২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাত গ্রামে সংঘর্ষ ॥ ইউপি চেয়ারম্যানসহ আহত ৮০

  • বোয়ালমারীতে যৌন হয়রানি

সংবাদদাতা, বোয়ালমারী, ফরিদপুর, ২৮ সেপ্টেম্বর ॥ যৌন হয়রানিকে কেন্দ্র করে সোমবার ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নে ৭ গ্রামের সংঘর্ষে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আহত হয়েছে ৮০ জন। আহতদের বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ৩ জনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হামলায় এক পক্ষ পেট্রোলবোমা ও ককটেল ব্যবহার করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

জানা যায়, মাইটকুমরা গ্রামের সাইফুল সিকদার তার স্ত্রী ও শ্যালিকাকে নিয়ে রবিবার বিকেলে সহস্রাইল বাজারে গেলে সহস্রাইল গ্রামের আবুল হাসানের ছেলে অনিক হাসান, সাহেব আলীর ছেলে সুমন, নাছির, চাচার ছেলে শিপন স্ত্রী ও শ্যালিকার সঙ্গে অসৎ আচরণ করে ও ওড়না টেনে ফেলে দেয়। এর প্রতিবাদ করলে তারা সাইফুলকে মারপিট করে। এ ঘটনার জের ধরে সোমবার মাইটকুমরা, ভুলবাড়িয়া, গঙ্গানন্দপুর ও সহস্রাইল, দরিসহস্রাইল, ছত্রকান্দা, বাঘডাঙ্গা এই ৭ গ্রামের লোকজন সহস্রাইলের বটতলা ঈদগাহ এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষ ঢাল, সড়কি, রামদা ও রেল লাইনের পাথরসহ দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে। তবে সহস্রাইল, ছত্রকান্দার লোকজন শতাধিক পেট্রোলবোমা ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় মাইটকুমরা, ভুলবাড়িয়া ও গঙ্গানন্দপুরের প্রায় ৫০ জন আহত হয়। অপরদিকে সহস্রাইল, ছত্রকান্দা এলাকার প্রায় ৩০ জন আহত হয়। খবর শুনে শেখর ইউপি চেয়ারম্যান রইসুল ইসলাম সহস্রাইল গেলে ওই এলাকার লোকজন তাকে মারপিট করে ও তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ভাংচুর করে।

নাটোরে আহত ২০

সংবাদদাতা নাটোর থেকে জানান, বড়াইগ্রাম উপজেলার সাতইল বিলে ঈদ উপলক্ষে আয়োজিত নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে রবিবার সন্ধ্যায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে।

জোনাইল ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদুল আলম রাসেল জানান, রবিবার বিকেলে সাতইল বিলে নৌকাবাইচ আয়োজন করা হয়। খেলা শেষে সন্ধ্যায় পুরস্কার বিতরণী চলাকালে মোটরসাইকেল পার্কিং করাকে কেন্দ্র করে চৌমুহন ও পার্শ্ববর্তী নগর গ্রামের কয়েক যুবকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়পক্ষ লাঠিসোটা হাতে এগিয়ে এলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।

ট্রলার ডুবির ৮ দিনেও বাগেরহাটের ১৯ জেলের সন্ধান মেলেনি

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ ঝড়ে বঙ্গোপসাগরে কচুয়া উপজেলার বগা-ভাষা গ্রামের ৪টি ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ১৯ জেলের সন্ধান আজও মেলেনি। এসব পরিবারের আহাজারিতে বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ভোরে সাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ৪টি ট্রলার ৫৬ জন জেলেসহ গভীর সমুদ্রে ডুবে যায়। এর মধ্যে ৩৭ জন জীবিত উদ্ধার হলেও বাকি ১৯ জনের এখনও পর্যন্ত কোন সন্ধান মলেনি। নিখোঁজ ১৯টি পরিবারের সদস্যরা খেয়ে না খেয়ে তাদের খুঁজে বেড়াচ্ছেন।