২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রিয়াল মাদ্রিদ ও পিএসজির টানা দ্বিতীয় জয়

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফুটবলে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ ও প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইন। বুধবার রাতে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে রিয়াল ২-০ গোলে স্বাগতিক সুইডিশ ক্লাব মালমোকে ও পিএসজি ৩-০ গোলে পরাজিত করে ইউক্রেনের ক্লাব শাখতার ডোনেস্ককে।

নিজেদের মাঠে হারের তেতো স্বাদ পেয়েছে এ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে ভিসেন্টে ক্যালডেরনে পর্তুগালের বেনফিকার কাছে ২-১ গোলে হার মানে এ্যাটলেটিকো। পর্তুগীজ ক্লাবটিরও এটি টানা দ্বিতীয় জয়। এই গ্রুপে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে তারা। অন্যদিকে ‘এ’ গ্রুপে রিয়াল ও পিএসজি দু’দলেরই ভা-ারে জমা ৬ পয়েন্ট করে। তবে গোলগড়ে এগিয়ে থেকে এক নম্বরে রেকর্ড সর্বোচ্চ দশবারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল। প্রতিপক্ষের মাঠ সুইডব্যাংক স্টেডিয়ামে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গোলের সুযোগ পায় অতিথি রিয়াল। কিন্তু সেটি কাজে লাগাতে পারেননি ইস্কো। রাফায়েল বেনিতেজের দল একের পর এক আক্রমণ শাণাতে থাকে। আর পাল্টা আক্রমণের যাওয়ার চেষ্টা করে মালমো। ১৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার ভাল সুযোগ আসে রিয়ালের সামনে। তবে রোনাল্ডোর শট রুখে দেন স্বাগতিক গোলরক্ষক ইয়োহান উইল্যান্ড। পরের মিনিটে সরাসরি গোলরক্ষক বরাবর শট নিয়ে আরেকটি ভাল সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি। অবশেষে ২৯তম মিনিটে উইল্যান্ডকে পরাস্ত করেন রোনল্ডো। ইস্কোর কাছ থেকে বল পেয়ে নিচু শটে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে নেন পর্তুগালের এই ফরোয়ার্ড। এটি তার ক্যারিয়ারের ৫০০তম গোল। ৪২ মিনিটে দানি কারভাহালের শট বারে লেগে প্রতিহত হলে গোলবঞ্চিত হয় রিয়াল। বিরতির পরও চাপ ধরে রেখে খেলতে থাকে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু কিছুতেই গোলের দেখা পাচ্ছিল না রিয়াল। ৭৮ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে ভিক্টর ইয়োটুন মাঠ ছাড়লে মালমো ১০ জনের দলে পরিণত হয়। বাকি সময়টুকু নিজেদের রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত থাকতে হয় স্বাগতিকদের। ৮০ ও ৮৫তম মিনিটে দুইবার রোনাল্ডোকে হতাশ করেন উইল্যান্ড। কিন্তু রিয়াল কিংবদন্তি রাউল গঞ্জালেসের পাশে বসা থামাতে পারেননি তিনি। ৯০ মিনিটে দ্বিতীয়বারের মতো জালে বল পাঠিয়ে রিয়ালের হয়ে রাউলের সর্বোচ্চ ৩২৩ গোলের রেকর্ড ভাগ বসান রোনাল্ডো। গ্রুপের আরেক ম্যাচে ডিফেন্ডারদের নৈপুণ্যে শাখতারকে হারায় পিএসজি। প্রতিপক্ষের মাঠে সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় পিএসজি। ফরাসী চ্যাম্পিয়নদের হয়ে হেডে গোল করেন আইভরিকোস্ট ডিফেন্ডার সার্জে আইয়ের। ২৩ মিনিটে স্বাগতিকদের রক্ষণের ভুল ব্যবধান ২-০ করে পিএসজি ব্রাজিলিয়ান তারকা ডেভিড লুইজ। এ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার বাড়ানো বল লাফিয়েও ডোনেস্কের দুই খেলোয়াড় হেড করতে পারেননি। বল পেয়ে যান লুইজ, লক্ষ্যভেদ করেন সহজেই। দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও চাপ ধরে রেখে খেলতে থাকে অতিথিরা।

বিরতির পর ৫৮ গোলরক্ষককে একা পেয়েও ব্যর্থ হন ডি মারিয়া। ৭৪ ও ৭৮ মিনিটে দুটি দারুণ সুযোগও তৈরি করে ডোনেস্কও। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি কোনটাই। ৭৯ মিনিটে এ্যালেক্স টিক্সেরিয়ার শট বারে লেগে প্রতিহত হলে হতাশা আরও বাড়ে ডোনেস্কের। ৯০ মিনিটে ইব্রাহিমোভিচের প্রচেষ্টা রুখতে গিয়ে উল্টো নিজেদের জালে বল পাঠিয়ে দেন স্বাগতিক গোলরক্ষক।

‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে বেনফিকার বিপক্ষে এগিয়ে যেয়েও হারতে হয়েছে এ্যাটলেটিকোকে। ভিসেন্টে ক্যালডেরনে ২৩ মিনিটে এ্যাঞ্জেল কোরেয়ার গোলে এগিয়ে যায় এ্যাটলেটিকো। ফরাসী তারকা এ্যান্টোনিও গ্রিজম্যানের কাছ থেকে বল পেয়ে গোল করেন তিনি। ৩৬ মিনিটে সমতায় ফেরে বেনফিকা। দিয়াগো গডিন পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে বল পেয়ে যায় নিকোলাস ফাবিয়ান গাইটান। সহজেই গোল করেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। স্বাগতিক সমর্থকদের হতাশ করে বেনফিকাকে ৫১ মিনিটে এগিয়ে নেন গঞ্জালো গুয়েডেস। গাইটানের বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোল করেন ১৮ বছর বয়সী পর্তুগীজ ফরোয়ার্ড।