২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঝক্কি-ঝামেলা মাথায় নিয়ে ঘরে ফেরা, দিনভর মানুষের ঢল

ঝক্কি-ঝামেলা মাথায় নিয়ে ঘরে ফেরা, দিনভর মানুষের ঢল
  • রাজধানীতে পরিবহন কম, বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কোথাও ঠাঁই নেই। বুধবার দিনভর রাস্তায় ছিল ঘরমুখো মানুষের ঢল। সড়ক-নৌ ও রেলপথে তিল ধারণেই ঠাঁই নেই। চারদিকে শুধু মানুষ আর মানুষ। জনস্রোত। প্রিয়জনের সান্নিধ্য পেতে সকলের ব্যস্ত ছুটে চলা। পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার মজাই যেন আলাদা। তাই তো এত ঝক্কি-ঝামেলা আর ভোগান্তি মাথায় নিয়েই ঘরে ফেরা। আজ বৃহস্পতিবার থেকে ঈদ-উল আযহার ছুটি শুরু। তবে বেশিরভাগ যাত্রী বুধবার অফিস করেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। আজও যাত্রীর চাপ থাকবে বেশ। পরিবহন নেতারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী পৌঁছে দিতে রাতভর বাস চালাবেন তারা।

এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল মহাসড়কে বুধবার যানজট পরিস্থিতি এতটা তীব্র ছিল না। তবে কিছু মহাসড়কে গাড়ি চলেছে ধীরগতিতে। রাজধানীর ১৩টি প্রবেশমুখ ও বেরিয়ে যাবার পথগুলো খুব একটা মসৃণ ছিল না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাড়তি গাড়ির চাপের কারণে এ অবস্থা। সড়কপথে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। বাস-লঞ্চ ও নৌপথে ছাদের ওপর ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে।

কোথাও বাড়তি ভাড়া আদায় হচ্ছে না- ও. কাদের ॥ সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অবিরাম বৃষ্টিপাতের মধ্যে মহাসড়কে যে যানজট হওয়ার কথা ততটা হয়নি। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোর ব্যবস্থাপনা আরেকটু ভাল হলে মানুষের দুর্ভোগ আরও কম তো বলেও মনে করেন তিনি।

পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে বুধবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ঈদযাত্রা ব্যবস্থাপনায় পুরোপুরি সন্তুষ্ট হওয়ার কোন কারণ নেই’ মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ‘অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে আমাদের অনেক প্রস্তুতিতেই বিঘœ ঘটিয়েছে। মহাসড়কের রাস্তাগুলো খুব ভাল না হলেও সহনীয়। তবে প্রবেশপথগুলোর ব্যবস্থাপনাটা আরেকটু ভাল হতে পারত।

সবক’টি প্রবেশপথের মধ্যে সায়েদাবাদেই রাস্তার অবস্থা খারাপ দাবি করে তিনি বলেন, সিটির রাস্তাগুলো আমার দায়িত্ব না, মেয়রের। নবনির্বাচিত মেয়রকে আমি বলেছি, কিন্তু মেয়র আর্থিক সঙ্কটের কথা বলেছেন। তারপরও আমি অন্তত বড় গর্তগুলোকে ভরাট করে কিছুটা সহনীয় করার কথা বলেছি।’

পরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়ে মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা লিখেন, মন্ত্রী দাবি করেছেন কোথাও বাড়তি ভাড়া আদায় হচ্ছে না। এখানে আমার দাবি করার কী আছে? আপনাদের সামনেই আমি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি। কেউ বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে আমার কাছে অভিযোগ করেনি। নির্দিষ্ট করে আমাকে কেউ বললে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।’

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে আরও বলেন, কোথাও ধীরগতিতে গাড়ি চলল, আপনারা স্ক্রল দিলেন। কিন্তু ১০ মিনিট পর যানচলাচল স্বাভাবিক হলেও আপনারা স্ক্রলটা আর নামান না। এখানে আপনাদের আরেকটু সতর্ক হওয়া উচিত।’ সর্বোপরি ঈদযাত্রায় মানুষের দুর্ভোগটা আরও সহনীয় করা যেত কিন্তু করা যায়নি বলে স্বীকার করেন ওবায়দুল কাদের।

ঝুঁকি নিয়ে ঘরমুখো মানুষের ঢল ॥ ঈদের ছুটির আগের দিন সড়ক-নৌ ও রেলপথে ছিল ঘরমুখো মানুষের ঢল। বৃষ্টি আর যানজট উপেক্ষা করে নাড়ির টানে বাড়ির দিকে ছুটে চলছেন সবাই। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সকাল ১০টার পর থেকে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন, বাস টার্মিনালগুলো ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। এসব পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, দুপুরের পর থেকে ঈদে ঘরমুখো মানুষের স্রোত শুরু হয়। তবে সকাল থেকে ঘরমুখো যাত্রীদের কোলাহলে মুখরিত হয়ে উঠে কমলাপুর রেলস্টেশন। এছাড়া রাজধানীর গাবতলী, শ্যামলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে ছিল ঈদ বাড়িমুখী মানুষের ভিড়। রাজধানীর একমাত্র লঞ্চ ও স্টিমার টার্মিনাল সদরঘাটেও ছিল মানুষের আনাগোনা। ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীরা গন্তব্যের দিকে যান। অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে সদরঘাট নদীবন্দর অতিক্রম করে বেশিরভাগ লঞ্চ।

কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী বলেন, আগের দিনের তুলনায় আজ ভিড় বেশি। এদিকে লঞ্চ ও বাসস্ট্যান্ডগুলোয় যাত্রীরা অভিযোগ করেছে তাদের কাছ থেকে দ্বিগুণের বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। মহাখালী আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম জানান, সকাল থেকে বিভিন্ন রুটে যাত্রী বাড়ছে। তবে বিভিন্ন মহাসড়কে গাড়ির গতি কম।

রাজধানীতে পরিবহন কমÑ বাড়তি ভাড়া আদায় ॥ রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যাত্রীদের কাছ থেকে ঈদ বকশিশসহ বিভিন্ন কায়দার বাসের ভাড়া হঠাৎ দ্বিগুণ-তিনগুণ আদায় করার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। তারা বলছেন, বুধবার দুপুরের পর থেকে শুরু হয়েছে এমন অরাজকতা। তবে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাড়তি ভাড়া নয়। ঈদ বকশিশ চাওয়া হচ্ছে। খুশিমনে অনেক যাত্রী দিচ্ছেন। অনেকেই না দিয়ে যাচ্ছেন। বাড়তি টাকা দিতে কাউকে জোর করা হচ্ছে না। এদিকে বুধবার রাজধানীতে গণপরিবহন চলাচল তুলনামূলক কম ছিল। জানা গেছে, ঈদের ভাড়া নিয়ে অনেক বাস আন্তঃজেলা রুটে চলে যাওয়ায় এ সঙ্কটের সৃষ্টি হয়েছে।

মৌচাকে লাব্বায়েক, স্বকল্প, বলাকাসহ বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, ২০ টাকার ভাড়া কোন কোন ক্ষেত্রে ৫০ টাকার বেশি চাওয়া হচ্ছে। সাভারের ভাড়া ১৫০ টাকা চাওয়ার অভিযোগ করেন অনেকেই। মতিঝিল থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা পরিবহন, দিশারি পরিবহন, ইউনাইটেড, নিউ ভিশন, শিখর, শেকড়, বিহঙ্গ, বিকল্প পরিবহনের যাত্রীরাও অস্বাভাবিক ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেন।

ঢাকা পরিবহন যাত্রীদের কাছ থেকে ৫০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা; দিশারি, সেফটি, নিউ ভিশন, শিখর, ইউনাইটেড ও বিকল্প পরিবহন ২২ টাকার ভাড়া ৫০ টাকা; আর ইটিসি ২২ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা আদায় করছে।

চিড়িয়াখানা গেট থেকে ছেড়ে আসা নিউ ভিশন বাসের সুপারভাইজার হেলাল বলেন, যাত্রীদের অভিযোগ সত্য নয়। আমরা ঈদ বকশিশ দাবি করছি। তবে যাত্রীদের তোপের মুখে বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে এক পর্যায়ে তিনি কোন কথা বলেননি। জানতে চাইলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, কোন পরিবহন যদি এভাবে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায় করে, তাহলে যাত্রীদের অনুরোধ করব নিকটস্থ ট্রাফিক পুলিশকে জানান। ঢাকা মহানগর বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম জানান, ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। নিজেদের ইচ্ছেমতো হয়ত অনেকে এই অবৈধ কাজটি করছেন।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে থেমে থেমে যানজট ॥ নিজস্ব সংবাদদাতা মানিকগঞ্জ থেকে জানান, বুধবার বিকেলে পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের চাপ বাড়ে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ এলাকায় যানবাহন আটকে যাওয়ায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়। বিকেল ৫টার দিকে ঘাটে ২ শতাধিক ছোট বড় যানবাহন পারপারের অপেক্ষায় আটকে থাকে। তবে ঘাটে আসার পর ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যেই যাত্রীবাহী যানবাহনগুলো পার হয়ে যাচ্ছে। বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান জানান, সকালে যানবাহনের চাপ না থাকলেও ৩টার পর থেকে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। দুপুর ৫টার দিকে ঘাট এলাকায় ২ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অক্ষোয় রয়েছে। পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট বড় মোট ১৮টি ফেরি পারাপারের কাজে নিয়োজিত রয়েছে। পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটে ২১টি এবং আরিচা কাজীর হাট নৌরুটে ১৩টি মোট ৩৪টি লঞ্চ যাত্রী পারাপার করছে।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সচল রাখতে পুলিশের গলদঘর্ম ॥ নিজস্ব সংবাদদাতা, মির্জাপুর থেকে জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সচল রাখতে পুলিশকে দিনরাত গলদঘর্ম হতে হচ্ছে। ঈদ-উল আযহার উৎসবে ঘরমুখো মানুষকে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পুলিশের আড়াই শতাধিক সদস্য মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। বুধবার বিকেল ৪টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তেমন যানজট লক্ষ্য করা যায়নি। তবে যানবাহনের গতি ছিল কম। মহাসড়কে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার এসআই ওমর ফারুক বলেন ঈদ-উল আযহার উৎসব পালন করতে ঘরমুখো মানুষকে নিরাপত্তা ও মহাসড়ক সচল রাখতে আড়াই শতাধিক পুলিশকে গলদঘর্ম ছোটাতে হচ্ছে। এছাড়া দুটি রেকারসহ পুলিশের বিপুলসংখ্যক সদস্য মহাসড়কে অনবরত টহল দিচ্ছেন বলে তিনি জানান। মির্জাপুর হাইওয়ে থানার ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়ক সকাল থেকে যানজটমুক্ত রয়েছে। এই সড়কটিকে সচল রাখতে আমরা রাতদিন কাজ করে যাচ্ছি। কোন প্রকার অঘটন না ঘটলে মহাসড়কে কোন যানজট হবে না বলে তিনি জানান।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট ॥ স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ থেকে জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার বালুয়াকান্দি থেকে মেঘনা সেতু পর্যন্ত ঢাকা অভিমুখে প্রায় ৫ কিমি এলাকাজুড়ে এ যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় মহাসড়কে যানবাহন খুব ধীরগতিতে থেমে থেমে চলাচল করছে। ভবেরচর হাইওয়ে সার্জেন্ট মোঃ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ রয়েছে মহাসড়কে। মহাসড়কে অতিরিক্ত গাড়ির চাপে দুপুরের পর থেকে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে।

শিমুলিয়ায় গাড়ির অপেক্ষায় ফেরি ॥ দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে যানবাহনের তেমন একটা চাপ ছিল না। শিমুলিয়ায় এখন গাড়ির অপেক্ষায় ফেরি! অন্যান্য বছর ঈদের এ সময়ে যানবাহনগুলো দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষায় থাকে ফেরির জন্য। কিন্তু এবার ঘটেছে উল্টো ঘটনা। ফেরিগুলোই বরং গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছে। বিআইডব্লিউটিসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক এসএম আশিকুজ্জামান জানান, দীর্ঘ ৩২ দিন ধরে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি সার্ভিস ছিল প্রায় অচল। এই রুটে এসে অনেকই পড়েছে ভোগান্তিতে। কিন্তু গত সোমবার এই সার্ভিস স্বাভাবিক হওয়ায় পাল্টে গেছে ঘাটের চিত্র। চারটি রো রো ফেরিসহ ১৬টি ফেরিই এখন চলছে। লৌহজং টর্নিং দিয়েই আসা যাওয়া করছে সব ফেরি। তাই দ্রুত পারাপার সম্ভব হচ্ছে। ঘাটে এখন কোন যান নেই। ফেরিগুলো ঘাটে নোঙর করে আছে গাড়ির অপেক্ষায়। যখন কোন গাড়ি আসছে সঙ্গে সঙ্গেই তা ফেরিতে উঠে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে শিমুলিয়া ঘাট বন্দর কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন জানান, যাত্রীর তেমন চাপ নেই। অন্য বছরের এ দিনের তুলনায় লঞ্চগুলো ছেড়ে যাচ্ছিল কমসংখ্যক যাত্রী নিয়ে। সিবোটে যাত্রী কম। তবে কোন অবস্থাতেই লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সিবোট ছাড়তে দেয়া হচ্ছে না। তিনি মনে করেন বৃহস্পতিবার এ নৌপথে যাত্রীর চাপ বাড়বে। জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল হাসান বাদল জানান, স্বাচ্ছন্দ্যে পারাপার এবং দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিমুলিয়ায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের বিড়ম্বনা লাঘবে সবরকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। হেল্প ডেক্স, সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ মঞ্চসহ নিরাপত্তা এবং যাত্রী সেবায় ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাব এবং স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে। অসুস্থ যাত্রীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।