১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকার দিনরাত

  • মারুফ রায়হান

ঈদ উপলক্ষে বিপুল পরিমাণ নতুন নোট বাজারে ছাড়ার সংবাদটি পড়ে ছুটে গিয়েছিলাম ব্যাংকে। কপাল মন্দ। কুড়ি টাকার নোট ছাড়া অফিসার অন্য কোন নতুন নোট দিতে পারলেন না। আচ্ছা বলুন তো, এই বাজারে কুড়ি টাকার নোট কি ঈদি হিসেবে বুয়াকেও দেয়া যায়? সে যাক, বাড়ি ফেরার পথে ফুটপাথে দেখি পাঁচ টাকা থেকে হাজার টাকার নতুন নোট সাজিয়ে বেশ ব্যবসা করছেন এক টাকার কারবারি। আচ্ছা এটাকে কি ‘কালোবাজারি’ বলা সমীচীন হবে? এই যেমন ঈদমৌসুমে বাসের টিকেট কাউন্টারে দাঁড়ালে অনেক সময় টিকেট মেলে না, কিন্তু ঠিকই মেলে কালোবাজারিতে!

খুদেবার্তায় ঈদ শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের সংস্কৃতি কি কিছুটা থিতিয়ে আসছে? জানি না। আমার মোবাইলে এবার আগের ঈদের তুলনায় কিছুটা কমই পেলাম। হতে পারে আমি এই সংস্কৃতিতে গা ভাসিয়ে দেইনি বলে, মানে শুভেচ্ছাবার্তার জবাব একই উপায়ে না দেয়ার ফলে হয়ত বন্ধু-পরিচিতজনদের অনেকেই আর আমাকে এসএমএস করছেন না। আবার এমনও তো হতে পারে, আমার পথ ধরেছেন তারা! যেটাই হোক, সরাসরি বাসায় গিয়ে শুভেচ্ছা জানানো, কিংবা একান্ত অপারগ হলে ফোন করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের স্বাভাবিক আন্তরিক পদ্ধতিটি গণএসএমএস কালচারের তোড়ে অনেকটাই ভেসে গিয়েছিল। সেটি আবার স্বমহিমায় ফিরে এলে ভাল হয়। যা হোক, এবার যে কমন খুদেবার্তাটি এগিয়ে আছে, সেটি আমাদের জাতীয় কবির কবিতারই চরণ- ‘মনের পশুরে কর জবাই...’ মনের পশুকে কোরবানি দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আমাদের এক সিনিয়র আপা বার্তাটি এমন একজনের কাছ থেকে পেয়েছেন, যার নিজের জন্যই ওই বার্তাটি অধিক যুক্তিযুক্ত ও প্রযোজ্য। ভগ্নিটির মতে, ওই খুদেবার্তা প্রদানকারী কস্মিনকালেও তার মনের পশুকে কোরবানি দিতে সমর্থ হবেন না। ভারী কদর্য স্বভাবের লোক তিনি। নিজের স্বভাব সম্পর্কে ধারণাও রাখেন। তাই অমন উপদেশ/আহ্বানবাণী রীতিমতো প্রহসন বা হিপোক্র্যাসি। যারা লোকটিকে চেনেন, ওই খুদেবার্তা পেয়ে তারা একচোট হেসে নেয়ার সুযোগ পান।

কোরবানি ঈদের আগে, আরও স্পষ্ট করে বললে হজের দিন শুধু ঢাকা কেন, গোটা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত কোটি বাঙালী মুসলমানের চোখ থাকে টিভি পর্দায়। এবার সেখানে পদদলিত হয়ে বহু বাংলাদেশী হাজীর হতাহতের প্রাথমিক সংবাদ পেয়ে প্রকৃত খবর জানার জন্য মানুষ উদ্বেল সময় পার করেন। ঈদের আনন্দের সমান্তরালে এই শোক ও উদ্বেগ নানাভাবে প্রকাশিত ও আলোচিত হতে থাকে ঈদের ছুটির কয়দিন।

নগরীর গলিতে গ্রামের আমেজ

রোজার ঈদ ও কোরবানির ঈদ- দু’ঈদে ঢাকার দিনরাত প্রায় একই রকম, অবশ্য কিছুটা পার্থক্যও রয়েছে। ঈদের আগে ঢাকা ফাঁকা করে বিপুলসংখ্যক মানুষের ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায়- শহর ও গ্রামের উদ্দেশে ছুটে যাওয়া সাধারণ নিয়মে পরিণত। যারা ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও যেতে ব্যর্থ হন তাদের হৃদয়ের ভেতর চেপে রাখা দীর্ঘশ্বাস, যারা যান না বলে আগে সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখেন তারা এবং তাদের সঙ্গে ঢাকার অন্য নাগরিকরা ঈদ উদ্যাপনের প্রস্তুতি নেন। রাস্তাঘাটে যানবাহন ও মানুষের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমে আসায় ঢাকার চিরচেনা বা বলা ভাল স্থায়ী হয়ে যাওয়া রূপ বদলে যায় সাময়িকভাবে। আবহাওয়াবিদরা একটু আশ্বস্ত করেছিলেন এই বলে যে, ঈদ এবং তার পরেও বৃষ্টি হতে পারে। কোথায় বৃষ্টি, সামান্য ছিটেফোঁটা থাকলেও হতো। রীতিমতো কটকটে রোদ, অসহ্য গরম। বহুজনের প্রত্যাশা থাকে কোরবানি ঈদের দিন সকালে না হোক, বিকেল বা রাতে বৃষ্টি হোক। বৃষ্টি হলে পশু জবাইয়ের রক্তধারা সব ধুয়ে যাবে। যতদূর মনে পড়ে, গত বছর এদিন ভালই বৃষ্টি হয়েছিল। এবার অবশ্য আমাদের দুই নতুন নগরপিতা কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেন। সুনির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাইয়ের জন্য প্রচারণাও চালানো হয়। ভেবেছিলাম পুরো না হোক, সিকি পরিমাণ কাজ হবে এতে। চারজনের ভেতর একজন অন্তত পশু নিয়ে কোরবানি দিতে নির্দিষ্ট এলাকায় রওয়ানা দেবেন। তা হয়নি। যদি তাই হতো তাহলে আমাদের ফ্ল্যাটবাড়ির সামনের রাস্তায় দশ থেকে পনেরোটি গরু কি জবাই করা হতো! পুরো রাস্তা আটকে পশু কোরবানি দেয়ার সংস্কৃতি থেকে রাজধানীবাসী বের হয়ে আসতে পারেনি। যদিও মেয়রদ্বয়ের প্রচারণা কার্যক্রমের জন্য মানুষের সচেতনতা কিছু বেড়েছে। বর্জ্য অপসারণ ও পরে ব্লিচিং পাউডার ছড়ানোর কাজে অগ্রগতি এসেছে। এটাকে তাই সুলক্ষণ বলেই আমাদের বিবেচনা করতে হবে।

কোরবানি ঈদের আগে লাখো গরু-ছাগলের আগমনের কারণে রাজধানীর অবয়ব অনেকটাই বদলে যায়। বিশেষ করে আবাসিক এলাকাগুলোয় এক অন্যতর গন্ধ পাওয়া যায়। যে গলিতে কুকুর-বিড়াল ছাড়া অন্য মানবেতর প্রাণীর প্রবেশাধিকার মেলে না, সেখানে বীরদর্পে ঢুকে পড়ে দশাসই ষাঁড়। সেই সঙ্গে নিরীহদর্শন কিছু ছাগলও। এ দুটি প্রাণীর উদরপূর্তির জন্য খড়-বিচালি ও কাঁঠাল পাতার প্রয়োজন পড়ে। গরু-ছাগলের হাঁকডাক গলির ধ্বনিতরঙ্গে আচমকা ভিন্ন আবহ নিয়ে আসে। গোবর-গোমূত্রের গন্ধ গ্রামীণ পরিবেশে মিশে থাকে, নগরীতে তা সাময়িক। ফলে সাময়িকভাবেই বদলে যায় রাজধানীর পরিবেশ। গরু বাঁধার জন্য গাছ কি মেলে সব স্থানে? বরং রয়েছে ইলেকট্রিকের পোল, ফটকের লোহা বা ইস্পাত নির্মিত বার ও গ্রিল। সেসবের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বাঁধা হয় কোরবানির পশু। স্বল্পকালীন এই অতিথিরা কোরবানির শেষে এক রকম অদৃশ্যই তো হয়ে যাবে। তবু ক’টা দিন রাজধানীর সামগ্রিক পরিবেশ ও অর্থনীতিতে একটা বড় প্রভাব পড়তে দেখি আমরা। সড়কে সড়কে দেখি মাংস কাটার ধারালো সরঞ্জাম, হোগলা পাতার পাটি এবং গাছের গুঁড়ির কর্তিত অংশ নিয়ে বসে পড়েন দোকানিরা। সব মিলিয়ে এক ভিন্নধর্মী বাস্তবতা প্রত্যক্ষ করে রাজধানী বছরে এই একটিবার। মমতাভরে কাঁঠালপাতা যে ছাগলটির মুখে তুলে দিতে দেখলাম এক ঘরণীকে, ঈদের দিন সেই তিনি ওই প্রাণীটির মাংস দারুণ মসলা সহযোগে রেঁধে তার টুকরো তুলে দেবেন প্রিয়জনের পাতে।

রাত-গভীরে ছাগলের ট্রাক

রাত পোহালেই কোরবানি ঈদের শুরু। তাই ঈদ-উল-ফিতরের চানরাতের মতো ঈদ-উল-আযহার আগের রাতটি বিশেষ বিকিকিনির। গরু-ছাগলের হাটে মধ্যরাতে গিয়ে মনে হবে সবে সন্ধে হলো বুঝি! হঠাৎ করেই অনেক হাটে গরুর আকাল পড়ে গেল এবার বৃহস্পতিবার রাতে। শেষ ভরসা তাই ছাগল। উত্তরার বড় হাটটিতে মধ্যরাতেও ছোট ছোট ট্রাকে করে আসতে থাকে সারি সারি ছাগল। ট্রাক থামিয়ে পেছনের পাটাতন খুলে খাসি নামানোর আগেই ভিড় হয়ে যায় ক্রেতাদের। এক দম্পতিকে একটু আগেই দেখলাম ছাগলের দরদাম করতে গিয়ে হোঁচট খেতে। বেশ বড়সড় খাসি, বিক্রেতা দাম হাঁকলেন আটাশ হাজার। ভদ্রমহিলা চোখ কপালে তুলে বললেন- এটা কি খাসি, না গরু! আচ্ছা, ঈদের আগের রাতে বাচ্চা গরুও কি আটাশ হাজারে মেলে!

ঈদের দিনে পঙ্গু হাসপাতাল

ঈদে বাঙালীর প্রদর্শন বাতিক নিয়ে নানা কথা চালু আছে। কোরবানি ঈদে ত্যাগের মহিমার চাইতে অনেক সময় অনেকের কাছে বড় হয়ে ওঠে মাংস ভক্ষণ। ধর্মে কোরবানির পশুর মাংসের বণ্টন নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও অনেকে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন না। কে, কত বেশি দাম দিয়ে কত বড় গরু কিনতে পারলেন তার একটা প্রতিযোগিতাও চলতে দেখি, যা দুঃখজনক। এ নিয়ে সমালোচনার পাশাপাশি রঙ্গরসও করা হয়। ফেসবুকের যুগে গরুর সঙ্গে সেলফি তুলে পোস্ট করার প্রবণতাও লক্ষণীয়। এক বন্ধুর এমন কা- দেখে আরেক বন্ধু টিপ্পনি কাটল : দোস্ত, কোরবানির গরু-ছাগলের সঙ্গে সেলফি তুলে ফেসবুকে দিস, ভাল কথা। কিন্তু কোন্টা তুই আর কোন্টা গরু লিখে দিস। না হলে চিনতে অসুবিধে হয়।

পরিচিত এক ভদ্রলোক কোরবানি দেয়ার পর গরুর চারখানা আস্ত পা চার ভায়রার বাড়ি পাঠিয়ে দেন। নিজেকে ধনী আর উদার প্রমাণ করার জন্য এটা তার স্বউদ্ভাবিত রীতি। এর বিপরীত চিত্রও আছে। আমাদের মহল্লারই এক ভদ্রলোকের সন্তানরা সবাই দেশের বাইরে থাকেন। স্বামী-স্ত্রী দুজন কেবল দেশে। তিনিও একাই একখানা গরু কোরবানি দেন। নিজেদের জন্য কয়েক কেজি মাংস রেখে বাদবাকি মাংস গরিবদের মাঝে বিলি করে দেন। বেশ সুশৃঙ্খলভাবেই কাজটা সমাধা করেন তিনি। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মাংস নিতে আসা লোকদের নাম তালিকাভুক্ত করেন। তারপর ভাগ-বাটোয়ারা করেন। বেশি লোক হলে সঙ্গত কারণে মাংসের পরিমাণও কমে যায়। তবু একেজনের ভাগে ন্যূনতম তিন কেজির মতো মাংস পড়েছে এবার- এমনটাই জানালেন তিনি। অসচ্ছল, কোরবানি দিতে অক্ষম এমন পরিবারে ওই মাংস দিয়ে ভালই উৎসব সম্ভব।

আমার ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু শুধু আমার সঙ্গে অভিজ্ঞতাটি ভাগাভাগি করেছেন। বহু বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে কিছুকাল তাকে থাকতে হয়েছিল পঙ্গু হাসপাতালে। সুস্থ হয়ে ওঠার পর ভেবেছেন কোন এক ঈদের দিন তিনি পঙ্গু হাসপাতালের সেই ওয়ার্ডটির রোগীদের সঙ্গে কাটাবেন, যে ওয়ার্ডে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। কোরবানি ঈদের নামাজ পড়ে, কোরবানির পশু জবাইয়ের পর স্ত্রীকে তা দেখভালের দায়িত্ব দিয়ে সোজা চলে যান পঙ্গু হাসপাতালে। সঙ্গে নিয়ে যান ৫০টি ছোট প্যাকেট, যাতে ছিল কয়েক রকম মিষ্টি। আর নগদ কিছু টাকা। ভেবেছিলাম বন্ধুটির ভেতর আত্মতৃপ্তি কাজ করবে, ভাল কিছু করেছেন বলে মন থাকবে তার প্রফুল্ল। সন্ধেবেলা অভিজ্ঞতা বর্ণনার সময় দেখলাম তার মন খারাপ, মুখটা মলিন হয়ে আছে। বললেন, ‘বিচিত্র ধরনের দুর্ঘটনায় আহত ও পঙ্গু মানুষের এত কষ্ট। আর অনেকেই এত গরিব এবং অসহায়। একজনের সামান্য অর্থে ক’জনেরই বা যৎসামান্য উপকার হতে পারে? ঈদের দিন কাটে তাদের আনন্দে নয়, সংগোপন কান্নায়।’

আমি কী সান্ত¡না দেব, বুঝে পাই না। সংবাদপত্রে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হওয়ার পরও দশ বছর যাবত পঙ্গু এক যুবকের সামান্যতম আর্থিক সাহায্য লাভে ব্যর্থ হওয়ার বাস্তবতা জেনে ঈদের সন্ধ্যাটি আমার কাছেও নিরানন্দময় হয়ে ওঠে।

আশ্বিনের পূর্ণিমা এবং সুপার মুন

রবিবার রাতে ছিল না পূর্ণিমা। পরদিন পূর্ণিমা, এটি আবার সুপার মুন। ত্রিশ বছর পর এমনটি হচ্ছে। চাঁদ ও পৃথিবী অবস্থান করছে নিকটতম দূরত্বে। ফলে চাঁদের আকারও যেমন কিছুটা বড় দেখায়, তেমনি তার জ্যোৎস্নাও হয় উজ্জ্বলতর। অবশ্য বাংলাদেশে নয়, ইউরোপ-আমেরিকা-আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যক্ষ করা যাবে এই সুপার মুন। তবে বাংলাদেশে শারদীয়া পূর্ণিমা হলো সারা বছরের মধ্যে স্পেশাল পূর্ণিমা। তার স্নিগ্ধ আলোকে মনে করা হয় সবচেয়ে জোরালো। ইট-কাঠ-সিমেন্টের শহর ঢাকার আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ নিয়ে ফেসবুক মুখর হয়ে ওঠে। তার একটি নমুনা শেয়ার করা হলো। প্রাবন্ধিক আহমাদ মাযহার লিখেছেন : ‘অফিসের ফটক পার হতেই ডানদিক থেকে চাঁদমামা অনেকগুলো ঊর্ধ্বমুখী ভবনের ফাঁক গলিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে অট্টহাস্য করে উঠলেন। তাঁর সে হাসি উপেক্ষা করতে না পেরে স্যামসাং মোবাইলে ধরে রাখবার চেষ্টা করলাম! জানি এ নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে বাকতাল্লা দেখে তিনি মিটিমিটি হাসছেন- মামার হাসি বন্দী করা এতই সহজ!

সত্যি ঢাকা মহানগরী এমন নিষ্ঠুরভাব মামাবঞ্চিত করলে সে নগরীকে কীভাবে ভালবাসা যায়! নাহ, তবু আমরা ঢাকাকে ভালবাসব। সুযোগ নেব ছাদে উঠে মামাকে দেখে নেয়ার! চেষ্টা করব খোলা জায়গা খুঁজে তাঁকে দেখে নিতে একবার!

প্রথম ফটো টেলিফোকাসে তোলা। মোবাইল ক্যামেরার ‘টেলি’র দৌড় আর কত হবে! দ্বিতীয়টা টেলিলেন্স ব্যবহার না করে তুললাম। ফলে রাস্তার বাতি এড়ানো গেল না। তবু চাঁদমামার হাসিটা রইল! শেষের ফটোতে সন্ধ্যার ঢাকার আকাশে চাঁদমামার চাউনিটা কেমন ছোট আর করুণ হয়ে উঠল!’

২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫

marufraihan71@gmail.com