২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দামুড়হুদার লাখ লাখ টাকার শিক্ষা উপকরন নষ্ট

সংবাদদাতা, দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা ॥ চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ১১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যবহার হচ্ছে না ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর। ফলে শ্রেণি কার্যক্রমে শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে ব্যহত হচ্ছে সরকারের পদক্ষেপ। লাখ লাখ টাকার শিক্ষা উপকরন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে আছে।

জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ১১৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এ সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে বাছায়কৃত ১১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষে দেয়া হয় ল্যাপটপ এবং ৩টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেয়া হয় প্রজেক্টর। এছাড়া প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে একজন করে ১২ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা । উদ্দেশ্য ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা। এই ৩টি ল্যাপটপ ও প্রজেক্টও পাওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পূর্ব রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দামুড়হুদা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইব্রাহিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে পূর্ব রামনগর সপ্রাবি ৩ মাসে একবার সাব ক্লাষ্টার প্রশিক্ষনের দিন ব্যবহার করেন এবং বাকী ২টি নষ্ট।

্আবার ১১টি ল্যাপটপের মধ্যে বেশির ভাগই ব্যবহার হয় না । ব্যবহার হলেও তা শুধু ভিডিও গান ব্যহারের ক্ষেত্রে।

এ ব্যাপাওে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুরজাহানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন দামুড়হুদার ধান্যঘরা সপ্রাবি ১টি ল্যাপটপ দেয়া হলেও প্রশিক্ষরপ্রাপ্ত শিক্ষক অন্য স্কুলে বদলী হয়ে যায়। ফলে সেই স্কুলে ল্যাপটপের ব্যবহার হয় না। এর আগে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলামকে উপজেলার ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির জন্য ডাকা হলে তিনি না এসে বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুর গফুর স্বাক্ষরিত একটি চিঠি জমা দিয়ে বলে তিনি ল্যাপটপ নিয়ে আসতে পারবেন না। এত আমরা নিজেরাও খুব বিব্রত বোধ করি। সরকার যে জন্য ল্যাপটপ দিচ্ছে তা না করে নিজেরা ব্যক্তিগত কাজ করছে। অথচ অনেক যোগ্য শিক্ষক ল্যাপটপের অভাবে কাজ করতে পারছেন না। বাকী অনান্য স্কুলগুলোতে প্রজেক্টরের অভাবে কাজ করতে পারছে না।

অথচ লক্ষ লক্ষ টাকার শিক্ষা উপকরন নস্ট না করে যোগ্য শিক্ষকের হাতে ল্যাপটপগুলো হস্তান্তর করলে সরকারের লক্ষ বাস্তবায়ন হবার পাশাপাশি লাখ লাখ টাকার শিক্ষা উপকরন শিশুদের শিখন শেখানো কাজে লাগত এমনটাই মনে করেন স্থানীয় অভিভাবকরা ।