১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যুক্তরাজ্যে সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্র, স্কুলছাত্রের যাবজ্জীবন

  • ওরেগনে হামলাকারীর ১৩টি অস্ত্র ছিল

যুক্তরাজ্যের এক স্কুলছাত্রকে আনজাক দিবসে অস্ট্রেলীয় পুলিশ অফিসারদের শিরñেদ করার ষড়যন্ত্রের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদ- দেয়া হয়েছে। তবে এ কারাদ-ের ন্যূনতম মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। তার বয়স যখন ছিল ১৪ বছর তখন সে ঐ ষড়যন্ত্র করেছিল। সেই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কম বয়স্ক দোষী সাব্যস্ত সন্ত্রাসী। আইনগত কারণে কিশোরের নাম প্রকাশ করা হয়নি। সে তার ল্যাঙ্কাশায়ারের ব্ল্যাকবার্নের নিজ বাড়ি থেকে স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে ২৪ হাজার টুইটার অনুসারী সংগ্রহ করে এবং ইসলামিক স্টেট (আইএস) সদস্যদের ঐ ষড়যন্ত্র হাসিলে তৎপর হতে উৎসাহিত করে। সে বর্তমানে সিরিয়ায় লড়াইরত এক কুখ্যাত আইএস রিক্রুটারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছিল। খবর গাডির্য়ান, এএফপি ও বিবিসির।

তার বয়স এখন ১৫ বছর। জুলাই মাসে সে বিদেশে সন্ত্রাসী তৎপরতায় উস্কানি দেয়া মেলবোর্নের এক ব্যক্তির কাছে হাজার হাজার বার্তা পাঠানো এবং অস্ট্রেলিয়ার ঐ স্মারক দিবসের প্যারেডে পুলিশ অফিসারদের হত্যা করার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার দায়ে দোষ স্বীকার করে। শুক্রবার ম্যানচেস্টার ক্রাউন কোর্টে কিশোরকে ঐ দ- প্রদান করে বিচারপতি স্যান্ডারস বলেন, এটি এক ভয়াবহ বিষয় যে, এত কম বয়স্ক এক আসামি কয়েক ব্যক্তির মৃত্যু হবে এমন এক ঘটনা ঘটানোর আশা করছিল। কর্তৃপক্ষ হস্তক্ষেপ না করলে আসামি তার তৎপরতা চালিয়ে যেত। বিচারক বলেন, ২০১৫ সালের মার্চ মাসে ঘটনাটি ঘটলে সে খুশি হতো। সে যে কুখ্যাতি অর্জন করত, সেটিকে মে স্বাগত জানাত। কিশোরটি যতদিন না জনসাধারণের জন্য আর ঝুঁকির কারণ নয় বলে গণ্য হয় ততদিন কারাগারে থাকবে। সে আইএস রিক্রুটার নেইল প্রকাশের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। আবু খালেদ আল ক্যাম্বোডি নামে ঐ অস্ট্রেলীয় সিরিয়ায় লড়াই করছে। আল ক্যাম্বোডি কিশোরকে সাড়ে দশ হাজারেরও বেশি মাইল দূরে মেলবোর্নের জিহাদী সেভডেট বেসিমের (১৮) সঙ্গে যোগাযোগ করতে উৎসাহিত করে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বেসিম ও কিশোর এক হামলা চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের এক কলেজে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে নয়জনকে হত্যাকারী ক্রিস হার্পার মার্সারের ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ছিল এবং সেগুলোর সবই উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে রোজবার্গের আম্পকাওয়া কমিউনিটি কলেজে হামলার সময় তার কাছে ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। দেশটির পুলিশ কর্মকর্তারা শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন। মাদক, তামাক, আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরণ বিষয়ক মার্কিন ব্যুরোর এজেন্ট শেলিনেজ নানেজ বলেন, এ পর্যন্ত আমরা ১৩টি অস্ত্র উদ্ধার করেছি। এসবের মধ্যে ওই কলেজ থেকে ছয়টি এবং বন্দুক হামলাকারীর বাসা থেকে সাতটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তবে অস্ত্রগুলোর সবকটিই বৈধভাবে কেনা ছিল। বন্দুক হামলার একদিন পর তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এক অস্ত্র ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এসব অস্ত্র কেনা হয়। ওরেগনে নির্বিচার ওই গুলির ঘটনায় হামলাকারীসহ ১০ জন নিহত হয়। এসব অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি ওই কলেজ প্রাঙ্গণে পড়ে থাকা একটি রাইফেলের কাছ থেকে আমরা একটি জ্যাকেটও উদ্ধার করেছি।