২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

থাকছেন না জার্মান গোলরক্ষক কোচ শোয়েচলার

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ হেড কোচ পরিবর্তন হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় দলের কোচিং স্টাফেও পরিবর্তন আনতে চাইছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। গোলরক্ষক কোচ জার্মানির ক্রিস্টিয়ান শোয়েচলারের জায়গায় নতুন কোচ আসছেন শীঘ্রই। কয়েকমাস আগে শোয়েচলারের সঙ্গে বাফুফে চুক্তির মেয়াদ নবায়ন করেছিল। মেয়াদ বেড়েছিল আরও এক বছর।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের হতাশার মাঝে যে কয়েকটি দিকে উজ্জ্বল ছিল বাংলাদেশ, তার অন্যতম গোলকিপিং। অসাধারণ ফর্মে ছিলেন জাতীয় দলের গোলরক্ষক শহীদুল আলম সোহেল। এর নেপথ্য কৃতিত্ব অবশ্য দাবি করতেই পারেন শোয়েচলার।

ক্যাম্পে হঠাৎ করেই এই জার্মান গোলকিপার কোচের অনুপস্থিতিতে চিন্তিত মনে হয়েছে জাতীয় দলে ডাক পাওয়া দুই গোলকিপারকে। তারা আপাতত কাজ করছেন লোপেজের অধীনে। ‘আপাতত আমিই এখন ওদের ট্রেনিং করাচ্ছি। কয়েক দিনের মধ্যেই ফেডারেশন থেকে নতুন একজন কোচ দেয়ার কথা রয়েছে।’ লোপেজের ভাষ্য। তবে শোয়েচলার কেন নেই, ক্যাম্পে সেটা হেড কোচ নিজেও জানেন না। নতুন কোচ কে হচ্ছে? লোপেজের উত্তর, ‘সেটা এখনও জানি না আমি। এটা ফেডারেশনের দায়িত্ব। তারাই ঠিক করবে। জাতীয় দল বাদ দিয়ে আপাতত শোয়েচলার ব্যস্ত অনুর্ধ ১৯ দল নিয়ে।

উল্লেখ্য, এ বছরের মার্চে শোয়েচলার বাংলাদেশে আসনে। ৩৬ বছর বয়স্ক (জন্ম : ১৯৭৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর) গোলরক্ষক কোচ শোয়েচলার ইউরোপিয়ান (উয়েফা), আফ্রিকান (সিএফ) এবং এশিয়ান (এএফসি) সংস্থাগুলোর ক্লাব ও জাতীয় দলগুলোতে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। কাজ করেছেন সুদানের আল-মেরিখ স্পোর্টিং ক্লাব (২০০৯-১০), লেবানন জাতীয় ফুটবল দল (২০১২-১৩) এবং সর্বশেষ সৌদি আরবের ইত্তিফাক ফুটবল ক্লাবে (২০১৩)।

আল-মেরিখের হয়ে কাজ করা সময় তার ক্লাব ২০১০ সালে জেতে ‘সুদান কাপ।’ এছাড়া দলটি সিএএফ চ্যাম্পিয়ন্স লীগের মূলপর্বে উত্তীর্ণ হয়। শোয়েচলার ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের মূলপর্বে লেবাননকে উন্নীত করার লক্ষ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত হন ২০১২ সালে। তবে মূলপর্বে লেবনান যেতে না পারলেও দলটি তাদের ইতিহাসের সেরা সাফল্য পায় বাছাইপর্বে ইরানকে ১-০ গোলে হারিয়ে। ইরানের পর্তুগীজ কোচ কালোর্স কুইরোজ লেবানন দলের গোলরক্ষক আব্বাস হাসানের ভূয়সী প্রশংসা করতে বাধ্য হন। প্রকৃতপক্ষে আব্বাসের এই প্রশংসার কৃতিত্ব যায় শোয়েচলারের ঝুলিতেই।

শোয়েচলার নিজ দেশের জার্মান স্পোর্ট ইউনিভার্সিটি কলোগনে থেকে পড়াশোনা করেছেন স্পোর্টস সাইন্স বিষয় নিয়ে। জার্মান ফুটবল এ্যাসোসিয়েশন (ডিএফবি) এবং রয়্যাল ডাচ্ ফুটবল একাডেমি এ্যাসোসিয়েশন (কেএনভিপি) থেকে গোলকিপিং সংক্রান্ত সনদপত্র লাভ করেন। ২০০৮-০৯ পর্যন্ত কাজ করেন জার্মান গোলকিপার স্কুলে। এছাড়া ২০০০-০৮ পর্যন্ত কাজ করেন জার্মান ফুটবল একাডেমিতে।