২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আইটিইউ পুরস্কার তরুণদের উৎসর্গ করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিডিনিউজ ॥ তথ্য প্রযুক্তিতে অগ্রগতির স্বীকৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থার (আইটিইউ) ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ গ্রহণ করে এই সম্মান দেশের তরুণদের উৎসর্গ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের কাছে আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। আমরা তথ্যপ্রযুক্তির সেবা প্রত্যেকের কাছে পৌঁছে দিয়েছি, যাতে কেউ পিছিয়ে না থাকে।’ আইটিইউর দেড় শ’ বছর পূর্তি উপলক্ষে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে শনিবার সন্ধ্যায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন সংস্থার মহাসচিব হাউলিন ঝাও।

তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় মোট আটজন এবার আইটিইউ পুরস্কার পেয়েছেন।

২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০২১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সেই লক্ষ্যের ‘অনেকটাই’ অর্জিত হয়েছে বলে সরকারের দাবি।

তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৪ সালে ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি’ (ডব্লিউএসআইএস) পুরস্কার পায় বাংলাদেশের ‘একসেস টু ইনফরমেশন’ (এটুআই) প্রকল্প।

তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজের অগ্রগতিতে অবদানের জন্য একই বছর ‘পাবলিক সেক্টর এক্সিলেন্স’ ক্যাটাগরিতে ‘গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স এ্যাওয়ার্ড’ পায় বাংলাদেশ।

শনিবার আইটিইউর গালা ডিনারে ‘আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে কাজে হাত দিয়েছি, তার এই গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি এই পুরস্কার।’

জ্ঞানভিত্তিক টেকসই ভবিষ্যত গড়ার পথের সব বাধা দূর করতে তিনি সবাইকে হাতে হাত ধরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরও ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপার্সন শিরীন শারমিন চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এ মোমেন।

জাতিসংঘের ৬৯তম সাধারণ অধিবেশনের চেয়ারম্যান স্যাম কুটেসা অনুষ্ঠানে বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে দারিদ্র্যমুক্ত করে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে ঘোষিত এসডিজি কর্মসূচী বাস্তবায়নে এই পুরস্কার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তার বিশ্বাস।

অন্যদের মধ্যে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বকোভা, গ্লোবাল সাসটেইনেবিলিটি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেরি ইয়ান, নিউইয়র্ক একাডেমি অব সায়েন্সেসের প্রেসিডেন্ট এলিস রুবিনস্টাইন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।