২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

‘সমতা অর্জন শিক্ষায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে’

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, শিক্ষা দানের পাশাপাশি জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সমান সুযোগ এবং সমতা নিশ্চিত করা গেলে বাস্তব কর্মক্ষেত্রে এর প্রতিফলন পাওয়া যাবে। সমতা অর্জনে শিক্ষাপরিবারে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে ।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এলজিইডি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট’(সেকায়েপ) এর পরিচালক ড. মো: মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ অধিকারী। এছাড়া দেশের বিভিন্ন উপজেলা প্রকৌশলী, শিক্ষা অফিসারসহ মন্ত্রণালয়ের উধর্¦তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০১২ সালের হিসেব অনুযায়ী প্রাথমিকে শতকরা ৫১ জন মেয়ে শিশু এবং ৪৯ জন ছেলে শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে। মাধ্যমিকে ৫৩ জন মেয়ে এবং ৪৭ জন ছেলে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। উচ্চমাধ্যমিকে আগামী ৩ বছরের মধ্যে সমতা অর্জিত হবে। আর ৬ থেকে ৭ বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে সমান সমতা থাকবে।

শিক্ষা মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ আগের তুলনায় অনেক এগিয়েছে। ছেলে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মেয়েরাও পরীক্ষার ফলাফলে মেধার পরিচয় দিচ্ছে। বিশ্বমানের শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। এরই ধারাবাহিকতায় ২৩ হাজার ৩১০ টি বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া স্থাপন করা হয়েছে। ১৭ টি মোবাইল ল্যাবরেটরি তৈরি করা হয়েছে। গ্রামের কিছু বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এগুলো পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় প্রতিটি বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ব্যবহারের প্রচলন বেড়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের কোথায় কি ঘটছে, তা সর্ম্পকে জ্ঞান আহরণ করতে পারছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। দেশে আগে কারিগরি শিক্ষায় শতকরা ১ ভাগ ছেলেমেয়ে লেখাপড়া করতো। এখন এর পরিবর্তন হয়েছে। আগামীতে বিদ্যালয়গুলোতে কারিগরী শিক্ষাকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ আরও বাড়ানো হবে।

ষোল কোটি মানুষ দেশের বোঝা নয়- একথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তাদের দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজে লাগাতে পারলে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হবে। অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করতে হলে মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেককে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।