২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

খালেদা জিয়া লন্ডনে গেছেন দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে ॥ মোজাম্মেল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, খালেদা জিয়া তার ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করতে যাননি, তিনি লন্ডনে গেছেন দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে। লন্ডন থেকে ফিরে দেশে আবারও জঙ্গীবাদ সৃষ্টি করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবেন। কিন্তু দেশের মানুষ আর তা হতে দেবে না।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ থেকে ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত হওয়ায় বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মোজাম্মেল হক বলেন, খালেদা জিয়ার লন্ডন যাওয়ার উদ্দেশ্য তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা নয়, সেখানে মা-ছেলে বসে বিভিন্ন কূটকৌশল করবেন, দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবেন। কিভাবে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা যায় তার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানরা। শোনা যাচ্ছে, খালেদা জিয়া আবারও ৫ জানুয়ারির মতো দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ষড়যন্ত্রের বিভিন্ন ছক আঁকছেন। বিএনপি-জামায়াত জোট ও খালেদা জিয়ার দেশ ও জনগণবিরোধী এসব ষড়যন্ত্রের বিষয়ে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৪৪ বছরেও দেশের কোন রাষ্ট্রনায়ক এত পুরস্কার লাভ করতে পারেনি। যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক ৫টি পুরস্কার লাভ করেছেন। অথচ খালেদা জিয়া রাষ্ট্র পরিচালনার সময় দুর্নীতিতে দেশকে পাঁচবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ছাড়া কোন পুরস্কার লাভ করতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী দেশের জন্য আনেন সম্মান, আর খালেদা জিয়া আনেন দুর্নাম। তাই খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর এসব অর্জনকে সহ্য করতে পারছেন না।

তিনি দেশের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। কিন্তু যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তারা আজও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। স্বাধীনতার বিরোধী শক্তির জোট ২৯ বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে কিন্তু কোন গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখতে পারেনি। কারণ তারা দেশকে ভালবাসে না।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরী, মিনহাজ উদ্দিন মিন্টু, আনোয়ার হোসেন মজনু, আবদুল হাই কানু, ফাতেমা জলিল সাথী ও দিলীপ সরকার।