২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গাজীপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ॥ হামলা ও অগ্নিসংযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাজীপুর, ২৯ সেপ্টেম্বর ॥ শ্রীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার প্রতিপক্ষ এক রিক্সাচালকের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। হামলাকারীরা বাড়ির বিভিন্ন মালামাল ও আসবাবপত্রে অগ্নিসংযোগ করেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়কসহ অর্ধশতজনের বিরুদ্ধে শ্রীপুর মডেল থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন নারীকে আটক করেছে।

শ্রীপুর উপজেলার ধলাদিয়া গ্রামের রিক্সাচালক রমজান আলীর স্ত্রী শিল্পী বেগম ও স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ২৫ বছর ধরে ধলাদিয়া গ্রামের রিক্সাচালক রমজান আলীর সঙ্গে প্রতিবেশী মহব্বত আলীর জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে মঙ্গলবার দুপুরে মহব্বত আলীর ছেলে মিজানুর রহমান হিরণ, শাহ পরাণ, রাজাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম ও মফিজ উদ্দিনের ছেলে রেজাউল করিমের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক লোক ট্রাকযোগে এসে দেশী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রমজানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্রসহ দু’টি বসতঘর ভাংচুর ও বিভিন্ন মালামাল লুট করে। হামলাকারীরা ওই বাড়ির আসবাবপত্রে অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় এলাকাবাসী অপর একটি ট্রাক দিয়ে হামলাকারীদের পথরোধ করলে হামলাকারীরা ওই ট্রাকটি ভাংচুর করে তাদের ট্রাকযোগে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মিজানুর রহমান ওরফে হিরণের স্ত্রী মুক্তা আক্তার, মুক্তাদির হোসেনের স্ত্রী সাহিদা খাতুন ও আব্দুস শহিদের স্ত্রী আমেনা খাতুনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় রিক্সাচালক পরিবারের পক্ষে শাহজাহানের স্ত্রী আফরোজা আক্তার বাদী হয়ে স্থানীয় মহব্বত আলীর ছেলে মিজানুর রহমান হিরণ, শাহ পরাণ, রাজাবাড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম ও মফিজ উদ্দিনের ছেলে রেজাউল করিমসহ ২২ জনের নামোল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে শ্রীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

নিখোঁজের ৮ মাস পর কেরানীগঞ্জে কঙ্কাল উদ্ধার

নিজস্ব সংবাদদাতা, কেরাণীগঞ্জ, ২৯ সেপ্টেম্বর ॥ নিখোঁজের আট মাস পর আক্তার হোসেনের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মঙ্গলবার ভোরে জিয়ানগর এলাকা থেকে রমজান আলী, ফেরদৌস, সফিকুল ইসলাম ও জানে আলম বাবুকে আটক করেছে পুলিশ। নিহতের কঙ্কাল ডিএনএ টেস্টের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্ত্রী রিনা বেগম বলেন, তার স্বামী শাক্তা ইউনিয়নের জিয়ানগর এলাকার আলী-নুরা গ্রুপের সঙ্গে কাজ করতেন।

চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি মাদক বিক্রি নিয়ে আলী-নুরা ও রমজান গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর থেকে আমার স্বামী আক্তার হোসেন নিখোঁজ। এই ঘটনার পরদিন ৮ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় জিডি করা হয়। তার স্বামীকে আট মাসেও পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি। পরে ডিবি পুলিশ তদন্তে নামে। এই ঘটনার জড়িত সন্দেহে প্রথমে আটক সফিকুলের ফুফাতো ভাই মাহবুব হোসেনকে আটক করে ডিবি পুলিশ।