২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইন্দোনেশিয়ায় ৬০ দশকের গণহত্যার বিচারের আহ্বান এ্যামনেস্টির

১৯৬০’এর দশকের কমিউনিস্টবিরোধী অভিযানে নিহতদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর যে নির্মম দমনপীড়ন করা হয়েছে তার বিচারের জন্য ইন্দোনেশিয়াকে অবশ্যই আরও বেশি কিছু করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বুধবার ইন্দোনেশিয়ার প্রতি এ আবেদন জানিয়েছে। খবর এএফপির।

৫০ বছর আগের ওই ঘটনাটি ছিল বিংশ শতাব্দীতে ঘটে যাওয়া একটি ভয়াবহ রোমহর্ষক গণহত্যা। ১৯৬৫ সালের ১ অক্টোবর জেনারেল সুহার্তোর একটি অভ্যুত্থান দমন করার পর দ্বীপ রাষ্ট্রটিতে ভয়াবহ এ দমন অভিযান শুরু করেন। অভ্যুত্থানটির জন্য কর্তৃপক্ষ কমিউনিস্টদের দায়ী করে। ওই দমন অভিযানে অন্তত ৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। কয়েক মাস ধরে চলা ওই হত্যাকা-ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও স্থানীয় গ্রুপগুলোকে সহায়তা করে। এমনকি ইন্দোনেশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে সামান্য সম্পর্ক রয়েছে এ সন্দেহে অনেক লোককে হত্যা করা হয়। কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে জড়িত বা সমর্থক সন্দেহে হাজার হাজার মানুষকে কারারুদ্ধ করা হয়। ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর সুহার্তো ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে ৩২ বছর কঠোর হস্তে দেশ শাসন করেন। কমিউনিস্ট হুমকি থেকে দেশকে মুক্ত করতে গণহত্যার প্রয়োজন ছিল বলে ওই সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে।

টানা ২২ বার মার্কিন শীর্ষ ধনী বিল গেটস

আমেরিকার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির শিরোপা এবারও ধরে রাখলেন টেকজায়ান্ট মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। প্রভাবশালী মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্র্বস মঙ্গলবার ২০১৫ সালের যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ চার শ’ ধনী ব্যক্তির নাম প্রকাশ করে। এবার শীর্ষ ১০ এ স্থান পেয়েছেন অনলাইন কোম্পানির তিন প্রতিষ্ঠাতা। গেটস টানা ২২ বছর শীর্ষস্থান দখল করে রাখলেন। তার মোট সম্পদের পরিমাণ সাত হাজার ৬০০ কোটি ডলার, যা ২০১৪ সালের চেয়ে ৫০০ কোটি ডলার কম। মার্কিন ব্যবসায়ী বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে কোম্পানির প্রধান নির্বাহী ওয়ারেন বাফেট ছয় হাজার ২০০ কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন। আর তৃতীয় স্থানে আছেন ওরাকলের সাবেক প্রধান নির্বাহী ল্যারি এলিসন। তার সম্পদের পরিমাণ চার হাজার ৭৫০ কোটি ডলার। এবার শীর্ষ ১০ এ স্থান পাওয়া অনলাইন কোম্পানির তিন প্রতিষ্ঠাতার একজন আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বাজোস চার হাজার ৭০০ কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে আছেন চতুর্থ স্থানে। গত বছর তিনি ছিলেন ১৫তম স্থানে। ফেসবুকের সিইও মার্ক জুকারবার্গ ১১তম স্থান থেকে উঠে এসেছেন সপ্তম স্থানে। খবর এএফপির।