২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজশাহীতে মিলছে না ফিরতি টিকেট

  • ট্রেন-বাস কোথাও টিকেট নেই

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ ট্রেন-বাসের টিকেট নিয়ে এবার কর্মস্থলমুখী মানুষের বিড়ম্বনা শুরু হয়েছে। রাজশাহীতে ফিরতি টিকেটের জন্য হাহাকার পড়ে গেছে। ঈদ ফেরত কর্মস্থলমুখী মানুষের জন্য ট্রেন-বাস কোথাও টিকেট নেই। ফলে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপনের পর কর্মস্থলে ফিরতে নতুনভাবে হয়রানি ও ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ। ঈদের অগে অনেক দুর্ভোগের মধ্যে বাড়ি এলেও এখন বিড়ম্বনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ফিরতি টিকেট। বাস অথবা রেল থেকে এক সপ্তাহের জন্য কোথাও টিকেট নেই। রবিবার সকালে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে আগাম টিকেটের জন্য আসা অনেকের ভাগ্যেই জোটেনি টিকেট।

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গত বুধবার থেকে ফিরতি টিকেট বিক্রি শুরু হয়। ওইদিন বিক্রি হয় ২৭ সেপ্টেম্বরের টিকেট। বৃহস্পতিবার বিক্রি হয় ২৮ সেপ্টেম্বরের টিকেট, শুক্রবার বিক্রি হয় ২৯ সেপ্টেম্বরের টিকেট, শনিবার ৩০ সেপ্টেম্বরের টিকেট দেয়া হয়। রবিবার দেয়ার কথা ১ অক্টোবরের ফিরতি টিকেট।

কিন্তু টিকেট বিক্রির আগেই উধাও হয়ে যাচ্ছে। নির্ধারিত দিনে টিকেটের জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও বিক্রি শুরুর কিছুক্ষণ পরই কাউন্টার থেকে বলা হচ্ছে টিকেট শেষ হয়ে গেছে। ফলে এ নিয়ে রেল যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। রেলস্টেশনে বিভিন্ন সময় দেখা দিচ্ছে উত্তেজনা।

অভিযোগ উঠেছে কাউন্টারে টিকেট ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেটে রাখছে রেলওয়ের কতিপয় অসাধু কর্মচারী। এসি, নন এসি টিকেটের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে আগেই। এর মধ্যে থেকে কিছু টিকেট কালোবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। কিছু দেয়া হচ্ছে তদ্বিরকারী টিকেট প্রত্যাশীদের হাতে। ফলে কাউন্টারে বিক্রি শুরুর পর পরই টিকেট শেষ হয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমাঞ্চল রেলের সুপারিনটেন্ডেট আমজাদ হোসেন ও এ্যাডিশনাল চীফ অপারেটিং সুপারিনটেন্ডেট শহিদুল ইসলামের যোগসাজসে এ অপকর্ম হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে শহিদুল ইসলাম কথা বলতে না চাইলেও টিকেট কালোবাজারির বিষয়টি সরাসরি নাকচ করে দেন পশ্চিমাঞ্চল রেলের সুপারিনটেন্ডেট আমজাদ হোসেন। এদিকে, ফিরতি বাসের টিকেটও সোনার হরিণ হয়ে গেছে। সহজে মিলছে না বাসের টিকেট। রাজশাহী-ঢাকা চলাচলকারী হানিফ এন্টারপ্রাইজের টিকেট মাস্টার শফিকুল ইসলাম জানান, ঈদে ঢাকা থেকে রাজশাহী নেমেই অনেকে ফিরতি টিকেট করেছেন। স্বজনদের মাধ্যমে আগাম টিকেট কেটেছেন। ফলে আগামী ২ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীমুখী প্রায় সব কোচের টিকেট ফুরিয়ে গেছে।