২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মুন্সীগঞ্জে মা ইলিশ ধরার অপরাধে ৫ জেলেকে কারাদন্ড

মুন্সীগঞ্জে মা ইলিশ ধরার অপরাধে ৫ জেলেকে কারাদন্ড

স্টাফ রিপোর্টার,মুন্সীগঞ্জ ॥ মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচলনা করে ২২ জেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অবৈধভাবে মা ইলিশ ধরা ও কারেন্ট জাল রাখার অপরাধে ৫ ব্যক্তিকে ১ বছর করে কারাদন্ড, ১৭ জনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও লৌহজং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবুল কালাম শুক্রবার সকালে এ দন্ডাদেশ দেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট আবুল কালাম জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকার ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে। কিন্তু কিছু কিছু অসাধু জেলে ও মাছ ব্যবসায়ী এ আদেশ অমান্য করে পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মা ইলিশ নিধন করছিল। আর অসাধু মাছ ব্যবসায়ীরা তা পদ্মা সংলগ্ন আড়ৎ গুলোতে বিক্রি করছিল- এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা থেকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, লৌহজং থানার ওসি (তদন্ত) মো. মফিজুর রহমান ও এসআই হাফিজুর রহমানসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ নিয়ে শুক্রবার সকাল ১০টা পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ ঘন্টা পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ২শ’ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়। মা ইলিশ ধরা ও কারেন্ট জাল রাখার অপরাধে ৫ জনের প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়। কারদন্ডাদেশ প্রাপ্তরা হচ্ছে- মাদারীপুরের জাজিরা উপজেলা মোতালেব মাদবরের পুত্র হযরত আলী, একই এলাকার আলী আকবরের পুত্র খলিল বেপারী ও রশিদ মুন্সীর পুত্র বাউলী মুন্সী এবং মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কুমারভোগ এলাকার মৃত আলম সিকদারের পুত্র নুরু মিয়া শেখ ও একই এলাকার আহমদ দফাদারের ছেলে খলিল সিকদার।

এছাড়া বাকী ১৭ জনের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে বাড়ি চলে গেছে। ৫ জন জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাদেরকে থানা হাজতে রাখা হয়েছে। যদি তারা টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয় তবে তাদেরকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এছাড়া জব্দকৃত কারেন্ট জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মা ইলিশগুলো উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে।