২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শরণখোলায় সন্ত্রাসী হামলা ॥ মন্দিরে কালো পতাকা

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ শরণখোলার ধানসাগর ইউনিয়নে দুর্গাপুজো উদযাপনে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। সন্ত্রাসী বাহিনী রাজাপুর গোবিন্দ মন্দির দখলের চেষ্টা ও হিন্দু নেতৃবৃন্দের ওপর অব্যাহত হুমকিতে তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে উপজেলার প্রতিটি দুর্গাপুজো ম-বে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় শরণখোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দুর্গাপুজো উদযাপন কমিটির ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ ওই আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন। ধানসাগর ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক তাপস মিত্র লোটন লিখিত বক্তব্যে জানান, ক্ষমতাসীন দলের নেতা পরিচয়ে চলা রাজাপুর এলাকার আঃ রাজ্জাক ডালিম গত ১৪ আগস্ট রাতে ২৫-৩০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা চালিয়ে গোবিন্দ মন্দির দখলের চেষ্টা করে। এ সময় তারা মন্দিরের সেবাইত দ্বিজেন্দ্রনাথ হাওলাদারের বসতঘর ভাংচুর চালিয়ে দখল করে নেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। এরপর তারা জামিনে বেরিয়ে এসে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের নামে ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে তা পুলিশের তদন্তে মিথ্য প্রমাণিত হওয়ায় আদালতে মামলাটির ফাইনাল প্রতিবেদন দেয়। এতে ডালিম বাহিনী আরও ক্ষিপ্ত হয়ে হিন্দু নেতৃবৃন্দের ওপর অব্যাহতভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তাই তারা দুর্গাপুজো উদযাপন করা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গোবিন্দ মন্দির ও সেবাইতের জমি নিয়ে ষড়যন্দ্রকারীদের বিচার, মন্দির কর্তৃপক্ষের দারেয়কৃত মামলার দ্রুত চার্জশীট প্রদান ও দুর্গাপুজোসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা প্রদান করার তিনদফা দাবি জানান। অন্যথায় তারা বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষণা দিবেন বলে জানান।

বখাটের সঙ্গে বিয়ে না দেয়ায়-

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ চকরিয়ায় এক বখাটের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে না দেয়ায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে মেয়ের পরিবারে। তাদের বাধা দিতে গিয়ে স্কুলছাত্রসহ গুরুতর আহত হয়েছে ৫ জন। অভিযুক্ত ২ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। চকরিয়া বদরখালীর ঠুটিয়াখালীপাড়ায় রবিবার রাতে ঘটেছে এ ঘটনা।

জানা গেছে, ঠুটিয়াখালীপাড়ার আবদুস ছোবহানের মেয়ে বিউটি আক্তারকে সম্প্রতি বিয়ের প্রস্তাব দেয় বদরখালী মগনামাপাড়ার আহমদ হোছেনের পুত্র মিজানুর রহমান। মেয়ে এবং পরিবারের কোন সদস্য বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বখাটে মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের সশস্ত্র ও লাঠিয়াল সন্ত্রাসী আবদুস ছোবহানের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এ হামলা চালায়।