১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সংস্কার দাবি না মানলে ইইউ ত্যাগ করবে ব্রিটিশরা

  • টোরি সম্মেলনের আগে সতর্ক করলেন হ্যামন্ড

ব্রাসেলস যুক্তরাজ্যের ‘পর্যাপ্ত ও অপরিবর্তনীয়’ সংস্কারের দাবি না মানলে ব্রিটিশ জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ত্যাগ করার পক্ষে ভোট দেব। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন। ইইউ থেকে ব্রিটেনের প্রস্থানের সম্ভাবনা প্রশ্নে সরকারের ভাষা ব্যবহারে তাৎপর্যপূর্ণ কঠোরতা এনে হ্যামন্ড পরিষ্কার করে দেন যে, যুক্তরাজ্য সরকার যখন ইউরোপের নেতৃবৃন্দকে ইইউ ত্যাগ করার পথে বেছে নেয়ার সম্ভাবনার কথা বলে তখন দেশটি ধাপ্পা দেয় না।

ম্যাকেস্টারে কনজারভেটিভ সম্মেলনের আগে দ্য টেলিগ্রাফের সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে হ্যামন্ড সতর্ক করে দেন যে, ইইউ পরিবর্তন আনতে ইচ্ছুক না হলে সরকার ভোটারদের কাছ থেকে ‘অবজ্ঞামূলক আচরণ’ লাভ করবে।

ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ক্যাবিনেট মন্ত্রীরা ইইউ ত্যাগ করার পক্ষে প্রচার চালাতে পারবেন কিনা সে ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে তিনি অস্বীকার করেন। সাক্ষাতকারে হ্যামন্ড জেরেমি করবিনের বিরুদ্ধে রক্ষণশীল দলের এ পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর সমালোচনা করে হুঁশিয়ার করে দেন যে, নতুন লেবার নেতা যুক্তরাজ্যকে ‘বিব্রত’ করছেন এবং ‘বিদেশে ব্রিটেনের সুনামকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।’ ব্রাসেলসের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার ডেভিড ক্যামেরনের উদ্যোগ থেমে গেছে এই আশঙ্কার মধ্যে হ্যাম- একথার ওপর জোর দিয়ে টোরিদের (রক্ষণশীল দলের সদস্য) স্নায়ুচাপ শান্ত করার চেষ্টা করেন, আসন্ন সপ্তাহগুলোতে ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা ‘ত্বরান্বিত’ করা হবে।

তিনি বলেন, অক্টোবরের শেষ নাগাদ পোলিশ নির্বাচন এবং ডিসেম্বরে ইউরোপিয়ান কাউন্সিল নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের প্রত্যাশা হলো, আমাদের শরিকদের সঙ্গে আমাদের নিষ্পত্তিমূলক আলোচনার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেগবান হবে। অবশ্য, তিনি ইউরোপজুড়ে প্রতিপক্ষদের কাছে পরিষ্কার করে দেন যে, যে কোন সংস্কার প্যাকেজকে হতে হবে ‘অপরিবর্তনীয়’- এই ‘বলিষ্ঠ’ নিশ্চয়তা না পেলে ব্রিটিশ ভোটারবৃন্দ ইইউ ছাড়ার পক্ষে রায় দেবে।

হ্যামন্ডের আইনগতভাবে নিখুঁত সংস্কার প্যাকেজের দাবি পূরণ করা অসম্ভব, কারণ ভবিষ্যৎ সড়কগুলো সহজেই সেগুলো উলটে দিতে পারে- ইইউর সাবেক শীর্ষ আইনজীবী জ্যাঁ ক্লদ গিরিজের ওই বক্তব্যের জবাবে হ্যামন্ড এসব কথা বলেন। হ্যামন্ড পরিষ্কার করে দেন যে, তার বিশ্বাস ব্রিটেন ইইউ’র বাইরে টিকে থাকতে পারলেও এটি তার জন্য ‘অনৈতিকভাবে ক্ষতিকর’ হবে। -টেলিগ্রাফ