১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি জমার প্রক্রিয়া সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ব্যাংকের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ও অন্যান্য চার্জ গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করে সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে শিক্ষার্থীরা অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, কার্ডবেজড পেমেন্ট সিস্টেমস ও স্ট্যান্ডিং ইনস্ট্রাকশন্স পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের টিউশন ফি জমা দিতে পারবেন। প্রত্যেক ব্যাংকে এ ধরনের এক বা একাধিক পদ্ধতি চালু করার কথা বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা তাদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রদান করার ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়। প্রাথমিকভাবে এসব সেবা জেলা শহরে অবস্থিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চালুর কথা বলা হয়েছে। তবে পর্যায়ক্রমে তা উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সম্প্রসারণ করতে হবে।

সার্কুলারে বলা হয়, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফিসহ অন্যান্য ফি সংগ্রহ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাপনা করে থাকে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমকে গতিশীল ও এর পরিধি বিস্তৃতকরণ এবং শিক্ষার্থী/অভিভাবকদের জন্য স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত বিবিধ আর্থিক সেবা ঝামেলামুক্ত ও সহজ করার জন্য ব্যাংকগুলোকে প্রযুক্তিনির্ভর এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চাহিদামাফিক সেবা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য এই নির্দেশনা দেয়া যাচ্ছে।

শিলিগুড়িতে বিএসএফ বিজিবি ফায়ারিং প্রতিযোগিতা শুরু

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সোমবার থেকে ভারতের শিলিগুড়িতে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ফায়ারিং প্রতিযোগিতা। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিযোগিতা চলবে। বিজিবিতে কর্মরত সেনা কর্মকর্তা মেজর নুরউদ্দিনের নেতৃত্বে একজন জেসিও এবং অন্যান্য পদবির ১২ জনসহ মোট ১৪ বিজিবি সদস্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সোমবার সকালে দলটি সড়কপথে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের চেংরাবান্ধা আইসিপি (ইন্ডিয়ান চেক পোস্ট) দিয়ে ভারতে পৌঁছেছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ হবে। পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে বলে দুই দেশই আশা করে। প্রতিযোগিতার পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর কর্মকর্তাদের মধ্যে গুলি-বর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়াদি ছাড়াও গুলি চালানোর নানা দিক নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনার কথা রয়েছে।