১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কোহলির আগ্রাসনের রাস্তায় নেই ধোনি

কোহলির আগ্রাসনের রাস্তায় নেই ধোনি

অনলাইন ডেস্ক॥ প্রসঙ্গ যখন আগ্রাসন, তখন দুই ক্যাপ্টেন হাঁটছেন আলাদা রাস্তায়।

বিরাট কোহলি যদি হন তীব্র আগ্রাসনের সমর্থক, মহেন্দ্র সিংহ ধোনি কিন্তু সীমার মধ্যে থেকে আগ্রাসী হতে চান। বৃহস্পতিবার প্রায় তিন মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে তেমনই জানিয়ে দিলেন ভারতের টি-টোয়েন্টি ও ওয়ান ডে অধিনায়ক।

শুক্রবার ধর্মশালায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। তার আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে ধোনি কার্যত জানিয়েই দিলেন যে কোহলির তীব্র আগ্রাসনের তত্ত্বে তাঁর সায় নেই। বলে দিলেন, ‘‘আগ্রাসন মানে মাঠে ঝগড়া করা নয় বা শরীরী লড়াইও নয়।’’ এই ব্যাপারে যে তিনি রাহুল দ্রাবিড়ের তত্ত্বের সমর্থক, তা জানিয়ে ধোনি বলেন, ‘‘রাহুল দ্রাবিড় যেমন বলেছিল, একজন ফাস্ট বোলারকে ভাল ভাবে ফরোয়ার্ড ডিফেন্স করলেও তা আগ্রাসী মনোভাবের পরিচয় দেয়। সে ভাবেই আমাদের ছেলেরাও এখন শিখছে, কী ভাবে আগ্রাসনকে কাজে লাগাতে হয়।’’

শ্রীলঙ্কায় বিপক্ষ ক্রিকেটারদের সঙ্গে ইশান্ত শর্মা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে একটি টেস্টে নির্বাসিত হন। দলের কোনও ক্রিকেটারের এমন আচরণে তাঁর সায় নেই, সে রকমই ইঙ্গিত দিয়ে ধোনি বলেন, ‘‘উত্তেজনা প্রকাশ খারাপ নয়। তবে নিজেকে আচরণবিধির মধ্যে রেখে তা করাই ভাল। দলের কারও শাস্তি পাওয়াটা মোটেই ভাল নয়। ক্রিকেটাররা সব ম্যাচে খেলার জায়গায় থাকবে, এটাই দরকার।’’ ইশান্তের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় শ্রীলঙ্কায় কোহলি বলেছিলেন, দলের জয়ে যাঁর অবদান আছে, তাঁর আচরণ নিয়ে তিনি কিছু ভাবতে নারাজ। ধোনি যে টেস্ট ক্যাপ্টেনের সঙ্গে একমত নন, তার ইঙ্গিতই দিয়ে রাখলেন।

টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজে যে দলের প্রয়োজনে ব্যাটিং অর্ডারে উঠতেও রাজি আছেন, তা জানিয়ে ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘‘আমার আপত্তি নেই। তবে দেখতে হবে, কে কোন জায়গায় মানানসই হবে। আমাদের বেশিরভাগ ছেলেই টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যান। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে ওরা বিভিন্ন অর্ডারে ব্যাট করে। যেমন রোহিত ওপেন করে আর রাহানে টেস্ট, ওয়ান ডে-তে মিডল অর্ডারে ব্যাট করলেও আইপিএলে ওপেন করে। সেটাই ভাল করে দেখে ঠিক করে নিতে হবে।’’

সুরেশ রায়নাকে যে তিনি উপরের দিকেই পাঠাতে চান, সেই ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলেন ক্যাপ্টেন। ‘‘হাতে চার স্পিনার, তিন বিশেষজ্ঞ সিম বোলার ও একজন সিমিং অলরাউন্ডার। তাই অবস্থা বুঝে সঠিক কম্বিনেশন তৈরি করাটা কঠিন হবে না বোধহয়। পুরো কোটা বল করতে পারে, এমন সিমিং অলরাউন্ডার আমাদের না থাকাটা একটা অসুবিধা। আবার দু’জন স্পিনার খেললে, একজনকে ভাল ব্যাট করতে হবে, দল বাছার সময় এটাও মাথায় রাখতে হয়।’’

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা