২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে খানাখন্দ ॥ যাত্রী ভোগান্তি

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ২৩ সেপ্টেম্বর ॥ ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গেচুরে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কে খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। চালকরা মহাসড়কে ঝুঁকি নিয়ে ধীরগতিতে যানবাহন চালাচ্ছেন। বৃষ্টি ও যানবাহনের চাকার ঘর্ষণে মহাসড়কের অধিকাংশ স্থানেই ইট-খোয়া, বিটুমিন উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ঈদে ঘরে ফেরা হাজার হাজার যানবাহন ও পশুবাহী ভারি ট্রাক নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে থেকে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। মহাসড়কের এ বেহাল অবস্থার কারণে তীব্র যানজটের কবলে পড়তে হচ্ছে উত্তরবঙ্গসহ ২৩ জেলার যাত্রীদের। আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময়ের রাস্তা এখন লাগছে ছয়-সাত ঘণ্টা। টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের বিরুদ্ধে চরম দায়িত্বহীনতা, গাফিলতি, উদাসীনতা এবং নিম্নমানের কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে প্রতিবারের মতো এবারও এ মহাসড়কের করুণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জেলা সড়ক বিভাগ কোটি কোটি টাকা খরচ দেখিয়ে অতি নিম্নমানের মেরামতকাজ করছে। তাদের এ কাজ মহাসড়কে এক সপ্তাহের বেশি টেকসই হচ্ছে না। ফলে আগের মতোই খানাখন্দের সংখ্যা বাড়ছে এবং অসমতল মহাসড়কে পরিণত হচ্ছে।

যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা জানান, মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী থেকে ক্যাডেট কলেজ, রসুলপুর, করাতিপাড়া, মহেড়া, নাটিয়াপাড়া ভাতকুড়া এলাকাগুলোতে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইল থেকে ঢাকাগামী মহানগর পরিবহনের বাসচালক আলমাছ আলী ও ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গোপালপুরগামী বাসের সুপারভাইজার মনির মিয়া বলেন, প্রতিদিন এই মহাসড়ক হয়ে উত্তরাঞ্চলের ২৩টি জেলার হাজার হাজার গাড়ি চলাচল করে। ঈদের সময় প্রায় ৩৫-৪০ হাজার যানবাহন চলাচল করে থাকে। বৃষ্টির কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহনের গতি বেশি থাকলে প্রচ- ঝাঁকুনি খেতে হয়। তাছাড়া যানবাহনের পাতি (স্প্রিং করার যন্ত্র) ভেঙ্গে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকে। এ কারণে তাঁদের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ির গতি কমিয়ে চালাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে মির্জাপুর সড়ক ও জনপথ উপ-বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফারুক হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় দ্রুত মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ইট-বালু দিয়ে সৃষ্টি হওয়া গর্ত ভরাট করে প্রাথমিক কাজ করা হচ্ছে। টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কেএম নুর-ই-আলম বলেন, বৃষ্টির জন্য সড়ক একটু খারাপ হয়েছিল।