২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লাগেজের স্তূপ দ্রুত সরান- সৌদিয়া এয়ারলাইন্সকে কড়া নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের হাজার হাজার লাগেজ পড়ে থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী। মঙ্গলবার রাতে তিনি আকস্মিক বিমানবন্দর পরিদর্শনের সময় লাগেজের স্তূপ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি জানতে চান কেন বিমানবন্দরের ভেতরে লাগেজের এমন স্তূপ জমেছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের দায়িত্ব পালনে কোন রকম গাফিলতি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন।

জানা যায়, সচিবের উপস্থিতিতেও কয়েক ভুক্তভোগীকে লাগেজ খুঁজতে দেখা যায়। এ সময় সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের কর্তব্যরত কর্মকর্তারাও কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। এতে সচিব খোরশেদ আলম অবিলম্বে মালামাল সরিয়ে নেয়ার জন্য কঠোর নির্দেশ দেন।

তবে এ সময় মালামাল যথাসময়ে সংগ্রহ না করায় বিমানবন্দরে স্থানাভাবের বিষয়টি সচিবকে অবহিত করা হয়। তিনি বিদেশ হতে আগত মালামালসমূহ বিমানবন্দর হতে অবিলম্বে সংগ্রহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিবকে (বিমান ও সিএ) সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সমস্যা সমাধানে মন্ত্রণালয়ে জরুরী সভা অনুষ্ঠানেরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উল্লেখ্য, হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে হঠাৎ বিপুল পরিমাণ লাগেজ আসতে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যাত্রী ছাড়া লাগেজ আনায় শাহজালালে লাগেজের স্তূপ জমতে থাকে। বর্তমানে এখানে ৪ নং বেল্টের কাছে হাজার হাজার লাগেজ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ বিষয়ে গত সপ্তাহে শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন জাকির হাসান জরুরী বৈঠক ডেকে সৌদিয়াকে অবিলম্বে লাগেজ সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন। এতে সৌদিযা কিছু লাগেজ সরিয়ে পাশে নিরাপত্তা শাখায় নিয়ে রাখে। তার পরও ৪ নং বেল্ট এলাকা খালি করতে পারেনি সৌদিয়া।

এদিকে এ সব লাগেজ খুঁজতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে যাত্রীরা আসেন। অথচ সৌদিয়ার দায়িত্ব হচ্ছে নিজস্ব উদ্যোগে লাগেজ খুঁজে বের করে

যাত্রীকে ডেকে হস্তান্তর করা। কিন্তু এমন সেবা তারা নিশ্চিত করতে পারছে না।

এ বিষয়ে দৈনিক জনকণ্ঠে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর মঙ্গলবার রাতে সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী আকস্মিক পরিদর্শনে হাজির হন বিমানবন্দরে।