১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মেঘনা-গোমতী সেতুতে প্রতিদিন কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

  • কর্মকর্তাদের যোগসাজশ

নিজস্ব সংবাদদাতা, দাউদকান্দি, ১ অক্টোবর ॥ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির মেঘনা-গোমতী এবং মেঘনা সেতুর প্রতিদিন কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। বুধবার রাত থেকে মেঘনা-গোমতী সেতুর ওভারলোড নিয়ন্ত্রণ স্কেল বন্ধ রেখে অবাধে ভারি যানবাহন চলাচলা করায় হুমকির মুখে সেতু ২টি। সরেজমিন বৃহস্পতিবার মেঘনা-গোমতী সেতুতে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন দায়িত্ব থাকা এশিয়ান ট্রাফিক টেকনোলজির নিকট থেকে একদিনের নোটিশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের কর্মকর্তারা সেতু দুটির টোল আদায় ও ওভারলোড নিয়ন্ত্রণ স্কেল বুধবার দিবাগত রাত ১২টায় দায়িত্ব বুঝে নিয়ে সিএনএসকে (কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সার্ভিস লিঃ) দায়িত্ব হস্তান্তর করে। সিএনএস দায়িত্ব বুঝে নেয়ার পর টোল কাউন্টারে ফেয়ার বোর্ড (নেট ওয়ার্কিং সিস্টেম), এলবি (অটো ব্রেকার) বন্ধ রেখেই টোল আদায় করা হচ্ছে। এতে প্রতিদিন কত টাকা আদায় হচ্ছে অটো কম্পিউটারের মাধ্যমে হিসাব হচ্ছে না বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছকু সড়ক ও জনপথ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান। ফলে দুটি সেতু থেকে কী পরিমাণ টোল আদায় হচ্ছে তা সঠিকভাবে জানা সম্ভব হবে না। অপরদিকে মেঘনা-গোমতী সেতুর ওভারলোড নিয়ন্ত্রণ স্কেল বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত মালবোঝাই যানবাহনগুলো সেতু দুটি দিয়ে অবাধে চলাচল করছে। এতে হুমকির মুখে পড়বে মেঘনা ও মেঘনা-গোমতী সেতু। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ নারায়ণগঞ্জ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সাংবাদিক পরিচয় পেলে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং ফোনটি বন্ধ করে দেন।

চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব, ইউপি মেম্বারসহ গ্রেফতার চার

স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা ॥ চোরাচালানের জন্য ব্যবহৃত চোরাঘাট দখল নিয়ে দুই গ্রুপের হাঙ্গামায় একজন ইউপি সদস্যসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘিœত হতে পারে এই আশঙ্কায় তাদের গ্রেফতার করে চালান দেয়া হয়েছে। সাতক্ষীরার কলারোয়ার চারাবাড়ি এলাকায় বুধবার রাতে এই হাঙ্গামার প্রস্তুতির সময় এদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো- কেড়াগাছি ইউপি মেম্বর তৌহিদুজ্জামান, মহিদুল, মহিদুল ইসলাম মঈন ও জাকির। গ্রেফতারকৃতদের বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে, ঘটনাস্থল থেকে ইয়ার আলি ও খালেক নামের দু’জন পালিয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানান, কলারোয়ার কেড়াগাছি ইউনিয়নের ভারত সীমান্ত ঘেঁষা গ্রাম চারাবাড়ি চোরাচালান ঘাট ওপেন সিক্রেটভাবে ইজারা নিয়ে পরিচালনা করে আসছিলেন কেড়াগাছি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন। সম্প্রতি ফারুক হোসেনকে বিতাড়িত করে একই গ্রামের আজহারুল ইসলাম চারাবাড়ি চোরাঘাটটি দখল করে নেন। তখন থেকে আজহারুল সংশ্লিষ্টদের টাকা ও অন্যান্য সুবিধা দিয়ে চোরাচালানী ও অন্যদের ম্যানেজ করে ঘাট নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। এ নিয়ে কিছুদিন ধরে ফারুক ও আজহারুল এই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। বুধবার রাতে এই ঘটনায় দুই পক্ষের সমর্থকরা লাঠিসোঁটা, লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ও বোমা নিয়ে চারাবাড়ি মোড়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এ সময় সেখানে কেড়াগাছি ইউপি মেম্বর মোঃ তৌহিদুজ্জামান, কেড়াগাছির চোরাঘাট মালিক ইউপি মেম্বর মোঃ ইয়ার আলি চারাবাড়ি ঘাট বন্ধ করে তার নিয়ন্ত্রণাধীন চোরাঘাট ব্যবহারের জন্য চোরাচালানীদের প্রতি আহ্বান জানান। এতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় চারাবাড়ির পক্ষে অবস্থানকারী আরেক চোরাচালানী আবদুল খালেক।