২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ছেলেবেলা ও ছাত্রজীবন

  • আবুল মাল আবদুল মুহিত

জন্ম ও পারিবারিক কথা

(৩ অক্টোবরের পর)

এই খালগুলোর ওপরে সড়কের সাথে বাড়িতে যাবার জন্য সংযোগ পুল হয় বাঁশের, নয় সিমেন্টের দ্বারা নির্মিত ছিল। পুলের নিচে দুষ্ট লোক আশ্রয় নিতে পারে সেই সন্দেহে বটু ও ইন্তাজ এসব জায়গা বিশেষভাবে পরখ করতো। আমিও তাদের সাথে ২/১ বার এই কাজে যোগ দিই। সিলেটের দাঙ্গা খুব বিস্তৃতি লাভ করেনি। কয়েকদিনের মধ্যেই সবকিছু শান্ত হয়ে যায়। পরে শুনেছি যে, এলাকার হিন্দু ও মুসলিম নেতৃত্ব অত্যন্ত সুকৌশলে দাঙ্গা দমিয়ে রাখেন। ভয় ছিল যে, শহরতলী থেকে, সুরমা নদীর দক্ষিণ পাড় থেকে এবং আখালির মুসলমানরা শহর আক্রমণ করলে হিন্দুদের বিপদ হবে- এই সম্ভাবনাটি মুসলমান নেতৃত্ব হিন্দু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মিলে পুরোপুরি নাকচ করেন। এবং নানা ধরনের প্রচার, যেখানে হিন্দুরা মসজিদ আক্রমণ করেছে বলে বলা হয় সেগুলো মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য তারা অনেক লিফলেট, ছবি ইত্যাদি বিতরণ করেন। নেতৃবর্গের মধ্যে ছিলেন পাইলগাওয়ের জমিদার সুখময় চৌধুরী ও ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী, শহরের লামাবাজারের লাল ভ্রাতৃবর্গ, দক্ষিণ সুরমার খান সাহেব আকমল হোসেন, পাঠানটুলার প্রাদেশিক মন্ত্রী আবদুল হামিদ, ভাদেশ্বরের প্রাদেশিক মন্ত্রী আবদুল মতিন চৌধুরী, সুপানিঘাটের রাজনৈতিক নেতা এবং পরবর্তীতে পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বসন্ত কুমার দাস, হবিগঞ্জের উকিল আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী, জমিদার একলিমুর রাজা চৌধুরী, ব্যবসায়ী খান সাহেব আবদুল কাহের, যুবক আমিনুর রশীদ চৌধুরী, উকিল রাধিকা রঞ্জন পাল, উকিল তরণী দত্ত এবং আমার আব্বা আবু আহমদ আবদুল হাফিজ।

আমার শৈশবে সমস্ত পড়াশোনা হয় বাড়িতে। বাবু গিরিন্দ্র কুমার পুরকায়স্থ ছিলেন একটি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তার পড়াশোনা হয়তো ক্লাস এইট পর্যন্ত ছিল এবং তার পিতা ছিলেন একজন প-িত। তিনি ছিলেন রায়নগরের বখতিয়ার বিবি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এই স্কুলটি স্থাপন করেন বখতিয়ার বিবির দুই পুত্র- হাজী আব্দুস সাত্তার ও আব্দুল মতলিব এবং তার বোনের নাতি আমার আব্বা এবং বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা পায় ১৯৩১ সালে। গিরিন্দ্র বাবু রোজই সন্ধ্যা বেলায় আমাদের বাসায় আসতেন, যেহেতু আমার আব্বা ছিলেন এই স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সম্পাদক। তিনি আমাদের তিন ভাইবোনের পড়াশোনায় সহায়তা করতেন। আমার বোন তখন কিশোরী মোহন স্কুলে পড়তেন এবং আমি ও আমার ভাই তখন বাড়িতেই পড়াশোনা করি। আমরা দু’জনেই পাঠশালায় যাইনি। কিছু দিন আমাদের পাড়ায় উকিল যতীন্দ্র মোহন ভট্টাচার্য ছেলেমেয়েদের তার বাড়িতে ২ ঘণ্টার জন্য একজন শিক্ষককে নিযুক্তি দেন। তিনি বোধহয় আমাদের ২/৩ মাস পড়িয়েছিলেন। আমরা দু’ভাই বেশ চিৎকার করে পড়াশোনা করতাম। প্রতিবেশীরা মাঝে মাঝে তা নিয়ে মজা করতেন। আমার তখন মুখস্থবিদ্যা খুবই প্রখর। আমি একবার/দু’বার কিছু পড়লে সেটা মুখস্থ হয়ে যেত। মুখে মুখে অঙ্ক কষতে আমি বেশ ভাল ছিলাম। কিন্তু খাতায় ঠিকমত অঙ্ক কষতে পারতাম না। আমাদের এক ফুপা ছিলেন, যাকে আমরা আঙ্কল ডাকতাম- দেওয়ান বদরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি তখন স্কুল সাব-ইন্সপেক্টর ছিলেন। তার পড়াশোনা ছিল আইএ অর্থাৎ উচ্চ মাধ্যমিক পাস। তবে তিনি ছিলেন পাকা ইংরেজ সাহেব- দেখতে, কাপড়-চোপড়ে এবং ব্যবহারে। তিনি যখনই আমাদের বাড়িতে আসতেন তখন আমাদের ইংরেজী শেখাতেন। মজার ব্যাপার হলো, এই ফুপার সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ১৯১৭ সালেই শেষ হয়ে যায়। তিনি আমার আব্বার বড় বোন সালেহা খাতুনকে বিয়ে করেন ১৯১৫ সালে। ১৯১৭ সালে তাদের একটি মেয়ে সন্তান হয়, যিনি মাত্র কয়েকদিন বেঁচে ছিলেন। সেই বছরেই আমার ফুপুরও ইন্তেকাল হয়। কিন্তু এই ফুপা সারাজীবন (১৯৫৬ সাল পর্যন্ত) আমার আব্বার দুলাভাই ছিলেন এবং ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত দাদার বড় জামাই ছিলেন। সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) ইয়েমেন থেকে আসেন। তাই তার সঙ্গে বর্তমানে সৌদি আরব, ইরাক এবং ইয়েমেনের অনেক সহচর ছিলেন। আরও দেখা যায় যে, সিলেটে মুসলমান প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার পর সৌদি আরব এবং নিকটস্থ এলাকা থেকে অনেক পেশাজীবী এবং ধর্ম প্রচারক সিলেটে আগমন করেন। আমাদের পূর্ব-পুরুষ নাকি ঐ সময়ে একজন চিকন্দাজ অর্থাৎ উন্নতমানের দরজি হিসেবে সিলেটে প্রতিষ্ঠা পান। সম্ভবত বর্তমান দপ্তরিপাড়ায় আমাদের এই পূর্ব-পুরুষ বসতি স্থাপন করেন। আমার আব্বা অনেক আত্মীয়-স্বজনের বংশলতিকা (সাজরা নসব) সংরক্ষণ করতেন। যেমন- তার মায়ের এবং শ্বশুর বংশের বংশলতিকা তার কাছে সংরক্ষিত ছিল। এছাড়াও আরও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তির বংশলতিকা তার কাছে থাকতো। এগুলোকে উইপোকা এবং পিপীলিকার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য টিনের চোঙ্গায় রাখা হতো। আমাদের বংশলতিকাটি আব্বার কাছ থেকে তার চাচা আবদুর রশিদ চল্লিশের দশকে কোন কাজে নিয়ে যান। তার পরে এটি আর ফেরত পাওয়া যায়নি এবং সন্দেহ করা হয় যে, সেটা উইপোকা ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি কৈশোরে অনেক খোঁজ-খবর করে আমার দাদার সবচেয়ে পুরনো যে পূর্ব-পুরুষের পরিচয় জোগাড় করতে পারি তিনি ছিলেন আমার দাদার দাদা মোহাম্মদ রমজান এবং দপ্তরিপাড়ায় তার বাড়িটি আমার কৈশোরেও অবস্থিত ছিল। প্রথমে আমার দাদার পিতা সেখান থেকে সোনারপাড়ায় স্থানান্তরিত হন এবং আমার দাদা নিজে রায়নগরে মোখতার খাঁ কিরমানিতে স্থানান্তরিত হন। এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া অবলম্বন করে আমার আব্বা তার বাড়িটি ধোপাদীঘির পূর্ব পাড়ে নির্মাণ করেন এবং আমি আমার বাড়িটি আমার স্ত্রীর নামে ঢাকার বনানীতে নির্মাণ করি।

আমাদের পূর্ব-পুরুষ ছিলেন দপ্তরিপাড়ার মানুষ মোহাম্মদ রমজান। মোহাম্মদ রমজানের ছেলে ছিলেন আবদুল কাদের। তার জন্ম হয় ১৮৩৪ সালে এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১৮৯৫ সালে। তিনি দপ্তরিপাড়া থেকে সোনারপাড়ায় বাসস্থান পরিবর্তন করেন। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমদিকে মোঃ ওযায়ের বলে একজন ধনী ব্যবসায়ী উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে সিলেটে ব্যবসা করতে আসেন। তিনি রায়নগর এলাকার মোঃ সানাউল্লাহর মেয়ে সাবুক বিবিকে বিয়ে করেন। তাদের ছিল দুই পুত্র ও চার কন্যা। তার তৃতীয় কন্যা মতি বিবিকে বিয়ে করেন আবদুল কাদির। মতি বিবির জন্ম হয় ১৮৪৫ সালে এবং তিনি মারা যান ১৯০৬ সালে। আবদুল কাদের এবং মতি বিবির প্রথম পুত্র সন্তান ছিলেন আমার দাদা খান বাহাদুর আবদুর রহিম। তারা ছিলেন তিন ভাই ও এক বোন। ভাই আবদুর রশিদের উত্তরাধিকারীরা সোনারপাড়ায় এখনও বসবাস করেন। ছোট ভাই আবদুল আজিজ মাত্র সাত বছর বেঁচে ছিলেন এবং আমার আব্বার জন্মের আগেই মারা যান। একমাত্র বোন হালিমা ওরফে কনি বিবি নিঃসন্তান ছিলেন। তিনি সোনারপাড়ার পুকুরসহ মসজিদটি নির্মাণ করেন এবং মুতাওয়াল্লি হিসেবে তার ভগ্নিপুত্র আমার দাদাকে আজীবন নিযুক্তি দেন। এই মসজিদের মুতাওয়াল্লি আমার আব্বাও কিছুদিন ছিলেন বলে মনে হয়।

আমার দাদা পড়াশোনায় খুব ভাল ছিলেন। সেটা তার দাদী এবং মা বিশেষভাবে অনুধাবন করেন এবং তাকে পড়াশোনায় উৎসাহিত করেন। সেই যুগে তিনি ষোল বছর বয়সে প্রবেশিকা পরীক্ষা পাস করেন ১৮৮৯ সালে। তখন পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত হয় যে, তাকে উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় পাঠানো হবে। কলকাতায় যাওয়া তখন প্রায় নয় দিনের ব্যাপার ছিল। সিলেট শহর থেকে গোবিন্দগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় বারো মাইল রাস্তা পায়ে হেঁটে যেতে হতো এবং সেই রাস্তায় ডাকাতের ভয় ছিল। তাই সিলেটের লোকজন সচরাচর দলবেঁধে কলকাতায় যেতেন। কলকাতায় তখন একটি ব্যবস্থা ছিল যে, প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরের কোন বড় ব্যবসায়ী একটি গদি স্থাপন করতেন। যেমন- সিলেটের গদি, ময়মনসিংহের গদি ইত্যাদি। সেই গদিতে যারাই তাদের জেলা থেকে কলকাতায় যেতেন তারা যোগাযোগ করতেন এবং নানাভাবে গদি থেকে সাহায্য নিতেন। এমনকি কারো টাকা-পয়সার সাময়িক অভাব হলে গদি সেই অভাব মিটিয়ে দেয়ার জন্য ঋণ দিত। আমি দাদার সমসাময়িক কয়েকজনের সঙ্গে আমার কৈশোরে তাদের কলকাতা যাওয়া নিয়ে আলাপ-আলোচনা করি। যাদের সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে তাদের দু’জনের নাম আমার মনে আছে। যথা- হরেন্দ্র পোদ্দার এবং রায় বাহাদুর প্রমোদ দত্ত (যিনি এক সময়ে আসামে মন্ত্রী ছিলেন)। তাদের চেয়ে কিছু কম বয়সের বসন্ত কুমার দাস (যিনি পূর্ববাংলা এবং পাকিস্তানের এক সময় মন্ত্রী ছিলেন), তার সঙ্গেও অনেক আলাপ-আলোচনা করি। গোবিন্দগঞ্জ পর্যন্ত হেঁটে যাওয়ার সময় তাদের সঙ্গী থাকতেন শহরের প্রসিদ্ধ সাহসী ব্যক্তিরা এবং তারা দাও-ঝাঁটা ইত্যাদি নিয়ে তাদের সঙ্গ দিতেন। সচরাচর তারা বছরে একবার লম্বা ছুটিতে বাড়ি ফিরতেন। ব্রিটিশ সরকারও তখন ইংরেজী শিক্ষার প্রসারের জন্য উদ্যোগী ছাত্রদের নানাভাবে সাহায্য করতো। বিপিন চন্দ্র পাল কোনমতে প্রবেশিকা পাস করলেও আসাম সরকারের বৃত্তি নিয়ে কলকাতায় পড়তে যান। বিপিন পালের আনুষ্ঠানিক লেখাপড়া ছিল উচ্চ মাধ্যমিক। কিন্তু তিনি তার সময়ে ছিলেন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প-িত ব্যক্তি। তিনি ইউরোপ ও আমেরিকায় বক্তৃতা দিয়ে রোজগার করতেন। তার জ্ঞানের পরিধি ব্যাপক হয় কলকাতা ন্যাশনাল লাইব্রেরীতে পড়াশোনা করে। তিনি বহুদিন এই লাইব্রেরীর সহকারী লাইব্রেরিয়ান ছিলেন।

আমার দাদা ১৮৯৩ সালে প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বিএ পাস করে এমএ পড়তে শুরু করেন। সেই সময় তার পিতার মৃত্যু হলে তিনি সিলেটে ফিরে আসেন এবং এসে চাকুরীর জন্য তদ্বির করতে থাকেন। মনে হয় চাকুরীর জন্য তখন সুযোগ তেমন ছিল না। তিনি চাকুরী পেলেন মৌলভীবাজারের পৃত্তিমপাশার জমিদারীতে। সেখানকার জমিদার আলী আমজাদ সাহেব তাকে একটি মধ্য স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত করেন। তিনি মাসিক ৬০ টাকা বেতনে সেই চাকুরীতে যোগদান করেন। ১৮৯৬ সালে তিনি সিলেট সরকারি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্তি পান এবং অতি কষ্ট করে সেই চাকুরীতে যোগদানের জন্য পৃত্তিমপাশা থেকে পলায়ন করেন। পৃত্তিমপাশার জমিদার সাহেব আমার দাদাকে পৃত্তিমপাশা ছাড়তে দিলেন না। তাই তার যাতায়াতের সব সুযোগ বন্ধ করে দেয়া হলো। এই অবস্থায় দাদা সেখান থেকে পলায়নের পদক্ষেপ নিলেন। লংলা এলাকার অন্যান্য জমিদার সুন্নত চৌধুরী এবং হায়দার চৌধুরীরা পলায়নে তাকে সহায়তা করেন। সিলেটের সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষক থাকাকালে আমাদের দাদা পাঠানটুলার আবদুল কাদেরের কন্যা হাফিজা বানুকে বিয়ে করেন। হাফিজা বানুর জন্ম হয় ১৮৮২ সালের ২১ জুলাই। তিনি আমার দাদার চেয়ে নয় বছরের ছোট ছিলেন। এই পরিবারের পূর্ব-পুরুষ শেখ খিজির কুরেশী আরব থেকে এদেশে আগমন করেন এবং তারা ছিলেন কুরেশ বংশের। এই বংশের মোহাম্মদ নাদের পাঠানটুলায় উচ্চ বাড়িতে বসতি স্থাপন করেন। তার ছিল দুই ছেলে আবদুল কাদের ও আবদুল করিম- যাদের বয়সের ব্যবধান ছিল প্রায় বিশ বছর। দুই ভাইয়ের মাঝখানে আরো সন্তান-সন্ততি জন্ম নিলেও তারা সবাই শৈশব পেরুবার আগেই মৃত্যুবরণ করেন। ১৮৬৩ সালের ২০ আগস্টে জন্ম নেন আবদুল করিম এবং তার কিছুদিন পরেই এক অগ্নিকা-ে মোহাম্মদ নাদেরের উঁচু বাড়িটি পুড়ে যায়। একটি গৃহপালিত ময়না পাখীর চিৎকারেই শিশু আবদুল করিমকে আগুন থেকে উদ্ধার করা হয়। আবদুল করিম ছিলেন সিলেটের দ্বিতীয় মুসলমান গ্র্যাজুয়েট। তার আগে মোহাম্মদ দাইম ১৮৬৫ সালে গ্র্যাজুয়েট হন। তিনি ১৮৬৬ সালে প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বিএ পাস করে কলাকাতা মাদ্রাসায় ইংরেজী শিক্ষকের চাকুরী নেন। তার ভাইঝির বিয়ের সময় তিনি ছিলেন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সীতে মুসলিম শিক্ষা প্রসারের জন্য নিয়োজিত সহকারী স্কুল পরিদর্শক এবং তিনি এই বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন।

চলবে...