ্যে বিশ্বের সকল সদস্য রাষ্ট্রপ্রধানসহ নীতিনির্ধারক, নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী সমাজ ও বিভিন্ন অংশীজন মিলিত হচ্ছেন, যেখানে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নতুন উন্নয়ন কাঠামো এসডিজি গৃহীত হবে। এ প্রেক্ষাপটে সংলাপটির আয়োজন করা হয়। সুপ্র’র প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বিভাগের সমন্বয়কারী শরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুপ্র’র পরিচালক এলিসন সুব্রত বাড়ৈ। সংলাপে উপস্থিত ছিলেনÑ রেড অরেঞ্জের ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুজ্জামান, বাঁচতে শিখ নারীর নির্বাহী পরিচালক ফিরোজা বেগম ও আজমল হোসেন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেনÑ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও সুপ্র সচিবালয়ের কর্মকর্তারা।

সংলাপে বক্তারা বলেন, একটি সর্বজনীন, জনমুখী, স্বতন্ত্র ও পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাসহ যথাযথ কর্মসংস্থানের মাধ্যমে জনগণের ও বিশ্বের সামগ্রিক উন্নয়নে যাতে ভূমিকা রাখতে পারে সেজন্য সঠিক কর্মপরিক্লনা বাস্তবায়ন জরুরী। এজন্য তিনি অংশগ্রহণমূলক ও সমন্বিত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি গঠনের দাবি জানান। পেশাজীবী সংগঠন, নাগরিক সংগঠন, গণমাধ্যম, নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, সংসদ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই কমিটি যাতে বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে কাজ করতে পারে সেজন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, এই উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে জাতীয় ও আঞ্চলিক উন্নয়ন ও জবাবদিহিতার কৌশল সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণার জন্য দেশের জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে এবং জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করার জন্য সামগ্রিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান। জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে এই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সুনির্দিষ্ট, কার্যকরী, অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোসহ একটি সমন্বিত পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে যাতে কেউ এই প্রক্রিয়া থেকে বাদ না পড়ে। একটি স্বচ্ছ পরিকল্পনা এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণসহ নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে সহজেই পরিমাপযোগ্য, অর্থপূর্ণ ও স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব।