২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লক্ষ্মীপুরে তিনদিন ব্যাপী “উন্নয়ন মেলা” শুরু

লক্ষ্মীপুরে তিনদিন ব্যাপী “উন্নয়ন মেলা” শুরু

নিজস্ব সংবাদদাতা, লক্ষ্মীপুর ॥ লক্ষ্মীপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট ভবন প্রাঙ্গণে তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অর্জনসমূহ প্রচারণার লক্ষ্যে সরকারের উন্নয়ন ও সেবাসমূহ প্রদর্শনের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে এ মেলা শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে সকালে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী ও জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. শাসছুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স এর সামনে থেকে শুরু হয়ে কালেক্টরেট ভবন প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে সেখানে অনুষ্ঠিত হয়, এক আলোচনা সভা।

সভা ও শোভাযাত্রায় অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডা. গোলাম ফারুক ভূঁইয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাজ্জাদুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কংকন চাকমা (রাজস্ব), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফুল ইসলাম খান, জেলা আওয়ামীলীগ সাবেক সভাপতি এম আলাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. নূরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সালাউদ্দিন টিপু, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মিজানুর রহমান, জেলা তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফোরকান খান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তোফায়েল আহম্মদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. হাফিজ উল্যাহ প্রমুখ। এ ছাড়াও জেলার অন্যান্য পদস্থ কর্মকর্তা এবং এলাকার বিভিন্ন স্তরের শ্রেণী পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহন করেন।

এর আগে কালেক্টরেট ভবন প্রাঙ্গনে জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ প্রশাসক আকাশে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করেন।

মেলার পাশাপাশি সেখানে আয়োজন করা হয় তিনব্যাপী আলোচনাসভা ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের বিগত দিনসহ বর্তমান কর্মকান্ডের উপর উন্নয়ন এর ওপর পিরিস্তি তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখনে মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়। তা’হলে আগামী দু’হাজার একুশ সালের মধ্যে দেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। মেলায় অর্ধশত ষ্টল খোলা হয়। অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে, প্রামান্য চিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।